কক্সবাজার প্রতিনিধি

দলের সিদ্ধান্ত না মেনে কক্সবাজার পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ায় বিএনপির ১২ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ সোমবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
তাদের মধ্যে পৌরসভার তিনজন বর্তমান ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও দুজন সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর রয়েছেন। তাঁরা আগামী ১২ জুনে নির্বাচনে এবারও প্রার্থী হয়েছেন। বাকি সাতজনও প্রার্থী হয়েছেন।
বহিষ্কৃত নেতারা হলেন–কক্সবাজার জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আশরাফুল হুদা সিদ্দিকী জামশেদ, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম, কক্সবাজার পৌর মৎস্যজীবী দলের সভাপতি এম জাফর আলম হেলালী, জেলা বিএনপির সদস্য এস আই এম আক্তার কামাল আজাদ, কক্সবাজার পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি আবচার কামাল, সাধারণ সম্পাদক ওসমান সরওয়ার টিপু, জেলা মহিলা দলের সভাপতি নাসিমা আক্তার বকুল, দপ্তর সম্পাদক জাহেদা আক্তার, কক্সবাজার পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম লিটন, জেলা যুবদলের সহ-প্রচার সম্পাদক শাহাব উদ্দিন শাহেদ, সদস্য ওমর সিদ্দিক লালু, পৌর যুবদলের সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন রিয়াদ।
জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ ইউসুফ বদরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বহিষ্কৃত নেতারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তাদের আগে সতর্ক করে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। ফলে তাঁদের দলের সব পর্যায়ের পদ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।’

দলের সিদ্ধান্ত না মেনে কক্সবাজার পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ায় বিএনপির ১২ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ সোমবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
তাদের মধ্যে পৌরসভার তিনজন বর্তমান ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও দুজন সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর রয়েছেন। তাঁরা আগামী ১২ জুনে নির্বাচনে এবারও প্রার্থী হয়েছেন। বাকি সাতজনও প্রার্থী হয়েছেন।
বহিষ্কৃত নেতারা হলেন–কক্সবাজার জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আশরাফুল হুদা সিদ্দিকী জামশেদ, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম, কক্সবাজার পৌর মৎস্যজীবী দলের সভাপতি এম জাফর আলম হেলালী, জেলা বিএনপির সদস্য এস আই এম আক্তার কামাল আজাদ, কক্সবাজার পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি আবচার কামাল, সাধারণ সম্পাদক ওসমান সরওয়ার টিপু, জেলা মহিলা দলের সভাপতি নাসিমা আক্তার বকুল, দপ্তর সম্পাদক জাহেদা আক্তার, কক্সবাজার পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম লিটন, জেলা যুবদলের সহ-প্রচার সম্পাদক শাহাব উদ্দিন শাহেদ, সদস্য ওমর সিদ্দিক লালু, পৌর যুবদলের সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন রিয়াদ।
জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ ইউসুফ বদরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বহিষ্কৃত নেতারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তাদের আগে সতর্ক করে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। ফলে তাঁদের দলের সব পর্যায়ের পদ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।’

নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
২ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
১ ঘণ্টা আগে
ধুনট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আব্দুল করিম জানান, শনিবার বিকেলে এলেঙ্গী বাজারে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে