চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের চকরিয়ায় একজন উপপরিদর্শকসহ তিন পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে জখম ও অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মছনিয়াকাটা লাল মিয়ার দোকান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ বুধবার সকাল ৬টার দিকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পুলিশ অভিযান চালিয়ে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৭ নারীসহ ১৪ জনকে আটক করেছে।
আহত তিন পুলিশ সদস্য হলেন হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. শামীম আল মামুন, কনস্টেবল আব্দুল আল মামুন ও তারিকুল ইসলাম। তাঁদের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে তাঁরা চমেকে চিকিৎসাধীন।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে সেখানে পুলিশ টহলে গেলে রাকিব নামের এক ব্যক্তি কিরিচ হাতে নিয়ে সড়কে দাঁড়িয়ে ছিল। পুলিশ তাঁকে আটকের চেষ্টা করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় এসআই মো. শামীম আল মামুনসহ পুলিশের তিন সদস্য গুরুতর আহত হন। লুট হওয়া অস্ত্র আজ বুধবার সকাল ৬টায় উদ্ধার করা হয়।’
ওসি আরও বলেন, ‘এসআই শামীমের বাম হাতে দুটি আঙুল প্রায় বিচ্ছিন্ন ও মাথায় তিনটি কোপ লেগেছে। কনস্টেবল মামুনের বাম হাত ভেঙে গেছে। তারিকুলের মাথায় কয়েকটি কোপের আঘাত রয়েছে। তিনজনের সারা শরীর কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্বপালনে বাধা ও হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মছনিয়াকাটা এলাকায় হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শামীমের নেতৃত্বে তিনজন পুলিশ টহল দিচ্ছিল। এ সময় মছনিয়াকাটা স্টেশনে রাকিব নামের এক যুবক কিরিচ নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
তখন পুলিশ তাঁকে আটকের চেষ্টা করলে ধাওয়া খেয়ে গ্রামের ভেতর চলে যায়। পুলিশ তাঁকে আটক করতে গ্রামের ভেতর অভিযানে নামে। এ সময় ৪০-৫০ জন লোক জড়ো হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। তখন তিন পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পুলিশের একটি শটগান ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় একজন উপপরিদর্শকসহ তিন পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে জখম ও অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মছনিয়াকাটা লাল মিয়ার দোকান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ বুধবার সকাল ৬টার দিকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পুলিশ অভিযান চালিয়ে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৭ নারীসহ ১৪ জনকে আটক করেছে।
আহত তিন পুলিশ সদস্য হলেন হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. শামীম আল মামুন, কনস্টেবল আব্দুল আল মামুন ও তারিকুল ইসলাম। তাঁদের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে তাঁরা চমেকে চিকিৎসাধীন।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে সেখানে পুলিশ টহলে গেলে রাকিব নামের এক ব্যক্তি কিরিচ হাতে নিয়ে সড়কে দাঁড়িয়ে ছিল। পুলিশ তাঁকে আটকের চেষ্টা করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় এসআই মো. শামীম আল মামুনসহ পুলিশের তিন সদস্য গুরুতর আহত হন। লুট হওয়া অস্ত্র আজ বুধবার সকাল ৬টায় উদ্ধার করা হয়।’
ওসি আরও বলেন, ‘এসআই শামীমের বাম হাতে দুটি আঙুল প্রায় বিচ্ছিন্ন ও মাথায় তিনটি কোপ লেগেছে। কনস্টেবল মামুনের বাম হাত ভেঙে গেছে। তারিকুলের মাথায় কয়েকটি কোপের আঘাত রয়েছে। তিনজনের সারা শরীর কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্বপালনে বাধা ও হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মছনিয়াকাটা এলাকায় হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শামীমের নেতৃত্বে তিনজন পুলিশ টহল দিচ্ছিল। এ সময় মছনিয়াকাটা স্টেশনে রাকিব নামের এক যুবক কিরিচ নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
তখন পুলিশ তাঁকে আটকের চেষ্টা করলে ধাওয়া খেয়ে গ্রামের ভেতর চলে যায়। পুলিশ তাঁকে আটক করতে গ্রামের ভেতর অভিযানে নামে। এ সময় ৪০-৫০ জন লোক জড়ো হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। তখন তিন পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পুলিশের একটি শটগান ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে