চবি প্রতিনিধি

স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে বিদেশিদের হস্তক্ষেপ চলতে পারে না। তাদেরও (বিদেশি) অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। আমরা তাদের বিষয়ে কথা বলতে যাই না। বাংলাদেশ থেকে তাদের শিক্ষা নেওয়া দরকার। আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তারা জ্ঞান না দিলে ভালো হয়। আজ বুধবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বঙ্গবন্ধু চত্বরে শিক্ষক সমিতির মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলের কর্মকাণ্ড ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিদেশিদের অযাচিত হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক সিরাজ উদ দৌল্লাহ বলেন, ‘আধুনিক গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় সরকার পরিবর্তনের কিছু নিয়ম আছে। জনগণের মতামতের ভিত্তিতে সরকার পরিবর্তন হয়। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যদি সরকার পরিবর্তন হয়, তাহলে গণতান্ত্রিক প্রতিক্রিয়া সমুন্নত এবং জনগণের মতামত প্রতিফলিত হয়। কিন্তু অগ্নিসংযোগ বা মানুষের জানমালের ক্ষতি করা কখনো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হতে পারে না।’
প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশেদ মোস্তফা বলেন, ‘নৈরাজ্য ও ধ্বংস কারওই কাম্য নয়। যাঁরা এই কর্মসূচি দিচ্ছেন, আপনারা ভুল করছেন। এভাবে কিছু আদায় করা যায় না। আপনারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এগিয়ে আসুন।’
হলুদ দলের আহ্বায়ক মো. সেকান্দর চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপির এখন কোনো নেতা নেই, যাঁরা আছেন তাঁরা দণ্ডপ্রাপ্ত। তাঁরা চোরাগোপ্তা প্রেস কনফারেন্সের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি দিয়ে যাচ্ছেন। অগ্নি-সন্ত্রাস করে নির্বাচনকে প্রতিহত করার চেষ্টা করছেন। তাঁরা নির্বাচনে অংশও নেবেন না, আবার নির্বাচন হতে দেবেন না। এটা গণতন্ত্রের পক্ষের লোকের কথা হতে পারে না। তাঁরা নির্বাচনে হেরে যাবেন, মোকাবিলা করতে পারবেন না, তাঁদের জনসমর্থন নেই—এ কারণে গণতন্ত্র চাইছেন না।’
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, ‘সরকার পরিবর্তনের একমাত্র স্বীকৃত পন্থা হচ্ছে নির্বাচন। এই নির্বাচন বানচাল করতে অনেক অপশক্তি তৎপর আছে। এই অপতৎপরতার প্রতিবাদে আমাদের মানববন্ধন। আমরা দীর্ঘদিন ধরে দেখছি, গণতান্ত্রিক আন্দোলন বানচাল করতে একটি শক্তি দেশে সব সময় সক্রিয় থাকে। এবারও সেই শক্তির তৎপরতা আমরা লক্ষ করছি।’
সমিতির সাধারণ অধ্যাপক আবদুল হকের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন সমিতির সহসভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলা উদ্দিন, সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরিদুল আলম, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মহীবুল আজিজ, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিভাগের অধ্যাপক ড. গোলাম কবীর, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম, বন ও পরিবেশবিদ্যা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক জসিম উদ্দীন, অধ্যাপক দানেশ মিয়া, কম্পিউটার সায়েন্সেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রেজাউল করিম, আইকিউএসির পরিচালক আবদুল্লাহ মামুন, সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।

স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে বিদেশিদের হস্তক্ষেপ চলতে পারে না। তাদেরও (বিদেশি) অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। আমরা তাদের বিষয়ে কথা বলতে যাই না। বাংলাদেশ থেকে তাদের শিক্ষা নেওয়া দরকার। আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তারা জ্ঞান না দিলে ভালো হয়। আজ বুধবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বঙ্গবন্ধু চত্বরে শিক্ষক সমিতির মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলের কর্মকাণ্ড ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিদেশিদের অযাচিত হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক সিরাজ উদ দৌল্লাহ বলেন, ‘আধুনিক গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় সরকার পরিবর্তনের কিছু নিয়ম আছে। জনগণের মতামতের ভিত্তিতে সরকার পরিবর্তন হয়। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যদি সরকার পরিবর্তন হয়, তাহলে গণতান্ত্রিক প্রতিক্রিয়া সমুন্নত এবং জনগণের মতামত প্রতিফলিত হয়। কিন্তু অগ্নিসংযোগ বা মানুষের জানমালের ক্ষতি করা কখনো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হতে পারে না।’
প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশেদ মোস্তফা বলেন, ‘নৈরাজ্য ও ধ্বংস কারওই কাম্য নয়। যাঁরা এই কর্মসূচি দিচ্ছেন, আপনারা ভুল করছেন। এভাবে কিছু আদায় করা যায় না। আপনারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এগিয়ে আসুন।’
হলুদ দলের আহ্বায়ক মো. সেকান্দর চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপির এখন কোনো নেতা নেই, যাঁরা আছেন তাঁরা দণ্ডপ্রাপ্ত। তাঁরা চোরাগোপ্তা প্রেস কনফারেন্সের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি দিয়ে যাচ্ছেন। অগ্নি-সন্ত্রাস করে নির্বাচনকে প্রতিহত করার চেষ্টা করছেন। তাঁরা নির্বাচনে অংশও নেবেন না, আবার নির্বাচন হতে দেবেন না। এটা গণতন্ত্রের পক্ষের লোকের কথা হতে পারে না। তাঁরা নির্বাচনে হেরে যাবেন, মোকাবিলা করতে পারবেন না, তাঁদের জনসমর্থন নেই—এ কারণে গণতন্ত্র চাইছেন না।’
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, ‘সরকার পরিবর্তনের একমাত্র স্বীকৃত পন্থা হচ্ছে নির্বাচন। এই নির্বাচন বানচাল করতে অনেক অপশক্তি তৎপর আছে। এই অপতৎপরতার প্রতিবাদে আমাদের মানববন্ধন। আমরা দীর্ঘদিন ধরে দেখছি, গণতান্ত্রিক আন্দোলন বানচাল করতে একটি শক্তি দেশে সব সময় সক্রিয় থাকে। এবারও সেই শক্তির তৎপরতা আমরা লক্ষ করছি।’
সমিতির সাধারণ অধ্যাপক আবদুল হকের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন সমিতির সহসভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলা উদ্দিন, সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরিদুল আলম, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মহীবুল আজিজ, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিভাগের অধ্যাপক ড. গোলাম কবীর, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম, বন ও পরিবেশবিদ্যা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক জসিম উদ্দীন, অধ্যাপক দানেশ মিয়া, কম্পিউটার সায়েন্সেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রেজাউল করিম, আইকিউএসির পরিচালক আবদুল্লাহ মামুন, সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।

রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
১ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
১ ঘণ্টা আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
২ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে পাচারের অপেক্ষায় জড়ো করে রাখা হয়েছে অন্তত ৭ হাজার বার্মিজ গরু। এর মধ্যে গত কয়েক দিনে বাংলাদেশে অন্তত ৫০০ গরু ঢুকিয়েছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত ঘিরে সক্রিয় চোরাকারবারি চক্র। আর গত পাঁচ দিনে অভিযান চালিয়ে ৫৫টি জব্দ করেছে বিজিবি সদস্যরা।
২ ঘণ্টা আগে