জমির উদ্দিন, চট্টগ্রাম

বৃষ্টি হলেই চট্টগ্রাম নগরের চকবাজারের শুলকবহর এলাকার পথঘাট সবার আগে তলিয়ে যায়। এদিকে এক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি! সড়কে বুক সমান পানি, ঘর-বাড়িগুলোরও খাটের ওপরেও পানি। দিনে কোনোরকমে কাটিয়ে দেওয়া গেলেও রাতটা ভীষণ দুঃসহ।
এমন পরিস্থিতিতে বিপর্যস্ত এসব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ওই এলাকারই বাসিন্দা ওমর ফারুক আলম। নিজ ঘরে ঠাঁই দিয়েছেন, খাওয়াচ্ছেন। সে-ও ১-২ জন নয়, প্রায় ১৫০ জন।
নগরীর চকবাজারের কাতালগঞ্জের ১ নম্বর সড়ক থেকে বাঁ দিকে গেলেই শুলকবহর। দিনমজুর, পোশাকশ্রমিকদের বসবাস এখানেই সবচেয়ে বেশি। এই এলাকায় অন্তত ৫ শতাধিক বাড়িতে নিম্নবিত্ত মানুষেরা থাকেন। কেউ নিচতলায় আর কেউ সেমিপাকা ঘরে। তবে সবচেয়ে কষ্টে আছেন ‘আলম সাহেব’ বলে পরিচিত এলাকার মানুষজন। কারণ এই এলাকাটি জোয়ারের পানিতেও ডুবে যায়।
আজ সোমবার সরেজমিন দেখা যায়, গৃহবধূ শাহনাজ খাটের ওপরে বসিয়েছেন টেবিল, তার ওপরে রেখেছেন তিন বছর বয়সী ছেলেকে। পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁর স্বামী। কাজ না থাকায় চার দিন ধরে তিনিও বন্দী। তাঁর মতো এই এলাকায় অন্তত দেড় শ পরিবার পানিবন্দী।
শাহনাজ বেগমের সঙ্গে কথা হয় আজকের পত্রিকার প্রতিবেদকের। তিনি বলেন, ‘তিন-চার দিন ধরে পাশের আলম সাহেবের ভবনে থাকতেছি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় তোশক বিছিয়ে রাতে ঘুমানোর সুযোগ করে দিয়েছেন। রাতে ও সকালে খাবারের ব্যবস্থাও করেছেন। এমন মানুষের জন্য অন্তর থেকে দোয়া।’
শাহানাজ বেগমের ঘরের আশপাশে ২০টি সেমিপাকা ঘর। প্রত্যেক ঘরেই পানিতে টইটম্বুর। শিশু-বৃদ্ধদের নিয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন তাঁরা। এক সপ্তাহ পানিবন্দী থাকায় শিশু-বৃদ্ধরা ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগেও আক্রান্ত হচ্ছেন। এখানে যারা পোশাকশ্রমিক থাকেন তাঁদের পানি মাড়িয়ে কর্মস্থলে যেতে হচ্ছে। সারা দিন কাজ করে রাতে ঘুমাতে না পারলে, পরদিন কাজে যেতে পারতেন না। ঠাঁই দেওয়ায় তাই আলম সাহেবের বন্দনা এখন সবার মুখে মুখে।
আরেকটি পরিবারে ৫৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ মাসহ তিন বোন নার্গিস আক্তার, পারভিন আক্তার ও লাখি আক্তার। তিন বোনই আগ্রাবাদের পোশাক কারখানায় কাজ করেন। বাসায় আছেন মা সাবেকুন নাহার। তাঁর সঙ্গে কথা হলে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একদিন কাজে না গেলে অনেক টাকা কেটে ফেলে। আমার তিন মেয়ে পুরোদিন কাজ করার পর রাতে ঘুমাতে না পারলে কাজে যেতে পারত না। আলম সাহেবের ভবনে আমরা রাতে গিয়ে থাকি।’
যে ভবনটি নিয়ে মানুষগুলোর এত রব রব সেই আলম সাহেবের ভবনে দোতলায় গিয়ে দেখা যায়, তাঁরা যেখানে থাকেন তার পাশে তোশক বিছিয়ে রেখেছেন।
সেখানে প্রতিবেদকের কথা হয় এ ভবনটির মালিকের ছেলে ওমর ফারুক আলমের সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি। সড়কে বুক সমান পানি। নিম্নবিত্ত এসব মানুষজন যেখানে থাকে, খাটের ওপরেও পানি উঠে গেছে। দায়িত্ববোধ থেকে আমরা প্রায় এক-দেড় শ মানুষকে থাকার ব্যবস্থা করেছি। যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, প্রত্যেকেরই এভাবে এগিয়ে আসা উচিত।’

বৃষ্টি হলেই চট্টগ্রাম নগরের চকবাজারের শুলকবহর এলাকার পথঘাট সবার আগে তলিয়ে যায়। এদিকে এক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি! সড়কে বুক সমান পানি, ঘর-বাড়িগুলোরও খাটের ওপরেও পানি। দিনে কোনোরকমে কাটিয়ে দেওয়া গেলেও রাতটা ভীষণ দুঃসহ।
এমন পরিস্থিতিতে বিপর্যস্ত এসব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ওই এলাকারই বাসিন্দা ওমর ফারুক আলম। নিজ ঘরে ঠাঁই দিয়েছেন, খাওয়াচ্ছেন। সে-ও ১-২ জন নয়, প্রায় ১৫০ জন।
নগরীর চকবাজারের কাতালগঞ্জের ১ নম্বর সড়ক থেকে বাঁ দিকে গেলেই শুলকবহর। দিনমজুর, পোশাকশ্রমিকদের বসবাস এখানেই সবচেয়ে বেশি। এই এলাকায় অন্তত ৫ শতাধিক বাড়িতে নিম্নবিত্ত মানুষেরা থাকেন। কেউ নিচতলায় আর কেউ সেমিপাকা ঘরে। তবে সবচেয়ে কষ্টে আছেন ‘আলম সাহেব’ বলে পরিচিত এলাকার মানুষজন। কারণ এই এলাকাটি জোয়ারের পানিতেও ডুবে যায়।
আজ সোমবার সরেজমিন দেখা যায়, গৃহবধূ শাহনাজ খাটের ওপরে বসিয়েছেন টেবিল, তার ওপরে রেখেছেন তিন বছর বয়সী ছেলেকে। পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁর স্বামী। কাজ না থাকায় চার দিন ধরে তিনিও বন্দী। তাঁর মতো এই এলাকায় অন্তত দেড় শ পরিবার পানিবন্দী।
শাহনাজ বেগমের সঙ্গে কথা হয় আজকের পত্রিকার প্রতিবেদকের। তিনি বলেন, ‘তিন-চার দিন ধরে পাশের আলম সাহেবের ভবনে থাকতেছি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় তোশক বিছিয়ে রাতে ঘুমানোর সুযোগ করে দিয়েছেন। রাতে ও সকালে খাবারের ব্যবস্থাও করেছেন। এমন মানুষের জন্য অন্তর থেকে দোয়া।’
শাহানাজ বেগমের ঘরের আশপাশে ২০টি সেমিপাকা ঘর। প্রত্যেক ঘরেই পানিতে টইটম্বুর। শিশু-বৃদ্ধদের নিয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন তাঁরা। এক সপ্তাহ পানিবন্দী থাকায় শিশু-বৃদ্ধরা ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগেও আক্রান্ত হচ্ছেন। এখানে যারা পোশাকশ্রমিক থাকেন তাঁদের পানি মাড়িয়ে কর্মস্থলে যেতে হচ্ছে। সারা দিন কাজ করে রাতে ঘুমাতে না পারলে, পরদিন কাজে যেতে পারতেন না। ঠাঁই দেওয়ায় তাই আলম সাহেবের বন্দনা এখন সবার মুখে মুখে।
আরেকটি পরিবারে ৫৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ মাসহ তিন বোন নার্গিস আক্তার, পারভিন আক্তার ও লাখি আক্তার। তিন বোনই আগ্রাবাদের পোশাক কারখানায় কাজ করেন। বাসায় আছেন মা সাবেকুন নাহার। তাঁর সঙ্গে কথা হলে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একদিন কাজে না গেলে অনেক টাকা কেটে ফেলে। আমার তিন মেয়ে পুরোদিন কাজ করার পর রাতে ঘুমাতে না পারলে কাজে যেতে পারত না। আলম সাহেবের ভবনে আমরা রাতে গিয়ে থাকি।’
যে ভবনটি নিয়ে মানুষগুলোর এত রব রব সেই আলম সাহেবের ভবনে দোতলায় গিয়ে দেখা যায়, তাঁরা যেখানে থাকেন তার পাশে তোশক বিছিয়ে রেখেছেন।
সেখানে প্রতিবেদকের কথা হয় এ ভবনটির মালিকের ছেলে ওমর ফারুক আলমের সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি। সড়কে বুক সমান পানি। নিম্নবিত্ত এসব মানুষজন যেখানে থাকে, খাটের ওপরেও পানি উঠে গেছে। দায়িত্ববোধ থেকে আমরা প্রায় এক-দেড় শ মানুষকে থাকার ব্যবস্থা করেছি। যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, প্রত্যেকেরই এভাবে এগিয়ে আসা উচিত।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে