প্রতিনিধি, কক্সবাজার

করোনার সংক্রমণ রোধে কক্সবাজার শহরের মোড়ে মোড়ে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া পাহারা ও টহল। তারপরও বিনা কারণে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছে মানুষ। গত চার দিনের তুলনায় আজ সোমবার কক্সবাজার শহরে মানুষের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। তুলনামূলক চলাচল বেড়েছে রিকশা, ব্যক্তিগত গাড়ি ও ছোট যানবাহনের। শুধু তাই নয়, সাপ্তাহিক ছুটিসহ চার দিন ব্যাংক বন্ধ থাকার পর আজ সোমবার থেকে খুলেছে। এতে বিভিন্ন ব্যাংকে গ্রাহকদের ভিড়ও দেখা যায়। এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও গোপনে খুলে তাঁদের প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নিচ্ছেন।
আজ শহরের তারাবনিয়ারছড়া, বাজারঘাটা, বড় বাজার, লালদীঘির পাড়, হাসপাতাল এলাকা, গোলদিঘীরপাড়সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। তবে মানুষের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রবণতা আগের চেয়ে বেড়েছে। বেশির ভাগ মানুষ মুখে মাস্ক পরে বাইরে বেরিয়েছেন। এ ছাড়া শ্রমজীবী, ছিন্নমূল ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ কাজের সন্ধানে বের হলে তাঁদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জেরার মুখেও পড়তে দেখা গেছে।
বাজারঘাটায় দায়িত্বরত পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, যাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তিনিই কোন না কোন যুক্তি দাঁড় করেন। কেউ যদি হাসপাতালে স্বজনদের কাছে যাচ্ছে বা বাজার ও ওষুধ কিনতে বেরিয়েছে দাবি করেন তখন তো আর কিছু করার থাকে না।
শহরের শেখ রাসেল সড়কের ফলের আড়তদার নুরুল ইসলাম (৩৫) জানান, লকডাউনের কড়াকড়ির কারণে ফেরি করে ফল বিক্রেতারাও বের হয়নি। এতে অনেক আড়তেই আম, কাঁঠাল, আনারসসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফল নষ্ট হয়ে গেছে। একই অবস্থায় পড়েছে বিভিন্ন ক্ষুদ্র পেশাজীবী, ছিন্নমূল ও হকারেরা।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া সুলতানা জানান, গত চার দিনে জেলায় ৭৯১টি মামলায় ৮৭৫ জনের কাছ থেকে ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৬৬০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় তিনজনকে কারাদণ্ডও দেওয়া হয়। তবে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী পর্যটন জোনের কলাতলী মোড়ে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ও টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের কয়েকটি স্থানে তল্লাশি চৌকি বসিয়ে যান চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছেন।
জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ জানান, সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর করতে জেলায় ৩২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ও কর্মহীন মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া শুরু হয়েছে।

করোনার সংক্রমণ রোধে কক্সবাজার শহরের মোড়ে মোড়ে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া পাহারা ও টহল। তারপরও বিনা কারণে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছে মানুষ। গত চার দিনের তুলনায় আজ সোমবার কক্সবাজার শহরে মানুষের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। তুলনামূলক চলাচল বেড়েছে রিকশা, ব্যক্তিগত গাড়ি ও ছোট যানবাহনের। শুধু তাই নয়, সাপ্তাহিক ছুটিসহ চার দিন ব্যাংক বন্ধ থাকার পর আজ সোমবার থেকে খুলেছে। এতে বিভিন্ন ব্যাংকে গ্রাহকদের ভিড়ও দেখা যায়। এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও গোপনে খুলে তাঁদের প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নিচ্ছেন।
আজ শহরের তারাবনিয়ারছড়া, বাজারঘাটা, বড় বাজার, লালদীঘির পাড়, হাসপাতাল এলাকা, গোলদিঘীরপাড়সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। তবে মানুষের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রবণতা আগের চেয়ে বেড়েছে। বেশির ভাগ মানুষ মুখে মাস্ক পরে বাইরে বেরিয়েছেন। এ ছাড়া শ্রমজীবী, ছিন্নমূল ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ কাজের সন্ধানে বের হলে তাঁদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জেরার মুখেও পড়তে দেখা গেছে।
বাজারঘাটায় দায়িত্বরত পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, যাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তিনিই কোন না কোন যুক্তি দাঁড় করেন। কেউ যদি হাসপাতালে স্বজনদের কাছে যাচ্ছে বা বাজার ও ওষুধ কিনতে বেরিয়েছে দাবি করেন তখন তো আর কিছু করার থাকে না।
শহরের শেখ রাসেল সড়কের ফলের আড়তদার নুরুল ইসলাম (৩৫) জানান, লকডাউনের কড়াকড়ির কারণে ফেরি করে ফল বিক্রেতারাও বের হয়নি। এতে অনেক আড়তেই আম, কাঁঠাল, আনারসসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফল নষ্ট হয়ে গেছে। একই অবস্থায় পড়েছে বিভিন্ন ক্ষুদ্র পেশাজীবী, ছিন্নমূল ও হকারেরা।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া সুলতানা জানান, গত চার দিনে জেলায় ৭৯১টি মামলায় ৮৭৫ জনের কাছ থেকে ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৬৬০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় তিনজনকে কারাদণ্ডও দেওয়া হয়। তবে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী পর্যটন জোনের কলাতলী মোড়ে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ও টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের কয়েকটি স্থানে তল্লাশি চৌকি বসিয়ে যান চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছেন।
জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ জানান, সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর করতে জেলায় ৩২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ও কর্মহীন মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া শুরু হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে