চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বসতবাড়িতে সজোরে ধাক্কা দেয় একটি ট্রাক। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন চালক। আহত হয়েছেন চালকের দুই সহকারী। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আলমডাঙ্গার জেহালা ইউনিয়নের রোয়াকুলি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ট্রাকচালক হলেন সোহেল আলী (৩৫)। তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী রনি হোসেন বলেন, ‘বিকট শব্দে হঠাৎ আমার ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় বাইরে বের হয়ে দেখি একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রতিবেশী মোকলেচুর রহমানের বাড়িতে ধাক্কা দিয়েছে। দ্রুত সেখানে গিয়ে দেখি দুর্ঘটনায় ট্রাকচালক ও চালকের দুই সহকারী গুরুতর জখম হয়েছেন। ট্রাকচালক সোহেলকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুজনকে স্থানীয় লোকজন আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেছে।’
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আফরিন আক্তার বলেন, ‘স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার এক ব্যক্তিকে জরুরি বিভাগে আনে। তবে জরুরি বিভাগে আমরা তাঁকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি।’
আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে চালক সোহেল আলী চুয়াডাঙ্গা থেকে ট্রাকটি চালিয়ে আলমডাঙ্গার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে রোয়াকুলি গ্রামের ঈদগাহের অদূরে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি বসতবাড়িতে ধাক্কা দেয়। ট্রাকের ধাক্কায় ওই বাড়ির কেউ হতাহত না হলেও রান্নাঘর ও টয়লেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাস্থলেই ট্রাকচালক সোহেল আলীর মৃত্যু হয়। গুরুতর জখম হয়েছেন ট্রাকচালকের দুই সহকারী। চিকিৎসার জন্য তাঁদের হারদী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং লাশ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।’

চুয়াডাঙ্গায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বসতবাড়িতে সজোরে ধাক্কা দেয় একটি ট্রাক। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন চালক। আহত হয়েছেন চালকের দুই সহকারী। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আলমডাঙ্গার জেহালা ইউনিয়নের রোয়াকুলি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ট্রাকচালক হলেন সোহেল আলী (৩৫)। তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী রনি হোসেন বলেন, ‘বিকট শব্দে হঠাৎ আমার ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় বাইরে বের হয়ে দেখি একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রতিবেশী মোকলেচুর রহমানের বাড়িতে ধাক্কা দিয়েছে। দ্রুত সেখানে গিয়ে দেখি দুর্ঘটনায় ট্রাকচালক ও চালকের দুই সহকারী গুরুতর জখম হয়েছেন। ট্রাকচালক সোহেলকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুজনকে স্থানীয় লোকজন আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেছে।’
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আফরিন আক্তার বলেন, ‘স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার এক ব্যক্তিকে জরুরি বিভাগে আনে। তবে জরুরি বিভাগে আমরা তাঁকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি।’
আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে চালক সোহেল আলী চুয়াডাঙ্গা থেকে ট্রাকটি চালিয়ে আলমডাঙ্গার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে রোয়াকুলি গ্রামের ঈদগাহের অদূরে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি বসতবাড়িতে ধাক্কা দেয়। ট্রাকের ধাক্কায় ওই বাড়ির কেউ হতাহত না হলেও রান্নাঘর ও টয়লেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাস্থলেই ট্রাকচালক সোহেল আলীর মৃত্যু হয়। গুরুতর জখম হয়েছেন ট্রাকচালকের দুই সহকারী। চিকিৎসার জন্য তাঁদের হারদী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং লাশ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে