
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে আবারও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া তিন বছর বয়সী এক শিশু আহত হয়েছে।
আজ সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উখিয়ার ক্যাম্প-৮ ইস্টের ডি-৫ ব্লকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বিবি হাফসা (১৯) ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা সমি উল্লাহর মেয়ে। আহত শিশু আব্দুল মজিদ (৩) নুরুল ইসলামের ছেলে। তাকে উদ্ধার করে ক্যাম্পসংলগ্ন জিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় রোহিঙ্গা সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ভারী বৃষ্টির সময় পাহাড়ের ঢাল ধসে একটি শেল্টারের ওপর মাটিচাপা পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই বিবি হাফসার মৃত্যু হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠান।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক ও পুলিশ সুপার রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ শেল্টারে বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য বারবার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
এদিকে, ৪ জুলাই থেকে টানা বৃষ্টির কারণে উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে এ পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া কক্সবাজার সদর, চকরিয়া ও পেকুয়ায় পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় আরও ছয়জন নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু।

চাঁদপুরের আট উপজেলায় ৯২টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাগজে-কলমে চিকিৎসক রয়েছেন। অথচ সেসব চিকিৎসক সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সংযুক্তিতে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে সামান্য সেবা পেতেও ছুটতে হচ্ছে উপজেলা কিংবা জেলা সদরে।
২ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের চিতলমারীতে অবৈধ ড্রেজার ও রুট পারমিটবিহীন বাল্কহেড দিয়ে ভূগর্ভ থেকে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের মহোৎসব চলছে। প্রশাসনের জরিমানার পরেও উপজেলার ১০ থেকে ১২ জন চিহ্নিত ড্রেজার ও বাল্কহেডের মালিক ভূগর্ভ থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু উত্তোলন ও পরিবহন করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভয়াল গ্রাসে প্রতিনিয়ত ঘরবাড়ি হারাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষেরা। গত ৭২ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর আকস্মিক ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে ৮৩টি পরিবারের বসতভিটা। এর মধ্যে ১২টি পরিবারের অন্তত সাতটি টিনের ঘর পুরোপুরি নদীতে তলিয়ে গেছে এবং কয়েকটি ঘরের আংশিক নদীতে চলে গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জীবিকার তাগিদে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ৩৩ বছরে নিখোঁজ বরগুনার পাথরঘাটার ১৯২ জেলে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, উত্তাল ঢেউ ও বৈরী আবহাওয়ার কবলে ট্রলারডুবির পাশাপাশি গভীর সমুদ্রে যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাও বাড়াচ্ছে এ ঝুঁকি। অনেকের পরিবার এখনো স্বজনের অপেক্ষায়।
৩ ঘণ্টা আগে