টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফে লেদা ২৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনে পুড়েছে তিনটি লার্নিং সেন্টারসহ ৩২টি ঘর। এর মধ্যে ২টি স্থানীয় বাসিন্দার ঘরও রয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে। তবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
রোহিঙ্গা মাঝি (নেতা) আজিম উল্লাহ জানান, রাতে ক্যাম্পের একটি লার্নিং সেন্টার থেকে আগুন লেগে মুহূর্তে এ-৫ ব্লকের ৩২ ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কেউ কোনো কিছু বাড়ি থেকে বের করতে পারেনি। এ ছাড়া আগুনের তাপে পাশের ১২ টির মতো বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুন লাগার ঘটনা শুনে যে যার যার মতো করে পানি, বালি দিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছেন। পরে এনজিও সংস্থা আইওএম থেকে দমকল বাহিনীর কর্মীরা এসে এক ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে তিনটি লার্নিং সেন্টার, রোহিঙ্গাদের ৩০টি ঘর, স্থানীয় ফাতেমা খাতুন ও জরিনা খাতিনের দুই বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে এই দুই বাড়ির ৭-৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
খবর পেয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি জানান, রোহিঙ্গাদের ঘরের পাশাপাশি এলাকার স্থানীয়দের দুইটি বাড়িও আগুনে পুড়ে গেছে। স্থানীয় অনেক মানুষ আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু কে বা কারা আগুন দিয়েছে তা জানা যায়নি।
এদিকে পুড়ে যাওয়া ঘরগুলো শনাক্ত করে এনজিও সংস্থা আইওএম তাদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি ডব্লিউ এফপি (ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম) তাদের খাদ্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলে জানান তিনি।

কক্সবাজারের টেকনাফে লেদা ২৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনে পুড়েছে তিনটি লার্নিং সেন্টারসহ ৩২টি ঘর। এর মধ্যে ২টি স্থানীয় বাসিন্দার ঘরও রয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে। তবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
রোহিঙ্গা মাঝি (নেতা) আজিম উল্লাহ জানান, রাতে ক্যাম্পের একটি লার্নিং সেন্টার থেকে আগুন লেগে মুহূর্তে এ-৫ ব্লকের ৩২ ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কেউ কোনো কিছু বাড়ি থেকে বের করতে পারেনি। এ ছাড়া আগুনের তাপে পাশের ১২ টির মতো বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুন লাগার ঘটনা শুনে যে যার যার মতো করে পানি, বালি দিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছেন। পরে এনজিও সংস্থা আইওএম থেকে দমকল বাহিনীর কর্মীরা এসে এক ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে তিনটি লার্নিং সেন্টার, রোহিঙ্গাদের ৩০টি ঘর, স্থানীয় ফাতেমা খাতুন ও জরিনা খাতিনের দুই বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে এই দুই বাড়ির ৭-৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
খবর পেয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি জানান, রোহিঙ্গাদের ঘরের পাশাপাশি এলাকার স্থানীয়দের দুইটি বাড়িও আগুনে পুড়ে গেছে। স্থানীয় অনেক মানুষ আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু কে বা কারা আগুন দিয়েছে তা জানা যায়নি।
এদিকে পুড়ে যাওয়া ঘরগুলো শনাক্ত করে এনজিও সংস্থা আইওএম তাদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি ডব্লিউ এফপি (ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম) তাদের খাদ্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলে জানান তিনি।

অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২২ জুলাই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ইন্টারনেট শাটডাউন চলাকালে এসব ব্যবসায়ী সাবেক স্বৈরাচার ও সাজাপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্দোলন দমনে সহায়তার প্রতিশ্রুতি ও সার্বিকভাবে পাশে থাকার জন্য ঢাকার ওসমানী মিলনায়তনে একত্রিত হন।
১০ মিনিট আগে
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ইজিবাইক (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে কাশেম মোল্লা (৩২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার আশুতিয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কাশেম আশুতিয়া গ্রামের রাজ্জাক মোল্লার ছেলে। তিনি পেশাগতভাবে অটোরিকশাচালক নন। শখের বসে চালাতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১৬ মিনিট আগে
মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে আহত টেকনাফের শিশু হুজাইফা আফনানের (৯) অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে থাকা হুজাইফার মস্তিষ্কের ‘চাপ কমাতে’ তার মাথার খুলির একটি অংশ খুলে রাখা হয়েছে।
২৫ মিনিট আগে
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় বিপ্লব চন্দ্র শীল (৩৮) নামের এক ইনস্যুরেন্স কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় তাঁর ভগ্নিপতি পলাশ চন্দ্র শীল গুরুতর আহত হন। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার গলাকাটা পোল এলাকায় কবিরহাট-বসুরহাট সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৩৬ মিনিট আগে