চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

ঋণখেলাপের অভিযোগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সালাহ উদ্দীন আহমদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহম্মদ শাহীন ইমরান প্রার্থিতা বাতিলের ঘোষণা দেন। সালাহ উদ্দীন আহমদ কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
মনোনয়নপত্র বাতিলের বিষয়ে সালাহ উদ্দীন আহমদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি মনোনয়ন ফিরে পেতে আপিল করব। গত ২৭ নভেম্বর বিজ্ঞ আদালত আমাকে ঋণখেলাপির তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। এখন আমি আর ঋণখেলাপির তালিকায় নেই।’
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহম্মদ শাহীন ইমরান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ফিস প্রিজারভার্স লিমিটেডের নামে একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। প্রতিষ্ঠানটির নামে জামিনদাতা হিসেবে জনতা ব্যাংক লিমিটেডের লালদীঘি পূর্ব করপোরেট শাখাসহ দুটি ব্যাংকে তাঁর ঋণ রয়েছে। ঋণখেলাপি হওয়ায় তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। যাঁদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তাঁরা আপিল করতে পারবেন।’
এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলমসহ ১৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, যাচাই-বাছাইয়ে শেষে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সালাহ উদ্দীন আহমদ ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী কমর উদ্দীন আরমান, শফিকুল ইসলাম, শাহনেওয়াজ চৌধুরী ও শামসুদ্দিন মুহাম্মদ ইলিয়াছের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা প্রার্থীরা হলেন জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য এ এইচ সালাহ উদ্দীন মাহমুদ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, মহাসচিব আবদুল আউয়াল মামুন, ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনীত প্রার্থী আবু মোহাম্মদ বশিরুল আলম, জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত প্রার্থী হোসনে আরা, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ বেলাল উদ্দীন , স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলম ও তাঁর ছেলে তানভীর আহমদ সিদ্দিকী তুহিন।

ঋণখেলাপের অভিযোগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সালাহ উদ্দীন আহমদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহম্মদ শাহীন ইমরান প্রার্থিতা বাতিলের ঘোষণা দেন। সালাহ উদ্দীন আহমদ কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
মনোনয়নপত্র বাতিলের বিষয়ে সালাহ উদ্দীন আহমদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি মনোনয়ন ফিরে পেতে আপিল করব। গত ২৭ নভেম্বর বিজ্ঞ আদালত আমাকে ঋণখেলাপির তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। এখন আমি আর ঋণখেলাপির তালিকায় নেই।’
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহম্মদ শাহীন ইমরান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ফিস প্রিজারভার্স লিমিটেডের নামে একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। প্রতিষ্ঠানটির নামে জামিনদাতা হিসেবে জনতা ব্যাংক লিমিটেডের লালদীঘি পূর্ব করপোরেট শাখাসহ দুটি ব্যাংকে তাঁর ঋণ রয়েছে। ঋণখেলাপি হওয়ায় তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। যাঁদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তাঁরা আপিল করতে পারবেন।’
এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলমসহ ১৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, যাচাই-বাছাইয়ে শেষে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সালাহ উদ্দীন আহমদ ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী কমর উদ্দীন আরমান, শফিকুল ইসলাম, শাহনেওয়াজ চৌধুরী ও শামসুদ্দিন মুহাম্মদ ইলিয়াছের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা প্রার্থীরা হলেন জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য এ এইচ সালাহ উদ্দীন মাহমুদ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, মহাসচিব আবদুল আউয়াল মামুন, ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনীত প্রার্থী আবু মোহাম্মদ বশিরুল আলম, জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত প্রার্থী হোসনে আরা, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ বেলাল উদ্দীন , স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলম ও তাঁর ছেলে তানভীর আহমদ সিদ্দিকী তুহিন।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৮ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৪১ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে