কক্সবাজার প্রতিনিধি

চার দিনের টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে কক্সবাজারে দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে অন্তত ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। এসব এলাকার আঞ্চলিক ও গ্রামীণ সড়ক পানিতে ডুবে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার রামু উপজেলায় পানিতে ভেসে গিয়ে ইসফাম (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান। নিহত ইসফাম ওই ইউনিয়নের সমিতি পাড়া এলাকার ইমাম হোসেনের ছেলে।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের চেইন্দা এলাকা হাঁটু পানিতে ডুবে গেছে। এতে করে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া চকরিয়া-মানিকপুর সড়ক, রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়ক, চিরিঙ্গা-বদরখালী সড়কসহ জেলার বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক ও গ্রামীণ সড়কে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলার উখিয়া, টেকনাফ, চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, সদর, ঈদগাঁও, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী উপজেলার দুই শতাধিক গ্রাম বন্যা কবলিত হয়েছে। মাতামুহুরি ও বাঁকখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঘর-বাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় বন্যা কবলিত এলাকায় রান্নাবান্না করতে পারছে না। অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে চলে গেছে।
চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পাহাড়ি ঢলের তোড়ে মাতামুহুরি নদীর ১০-১২টি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। ভাঙন দিয়ে লোকালয়ে ঢলের পানি ঢুকে প্লাবিত হচ্ছে। এতে নদীর দুইপাড়ে পাঁচ ইউনিয়নে পাহাড়ি ঢলের পানি ঢুকে কয়েক হাজার বাড়ি ঘর প্লাবিত হয়েছে।’
এ ছাড়া বাঁকখালী নদীর তীরবর্তী রামু ও সদর উপজেলার ১০ ইউনিয়নের ৭০ হাজার বাসিন্দা পানিবন্দী হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মাহবুবুর রহমান চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভারী বৃষ্টিতে কক্সবাজার শহরের সমিতি পাড়া, কুতুবদিয়া পাড়া, নাজিরারটেক, নুনিয়ারছড়াসহ কয়েকটি এলাকা ডুবে গেছে।
এদিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কয়েক দিন ধরে সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। এতে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষেও জেলেরা মাছ ধরতে সাগরে নামতে না পেরে কর্মহীন হয়ে পড়েছে। কক্সবাজারে আগামী শনিবার পর্যন্ত অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে জেলার বেশ কিছু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও অর্থ সাহায্য দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’

চার দিনের টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে কক্সবাজারে দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে অন্তত ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। এসব এলাকার আঞ্চলিক ও গ্রামীণ সড়ক পানিতে ডুবে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার রামু উপজেলায় পানিতে ভেসে গিয়ে ইসফাম (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান। নিহত ইসফাম ওই ইউনিয়নের সমিতি পাড়া এলাকার ইমাম হোসেনের ছেলে।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের চেইন্দা এলাকা হাঁটু পানিতে ডুবে গেছে। এতে করে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া চকরিয়া-মানিকপুর সড়ক, রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়ক, চিরিঙ্গা-বদরখালী সড়কসহ জেলার বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক ও গ্রামীণ সড়কে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলার উখিয়া, টেকনাফ, চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, সদর, ঈদগাঁও, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী উপজেলার দুই শতাধিক গ্রাম বন্যা কবলিত হয়েছে। মাতামুহুরি ও বাঁকখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঘর-বাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় বন্যা কবলিত এলাকায় রান্নাবান্না করতে পারছে না। অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে চলে গেছে।
চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পাহাড়ি ঢলের তোড়ে মাতামুহুরি নদীর ১০-১২টি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। ভাঙন দিয়ে লোকালয়ে ঢলের পানি ঢুকে প্লাবিত হচ্ছে। এতে নদীর দুইপাড়ে পাঁচ ইউনিয়নে পাহাড়ি ঢলের পানি ঢুকে কয়েক হাজার বাড়ি ঘর প্লাবিত হয়েছে।’
এ ছাড়া বাঁকখালী নদীর তীরবর্তী রামু ও সদর উপজেলার ১০ ইউনিয়নের ৭০ হাজার বাসিন্দা পানিবন্দী হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মাহবুবুর রহমান চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভারী বৃষ্টিতে কক্সবাজার শহরের সমিতি পাড়া, কুতুবদিয়া পাড়া, নাজিরারটেক, নুনিয়ারছড়াসহ কয়েকটি এলাকা ডুবে গেছে।
এদিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কয়েক দিন ধরে সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। এতে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষেও জেলেরা মাছ ধরতে সাগরে নামতে না পেরে কর্মহীন হয়ে পড়েছে। কক্সবাজারে আগামী শনিবার পর্যন্ত অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে জেলার বেশ কিছু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও অর্থ সাহায্য দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে