
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে দুদক নোয়াখালী কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক জাহেদ আলম ও ইন্সপেক্টর মো. ইদ্রিসের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দুদক জানায়, গত দেড় বছর আগে সাত কোটি টাকা ব্যয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে সোনাইমুড়ী উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ শুরু করে মেসার্স সাব্বির এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
স্টেডিয়ামটির নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইট, বালু ব্যবহার, স্ল্যাব ও সিঁড়ির দৈর্ঘ্য-প্রস্থ কমসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের তথ্য পেয়ে অভিযান চালায় দুদক নোয়াখালীর একটি দল।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের দুজন ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করার পর নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়। এ ছাড়া পুরো স্টেডিয়ামটির নির্মাণকাজে ব্যবহৃত অন্য সামগ্রীর গুণগত মান নিয়েও অনিয়ম পাওয়া গেছে।
তবে অভিযান পরিচালনার সময় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বা তাঁর কোনো সহকারীকে পাওয়া যায়নি।
দুদকের ইন্সপেক্টর মো. ইদ্রিস বলেন, ‘মিনি স্টেডিয়ামটি নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেছে। অনিয়মগুলো আমরা লিপিবদ্ধ করেছি। প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণের পর সেখান থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দুই শতাধিক আসনে জয়ে উচ্ছ্বসিত বগুড়াবাসী। ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই বগুড়াজুড়ে দেখা দিয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। বিশেষ করে নতুন ভোটারদের মধ্যে উচ্ছ্বাস যেন উপচে পড়ছে। তাঁদের অনেকেই মনে করছেন, দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান শুধু দলীয় প্রধান নন, প্রধানমন্ত্রীও হতে যাচ্ছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল বিভাগে বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে জোটের প্রার্থীসহ ১৯টিতে জয় পেয়েছে দলটি। সবচেয়ে বেশি চমক দেখা গেছে বরিশাল জেলায়। এখানকার ছয়টি আসনেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে পেছনে...
৬ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৮টিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। অন্য ১১টি আসনে জিতেছে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা। ভোটের ফল প্রকাশের পরপরই এই আসনগুলোতে বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতার কথা সামনে এসেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
গত শতাব্দীর আশির দশক থেকে গত দশক পর্যন্ত বিএনপির সম্মুখসারির মুখ ছিলেন ফরিদপুরের দুই কিংবদন্তি। তাঁদের একজন কে এম ওবায়দুর রহমান, অপরজন চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ। এই দুই নেতার প্রয়াণের পর ফরিদপুরে বিএনপির রাজনীতিতে শূন্যস্থান তৈরি হয়েছিল।
৮ ঘণ্টা আগে