নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিক্রি করে আমরা কোনো কিছু হতে দেব না। বাংলাদেশ প্রশ্নে আমরা আপসহীন। মাথা ঠান্ডা রেখে, সজাগ থেকে আমাদের সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিতে হবে।
আজ শনিবার (১০ মে) বিকেলে নগরের টাইগারপাস মোড়-সংলগ্ন পলোগ্রাউন্ড মাঠে তারুণ্যের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘অস্বাভাবিক সময় পার করছে দেশ। হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার প্রেতাত্মারা এখনো রয়ে গেছে। দেশকে তারা অস্থিতিশীল করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। তবে তরুণদের সামনে তারা সফল হবে না। তরুণেরা ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে এ দেশ থেকে তাড়িয়েছে। এই তরুণেরা আবার জেগে উঠেছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তরুণদের বাকি কাজ সম্পন্ন করতে হবে। সহনশীলতা ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের নেতা বলেছিলেন, ফয়সালা হবে কোথায়? রাজপথে। হয়েছে কি ফয়সালা? ওনি বলেছিলেন, টেকব্যাক-টেকব্যাক। এবার বলেছেন, সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা একটা দেশ চাই, গণতান্ত্রিক দেশ। যেখানে আমি আমার কথা বলতে পারব। অন্য ভাইও তাঁর কথা বলতে পারবেন। সোজা হিসাব—বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্র চায়। এই গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা তো বুড়ো হয়ে যাচ্ছি। কিন্তু আমরা দেখে যেতে চাই একটা সুন্দর, সত্যিকার অর্থে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। যেখানে মানুষ মানুষকে ভালোবাসবে। যেখানে প্রেম থাকবে, সম্প্রীতি থাকবে। আর বাংলাদেশের মাথাটা উঁচু থাকবে। পতাকাটা পতপত করে উড়বে। সেই বাংলাদেশ আমরা দেখতে চাই।’
বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘একাত্তর সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যুদ্ধ শুরু করেছিলেন একটি স্বাধীন, মুক্ত ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য। আমাদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আপসহীন মনোভাব নিয়ে দীর্ঘ ৯ বছর বাউলের সংগীত গেয়ে, গণতন্ত্রের সংগীত গেয়ে পথে পথে ঘুরে বেরিয়েছিলেন গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠার জন্য। তারেক রহমান নতুন করে তারুণ্যকে শিক্ষা দিচ্ছেন, এগিয়ে নিচ্ছেন; যাতে আমরা নতুন আধুনিক বিশ্বের উপযোগী বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’
তিনি বলেন, ওয়াসিম আকরাম ১৬ জুলাই শহীদ হয়েছিলেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এই সরকার পাঠ্যপুস্তকে অন্যান্য শহীদের সঙ্গে ওয়াসিম আকরামের নাম তোলেনি। আমরা বিশ্বাস করি, সরকার অবিলম্বে এটা সংশোধন করে ওয়াসিমের নামে সেখানে সংযোজন করবে।
এর আগে তারুণ্যের সমাবেশ ঘিরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, ফেনী, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে সমবেত হন।
বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম মহানগরীসহ বিভাগের ৯৯টি উপজেলার নেতা-কর্মীরা এই মহাসমাবেশে অংশ নিয়েছেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিক্রি করে আমরা কোনো কিছু হতে দেব না। বাংলাদেশ প্রশ্নে আমরা আপসহীন। মাথা ঠান্ডা রেখে, সজাগ থেকে আমাদের সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিতে হবে।
আজ শনিবার (১০ মে) বিকেলে নগরের টাইগারপাস মোড়-সংলগ্ন পলোগ্রাউন্ড মাঠে তারুণ্যের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘অস্বাভাবিক সময় পার করছে দেশ। হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার প্রেতাত্মারা এখনো রয়ে গেছে। দেশকে তারা অস্থিতিশীল করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। তবে তরুণদের সামনে তারা সফল হবে না। তরুণেরা ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে এ দেশ থেকে তাড়িয়েছে। এই তরুণেরা আবার জেগে উঠেছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তরুণদের বাকি কাজ সম্পন্ন করতে হবে। সহনশীলতা ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের নেতা বলেছিলেন, ফয়সালা হবে কোথায়? রাজপথে। হয়েছে কি ফয়সালা? ওনি বলেছিলেন, টেকব্যাক-টেকব্যাক। এবার বলেছেন, সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা একটা দেশ চাই, গণতান্ত্রিক দেশ। যেখানে আমি আমার কথা বলতে পারব। অন্য ভাইও তাঁর কথা বলতে পারবেন। সোজা হিসাব—বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্র চায়। এই গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা তো বুড়ো হয়ে যাচ্ছি। কিন্তু আমরা দেখে যেতে চাই একটা সুন্দর, সত্যিকার অর্থে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। যেখানে মানুষ মানুষকে ভালোবাসবে। যেখানে প্রেম থাকবে, সম্প্রীতি থাকবে। আর বাংলাদেশের মাথাটা উঁচু থাকবে। পতাকাটা পতপত করে উড়বে। সেই বাংলাদেশ আমরা দেখতে চাই।’
বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘একাত্তর সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যুদ্ধ শুরু করেছিলেন একটি স্বাধীন, মুক্ত ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য। আমাদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আপসহীন মনোভাব নিয়ে দীর্ঘ ৯ বছর বাউলের সংগীত গেয়ে, গণতন্ত্রের সংগীত গেয়ে পথে পথে ঘুরে বেরিয়েছিলেন গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠার জন্য। তারেক রহমান নতুন করে তারুণ্যকে শিক্ষা দিচ্ছেন, এগিয়ে নিচ্ছেন; যাতে আমরা নতুন আধুনিক বিশ্বের উপযোগী বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’
তিনি বলেন, ওয়াসিম আকরাম ১৬ জুলাই শহীদ হয়েছিলেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এই সরকার পাঠ্যপুস্তকে অন্যান্য শহীদের সঙ্গে ওয়াসিম আকরামের নাম তোলেনি। আমরা বিশ্বাস করি, সরকার অবিলম্বে এটা সংশোধন করে ওয়াসিমের নামে সেখানে সংযোজন করবে।
এর আগে তারুণ্যের সমাবেশ ঘিরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, ফেনী, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে সমবেত হন।
বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম মহানগরীসহ বিভাগের ৯৯টি উপজেলার নেতা-কর্মীরা এই মহাসমাবেশে অংশ নিয়েছেন।

৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
শিক্ষক ও লোকবলসংকটে ধুঁকছে বান্দরবান নার্সিং কলেজ। উন্নত শিক্ষার প্রসারে সদর হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধনের প্রায় সাত বছর পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে