
বন্যায় ফেনীতে রেললাইন ও রেল সেতুর ওপর দিয়েও পানি প্রবাহিত হচ্ছে। একই অবস্থা সিলেটের একটি রেলসেতুরও। চট্টগ্রামকক্সবাজার রেললাইনে পাহাড় ধসে পড়েছে। এসব কারণে চট্টগ্রামের সব ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখেছে রেলওয়ে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রেল পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, রেললাইনে পানি ওঠা ও পাহাড়ধসের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং রেলের সম্পদ রক্ষায় ট্রেন চলাচল আপাতত বন্ধ থাকবে।
তিনি জানান, চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকাগামী সুবর্ণ এক্সপ্রেস এবং সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ছেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু বন্যার কারণে ট্রেনগুলো গন্তব্যে যেতে পারেননি।
রেলওয়ের কন্ট্রোল বিভাগ জানায়, ফেনী থেকে ফাজিলপুর পর্যন্ত রেললাইন পানিতে ডুবে গেছে। সিলেট রুটের কয়েকটি জায়গায়ও পানি উঠেছে। বন্যার পানিতে কুমিল্লায় রেললাইন উপড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ফেনী স্টেশনে বন্যার পানি জমে রয়েছে। কক্সবাজার রুটে পাহাড়ধসও হয়েছে।
এসব কারণে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলাচলরত আন্তনগরসহ সব ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা, জামালপুর, সিলেট ও চাঁদপুরে প্রতিদিন ১১টি আন্তনগর ট্রেন চলাচল করে। এ ছাড়া কক্সবাজার, নাজিরহাট, চাঁদপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহে লোকাল ও কমিউটার ট্রেন চলাচল করে নিয়মিত।

বিলুপ্তপ্রায় প্যাডেলচালিত স্টিমার বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে পর্যটকদের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকলেও দৃশ্যত এ দেশের মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারছে না। বাংলাদেশে অবশিষ্ট মাত্র চারটি প্যাডেল স্টিমারের অন্যতম পিএস মাহসুদকে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমের মৌসুম এলেই শহর থেকে গ্রাম সর্বত্র কর্মচাঞ্চল্য তৈরি হয়। বিপুল সম্ভাবনা থাকলেও জেলায় এই খাতকে ঘিরে গড়ে ওঠেনি কোনো প্রক্রিয়াজাত শিল্প। ফলে অর্থনৈতিকভাবে কাঙ্ক্ষিত সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষক ও উদ্যোক্তারা।
৪ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখা এবং রাজস্ব শাখার সাবেক কারিগরি কর্মকর্তা (সার্ভেয়ার) মো. নুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে রয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলা। সেই মামলায় একাধিকবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। কিন্তু একবারও গ্রেপ্তার হননি তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
২০১৭ সালের ১৩ জুন। রাঙামাটির কাপ্তাইবাসীর জন্য এটি ছিল এক বিভীষিকাময় দিন। আগের দিন মধ্যরাত থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। টানা বর্ষণে তখন ঘরবন্দী মানুষ। সকালে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে থাকে পাহাড়ধসে হতাহতের মৃত্যুর খবর। ওই দিনের পাহাড়ধসে কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় প্রাণ হারায় ১৮ জন।
৫ ঘণ্টা আগে