চুয়েটে আংশিকভাবে শুরু শিক্ষা কার্যক্রম, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

দীর্ঘ ৩৭ দিন স্থবির থাকার পর একাডেমিক কার্যক্রমে ফিরেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার সকাল ৯টা থেকে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ক্লাস শুরু হয়। ক্লাস চলে বেলা ১১টা পর্যন্ত। এতে অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২টি বিভাগের মধ্যে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ ছাড়া অন্য কোনো বিভাগের ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি।
নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ তালবী বলেন, ‘আজ অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে ক্লাস হয়েছে। রুটিন অনুযায়ী ল্যাব হওয়ার কথা ছিল। তবে বিভাগে কথা বলে আজকের ল্যাবটি স্থগিত করিয়েছি।’
বিভাগের প্রধান ফৌজিয়া গুলশানা রশিদ লোপা বলেন, সকাল ৯টায় ২১, ২২ ও ২৩ ব্যাচের ক্লাস হয়েছে। সব ব্যাচের ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম ছিল। তবে ২১ ও ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি ছিল। আগামীকাল আরও বেশি শিক্ষার্থী ক্লাসে ফিরতে পারেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তবে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ফিরলেও উপাচার্যকে ঘিরে সৃষ্ট সংকটের সমাধান হয়নি। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, একাডেমিক কার্যক্রম চলবে, পাশাপাশি আন্দোলনও অব্যাহত থাকবে।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) গঠিত ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। আজ দুপুরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গেও প্রতিনিধি দলটির বৈঠকের কথা রয়েছে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর নতুন উপাচার্য নিয়োগের পর থেকেই প্রতিবাদে নামেন চুয়েটের শিক্ষার্থীরা। পরদিন থেকে শুরু হয় ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।









