
অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৬ জনে দাঁড়িয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে...

টানা বর্ষণ, নদীর পানি বৃদ্ধি ও পাহাড় ধসের ঝুঁকির কারণে ১৫ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ রাখা বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র আগামী ১৬ জুলাই থেকে পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং নতুন করে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা না থাকলেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

টানা কয়েক দিনের ভয়াবহ বন্যার পর বান্দরবানের পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি নামতে শুরু করায় আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বাড়ি ফিরছে মানুষ। তবে ঘরবাড়ি পরিষ্কার, ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা ও বিশুদ্ধ পানির সংকট এখন দুর্গতদের বড় চ্যালেঞ্জ।

অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসে দেশের সাত জেলায় ৫১ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন ৩৯ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কক্সবাজারে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই জেলায় আহতের সংখ্যাও বেশি।