চট্টগ্রামে প্রতারণা মামলায় বিএনপি নেতার কারাদণ্ড

চট্টগ্রামে রূপালী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের করা প্রতারণা মামলায় বিএনপি নেতা মো. শফিকুল ইসলামকে ১ বছর ৪ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক মাস কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায়ের সময় শফিকুল পলাতক ছিলেন।
আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম দ্বিতীয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবুল মনছুরের আদালত এ রায় দেন। পরে শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্ত শফিকুল ইসলাম (৪৭) চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। তাঁর বাড়ি রাউজান উপজেলায়। নগরের খুলশী থানার লালখান বাজার এলাকার চানমারি সড়কে তিনি থাকেন।
অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর ও বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. মাইনুল হোসেন ভূঁইয়া মানিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় ঘোষণা করেন।
২০২৫ সালে চট্টগ্রাম আদালতে রূপালী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের পক্ষে মো. আলমগীর বাদী হয়ে প্রতারণার মাধ্যমে এক লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় শফিকুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করা হয়।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সূত্রে ২০২০ সালের ১১ নভেম্বর রূপালী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ঋণ নেন শফিকুল ইসলাম। দীর্ঘদিনেও ঋণ পরিশোধ না করায় সমিতির পক্ষ থেকে তাঁকে তাগাদা দেওয়া হয়।
২০২৫ সালের ১৪ জুলাই শফিকুল ইসলাম উত্তরা ব্যাংক লিমিটেডের এক লাখ টাকার একটি চেক সমিতির কাছে দেন বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়। পরে ব্যাংকে চেকটি ডিজঅনার হয়।
সমিতির লোকজন যোগাযোগ করলে শফিকুল ইসলাম যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। পরে যোগাযোগ হলে তিনি পাওনা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং বাদীপক্ষকে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এরপর সমিতির পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করা হয়।









