ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

ভারত থেকে আসা ঢল ও ভারী বর্ষণে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় গোমতী নদীর পানি বেড়ে আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি হয়েছে। এতে ৫ শতাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বন্যার পানি ঢুকে শতাধিক ঘর-বাড়ি ও পাকা আউশ ধান খেত তলিয়েছে।
এদিকে গোমতী নদীর পাড় গোমতী নদীর পাড় রক্ষাকারী বাঁধ কানায় কানায় পানিপূর্ণ হয়ে গেছে। বাঁধ ভেঙে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করার শঙ্কায় সেখানে জড়ো হয়েছেন স্থানীয়রা। বিভিন্ন স্থানে সতর্ক পাহারা বসিয়েছেন তাঁরা।
গতকাল বুধবার উপজেলার মালাপাড়া ইউনিয়নের মালাপাড়া, আসাদ নগর, মনোহরপুর, অলুয়া, রামনগর ও চন্ডিপুর এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, গোমতী পাড় রক্ষাকারী বাঁধের ভেতরে অবস্থিত অন্তত শ’খানিক বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করেছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে পাঁচ শতাধিক মানুষ। কেউ কেউ বাড়ি-ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে। অনেকে কোথাও যেতে না পেরে বৃষ্টিতে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটের কথা জানিয়েছে কেউ কেউ। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাঁদের কাছে কোনো সহায়তা পৌঁছেনি বলে জানিয়েছেন বন্যা কবলিতরা।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার গোমতী নদীর চরে ৫০ হেক্টর জমিতে আউশের চাষ করা হয়েছে।
ফসল কাটার সপ্তাহ খানের আগে পানিতে আউশের খেত তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক লোকসানে পড়বেন বলে জানিয়েছেন গোমতী পাড়ের কৃষকেরা। এ ছাড়া উপজেলার সবজির ভান্ডার হিসেবে পরিচিত গোমতীর চরে এখন পানি থই থই করছে।
স্থানীয় কবির হোসেনসহ আরও অনেকে জানান, ২০০৪ সালের পর গোমতীর এমন ভয়াবহতা দেখেননি তারা। গত দুই দিনে যেভাবে পানি বাড়ছে তা অব্যাহত থাকলে বিস্তীর্ণ লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।
আলুয়া এলাকার জাসমিন আক্তার বলেন, ‘সকালেও বাড়িতে রান্না করেছি। সন্ধ্যায় পানি জানালা দিয়ে প্রবেশ করছে। হঠাৎ বাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় অনেক জিনিসপত্র ভেসে গেছে। কোথায় থাকব, কী খাব এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। এখন পর্যন্ত সহায়তার জন্য কেউ এগিয়ে আসে নাই।’
মালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে আমরা ইতিমধ্যে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছি। বন্যাদুর্গতদের জন্য শুকনো খাবার ও পানীয়র ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বেড়িবাঁধের ভেতরে অবস্থানকারী সকলকে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।’
গোমতী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় বেড়িবাঁধ রক্ষায় এলাকাবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান।

ভারত থেকে আসা ঢল ও ভারী বর্ষণে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় গোমতী নদীর পানি বেড়ে আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি হয়েছে। এতে ৫ শতাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বন্যার পানি ঢুকে শতাধিক ঘর-বাড়ি ও পাকা আউশ ধান খেত তলিয়েছে।
এদিকে গোমতী নদীর পাড় গোমতী নদীর পাড় রক্ষাকারী বাঁধ কানায় কানায় পানিপূর্ণ হয়ে গেছে। বাঁধ ভেঙে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করার শঙ্কায় সেখানে জড়ো হয়েছেন স্থানীয়রা। বিভিন্ন স্থানে সতর্ক পাহারা বসিয়েছেন তাঁরা।
গতকাল বুধবার উপজেলার মালাপাড়া ইউনিয়নের মালাপাড়া, আসাদ নগর, মনোহরপুর, অলুয়া, রামনগর ও চন্ডিপুর এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, গোমতী পাড় রক্ষাকারী বাঁধের ভেতরে অবস্থিত অন্তত শ’খানিক বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করেছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে পাঁচ শতাধিক মানুষ। কেউ কেউ বাড়ি-ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে। অনেকে কোথাও যেতে না পেরে বৃষ্টিতে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটের কথা জানিয়েছে কেউ কেউ। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাঁদের কাছে কোনো সহায়তা পৌঁছেনি বলে জানিয়েছেন বন্যা কবলিতরা।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার গোমতী নদীর চরে ৫০ হেক্টর জমিতে আউশের চাষ করা হয়েছে।
ফসল কাটার সপ্তাহ খানের আগে পানিতে আউশের খেত তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক লোকসানে পড়বেন বলে জানিয়েছেন গোমতী পাড়ের কৃষকেরা। এ ছাড়া উপজেলার সবজির ভান্ডার হিসেবে পরিচিত গোমতীর চরে এখন পানি থই থই করছে।
স্থানীয় কবির হোসেনসহ আরও অনেকে জানান, ২০০৪ সালের পর গোমতীর এমন ভয়াবহতা দেখেননি তারা। গত দুই দিনে যেভাবে পানি বাড়ছে তা অব্যাহত থাকলে বিস্তীর্ণ লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।
আলুয়া এলাকার জাসমিন আক্তার বলেন, ‘সকালেও বাড়িতে রান্না করেছি। সন্ধ্যায় পানি জানালা দিয়ে প্রবেশ করছে। হঠাৎ বাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় অনেক জিনিসপত্র ভেসে গেছে। কোথায় থাকব, কী খাব এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। এখন পর্যন্ত সহায়তার জন্য কেউ এগিয়ে আসে নাই।’
মালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে আমরা ইতিমধ্যে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছি। বন্যাদুর্গতদের জন্য শুকনো খাবার ও পানীয়র ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বেড়িবাঁধের ভেতরে অবস্থানকারী সকলকে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।’
গোমতী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় বেড়িবাঁধ রক্ষায় এলাকাবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার ও জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে তালুকদার ও খান পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়।
৪ মিনিট আগে
গণ-অভ্যুত্থানের পরও এই গ্যাস সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন অজুহাতে নতুন গ্যাস-সংযোগ বন্ধ থাকলেও তিতাস বিদ্যমান সংযোগগুলোতেও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এমনকি গ্যাস পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও সিন্ডিকেট ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা দখল নিতে করপোরেট প্রতিষ্ঠান কৃত্রিমভাবে গ্যাস-সংকট তৈরি করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ট্রাকচাপায় তাজুল ইসলাম (৪৭) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের সবুজপাড়া এলাকায় কুমিল্লা-মিরপুর সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
সোমবার রাতে নবাবপুর মার্কেট থেকে কাজ শেষে হেঁটে বাসায় ফিরছিলেন ইব্রাহিম। জুরাইন বালুর মাঠ এলাকায় আসার পর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন। খবর পেয়ে রাস্তা থেকে ইব্রাহিমকে উদ্ধার করে প্রথমে আদ-দ্বীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগে