প্রতিনিধি, চকরিয়া (কক্সবাজার)

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে পুকুরে পড়ে যায়। এতে ওই গাড়ির নারী ও শিশুসহ সাতজন যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে অন্তত চারজন। আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের পুকপুকুরিয়া গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন, চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রাম বিজয় মাস্টারের ছেলে রতন বিজয় দে (৫৫), তাঁর স্ত্রী মধুমিতা চৌধুরী (৪৫), চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর গ্রামের প্রদীপ রুদ্রের স্ত্রী পূর্ণিমা রুদ্র (৩০) তাঁর শিশু সন্তান সার্থক রুদ্র (৪), শংকর রুদ্রের স্ত্রী রানী রুদ্র (৬০), ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাতব্বরপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের স্ত্রী হাজেরা বেগম (৫৫)। ২৫ বছর বয়সী আরেজন নারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি।
আহতরা হলেন চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুরের প্রদীপ রুদ্র (৩৫), তাঁর মেয়ে শ্যামলী রুদ্র (৭) ও মানিকগঞ্জ জেলার বাবর আলী (১৮)। আরও একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি আহত হয়েছে। তাঁরা বর্তমানে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তি ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার জেলা সদর থেকে যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস চট্টগ্রাম যাচ্ছিল। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার পুকপুকুরিয়া এলাকা পৌঁছালে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে পুকুরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে এক পথচারী নারী ও শিশুসহ সাতজন নিহত হন। এ সময় আহত হন আরও চারজন। তাঁদের মধ্যে তিনজন চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত মানুষের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। খবর পেয়ে চকরিয়া থানা–পুলিশ, চিরিংগা হাইওয়ে থানা, ও চকরিয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার কাজে অংশ নেন।
আহত প্রদীপ রুদ্র বলেন, `আমার মা-স্ত্রী ও দুই সন্তানদের নিয়ে রোগী দেখতে কক্সবাজার থেকে মাইক্রোবাসে করে বাশঁখালীর কালিপুর যাচ্ছিলাম। আমাদের বহনকারী মাইক্রোবাসের চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পুকুরে পড়ে যায়। এ সময় আমার মা, স্ত্রী ও শিশু সন্তান মারা যায়। আমি আর আমার মেয়ে কোন রকম গাড়ি থেকে বের হয়ে প্রাণে বাঁচে আছি।'
চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শাহ ফাহিম আহমেদ ফয়সাল বলেন, নিহতদের মধ্যে তিনজন নারী, একজন পুরুষ ও একটি শিশুকে তাঁদের হাসপাতালে আনা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) পাঠানো হয়েছে।
চিরিংগা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) সিরাজুল ইসলাম বলেন, কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামমুখী যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটি (নোয়া) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে পুকুরে পড়ে গিয়ে নারী ও শিশুসহ সাতজন নিহত হয়। গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে পুকুরে পড়ে যায়। এতে ওই গাড়ির নারী ও শিশুসহ সাতজন যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে অন্তত চারজন। আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের পুকপুকুরিয়া গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন, চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রাম বিজয় মাস্টারের ছেলে রতন বিজয় দে (৫৫), তাঁর স্ত্রী মধুমিতা চৌধুরী (৪৫), চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর গ্রামের প্রদীপ রুদ্রের স্ত্রী পূর্ণিমা রুদ্র (৩০) তাঁর শিশু সন্তান সার্থক রুদ্র (৪), শংকর রুদ্রের স্ত্রী রানী রুদ্র (৬০), ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাতব্বরপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের স্ত্রী হাজেরা বেগম (৫৫)। ২৫ বছর বয়সী আরেজন নারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি।
আহতরা হলেন চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুরের প্রদীপ রুদ্র (৩৫), তাঁর মেয়ে শ্যামলী রুদ্র (৭) ও মানিকগঞ্জ জেলার বাবর আলী (১৮)। আরও একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি আহত হয়েছে। তাঁরা বর্তমানে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তি ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার জেলা সদর থেকে যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস চট্টগ্রাম যাচ্ছিল। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার পুকপুকুরিয়া এলাকা পৌঁছালে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে পুকুরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে এক পথচারী নারী ও শিশুসহ সাতজন নিহত হন। এ সময় আহত হন আরও চারজন। তাঁদের মধ্যে তিনজন চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত মানুষের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। খবর পেয়ে চকরিয়া থানা–পুলিশ, চিরিংগা হাইওয়ে থানা, ও চকরিয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার কাজে অংশ নেন।
আহত প্রদীপ রুদ্র বলেন, `আমার মা-স্ত্রী ও দুই সন্তানদের নিয়ে রোগী দেখতে কক্সবাজার থেকে মাইক্রোবাসে করে বাশঁখালীর কালিপুর যাচ্ছিলাম। আমাদের বহনকারী মাইক্রোবাসের চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পুকুরে পড়ে যায়। এ সময় আমার মা, স্ত্রী ও শিশু সন্তান মারা যায়। আমি আর আমার মেয়ে কোন রকম গাড়ি থেকে বের হয়ে প্রাণে বাঁচে আছি।'
চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শাহ ফাহিম আহমেদ ফয়সাল বলেন, নিহতদের মধ্যে তিনজন নারী, একজন পুরুষ ও একটি শিশুকে তাঁদের হাসপাতালে আনা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) পাঠানো হয়েছে।
চিরিংগা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) সিরাজুল ইসলাম বলেন, কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামমুখী যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটি (নোয়া) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে পুকুরে পড়ে গিয়ে নারী ও শিশুসহ সাতজন নিহত হয়। গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
৩ মিনিট আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
৫ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
১ ঘণ্টা আগে