
হিমবাহ ধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে ২৪০০ জনেরও বেশি। অন্যদিকে তিব্বতে মৃতের সংখ্যা ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। সরকারি হিসাব অনুযায়ী তিব্বতে নিখোঁজ রয়েছে ৫৪৬ জন।

নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা এবং ব্যাপক ভূমিধসে অন্তত ৩৯২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। দুর্যোগের পর থেকে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে দুই দেশের সরকারি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

চীন-নেপাল সীমান্তের তিব্বত ও উত্তর নেপাল অঞ্চলে ভয়াবহ হিমবাহ ধস, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শত শত মানুষ নিহত ও নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান চলছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও বড় ধরনের হতাহতের কথা জানিয়েছে।

পরিদর্শন শেষে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে কোনো দেশের পানির গেট খুলে দেওয়ার কারণে যাতে বাংলাদেশ আকস্মিক বন্যার মুখে না পড়ে, সে বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।