নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম ও ফটিকছড়ি প্রতিনিধি

তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের ফুলের মালা প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী অবশেষে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ফটিকছড়ির নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘সরকারের কোনো অসুবিধা হতে পারে, এমন কিছু করতে চাই না। নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফটিকছড়ি আসন থেকে সরে দাঁড়ালাম, তবে দেশের অন্য আসনগুলোতে আমাদের প্রার্থীরা থাকবে।’
লিখিত বক্তব্যে নজিবুল বশর বলেন, ‘১৪ দলীয় জোট-সমর্থিত সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী অসাম্প্রদায়িক ধর্মীয় মূল্যবোধ, আধ্যাত্মিকতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশনের (বিটিএফ) পক্ষ থেকে আমি সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী এমপিসহ মোট ৪২ জন প্রার্থী আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছি।
‘সংবিধান রক্ষার এই নির্বাচনে আমিসহ বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশনের (বিটিএফ) অন্য প্রার্থীরা ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি।’
আলোচিত এই এমপি বলেন, ‘সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী আমেজে আমরা আমাদের কার্যক্রম ব্যাপকভাবে চালিয়ে আসছি। আমার নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়িতে গত ১৮ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের দলীয় প্রতীক ফুলের মালা মার্কার সমর্থনে ব্যাপক গণসংযোগ ও পথসভা হয়েছে। ফটিকছড়িবাসীর অকুণ্ঠ ভালোবাসায় বাগানবাজার থেকে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত ১৮টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভার জনসাধারণের ভালোবাসা ও সমর্থনে আমি আবেগে আপ্লুত হয়েছি।’
তরীকতের চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ১৪ দলীয় জোটনেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মান জানিয়ে ও ফটিকছড়ির সার্বিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার নিমিত্তে আমি সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি এমপী আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলাম।’
নজিবুল বশর বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগের সবাই আমাকে ভালোবাসে, ফটিকছড়িবাসীও আমাকে ভালোবাসে। আমি ফটিকছড়িবাসীর সঙ্গে সব সময় সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম, আছি ও থাকব।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তরীকত ফেডারেশনের নেতা সৈয়দ তৈয়বুল বশর মাইজভান্ডারী, মোহাম্মদ শাহজালাল, আলমগীর আলম, মওলানা কাজী নিজাম মোরশেদ প্রমুখ।

তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের ফুলের মালা প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী অবশেষে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ফটিকছড়ির নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘সরকারের কোনো অসুবিধা হতে পারে, এমন কিছু করতে চাই না। নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফটিকছড়ি আসন থেকে সরে দাঁড়ালাম, তবে দেশের অন্য আসনগুলোতে আমাদের প্রার্থীরা থাকবে।’
লিখিত বক্তব্যে নজিবুল বশর বলেন, ‘১৪ দলীয় জোট-সমর্থিত সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী অসাম্প্রদায়িক ধর্মীয় মূল্যবোধ, আধ্যাত্মিকতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশনের (বিটিএফ) পক্ষ থেকে আমি সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী এমপিসহ মোট ৪২ জন প্রার্থী আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছি।
‘সংবিধান রক্ষার এই নির্বাচনে আমিসহ বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশনের (বিটিএফ) অন্য প্রার্থীরা ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি।’
আলোচিত এই এমপি বলেন, ‘সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী আমেজে আমরা আমাদের কার্যক্রম ব্যাপকভাবে চালিয়ে আসছি। আমার নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়িতে গত ১৮ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের দলীয় প্রতীক ফুলের মালা মার্কার সমর্থনে ব্যাপক গণসংযোগ ও পথসভা হয়েছে। ফটিকছড়িবাসীর অকুণ্ঠ ভালোবাসায় বাগানবাজার থেকে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত ১৮টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভার জনসাধারণের ভালোবাসা ও সমর্থনে আমি আবেগে আপ্লুত হয়েছি।’
তরীকতের চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ১৪ দলীয় জোটনেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মান জানিয়ে ও ফটিকছড়ির সার্বিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার নিমিত্তে আমি সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি এমপী আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলাম।’
নজিবুল বশর বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগের সবাই আমাকে ভালোবাসে, ফটিকছড়িবাসীও আমাকে ভালোবাসে। আমি ফটিকছড়িবাসীর সঙ্গে সব সময় সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম, আছি ও থাকব।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তরীকত ফেডারেশনের নেতা সৈয়দ তৈয়বুল বশর মাইজভান্ডারী, মোহাম্মদ শাহজালাল, আলমগীর আলম, মওলানা কাজী নিজাম মোরশেদ প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে