সবুর শুভ, চট্টগ্রাম

চব্বিশের পটপরিবর্তনের পর এই পর্যন্ত একে একে ১৯ লাশ পড়া নিয়ে আলোচনায় রাউজান। এর মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে বিএনপির দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর দলীয় মনোনয়ন নিয়েও আলোচনার শেষ নেই। বিএনপির দুই প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও গোলাম আকবর খোন্দকার দুজনই নগদ টাকায় কোটিপতি। আর এই আসনে ভোটের মাঠে থাকা জামায়াত প্রার্থী মো. শাহজাহান মঞ্জু ও তাঁর স্ত্রী লুৎফর জাহানের হাতে কোনো নগদ টাকা নেই। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো একটি বিশাল খরচের উপলক্ষ কীভাবে সামাল দেবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে মো. শাহজাহান মঞ্জু বলেন, ‘আমার শুভাকাঙ্ক্ষী ও সংগঠনের দিকে তাকিয়ে আছি। আমি নিঃস্ব।’
নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করা হলফনামা থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. শাহজাহান মঞ্জু ও তাঁর স্ত্রী লুৎফর জাহানের কাছে কোনো নগদ টাকা নেই। মো. শাহজাহান মঞ্জু নিজেকে ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর স্ত্রী গৃহিণী বলে উল্লেখ রয়েছে হলফনামায়। ভাড়ায় চালিত একটি ড্রাম ট্রাক থেকে ওই প্রার্থীর আয় বছরে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। আয়কর রিটার্নে তিনি মোট সম্পদ দেখিয়েছেন ৬৯ লাখ ৭৩ হাজার ২০০ টাকার। সেই হিসাবে তিনি আয়কর দিয়েছেন ৯ হাজার ৫০০ টাকা।
এদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর হাতে নগদ ১ কোটি ৭৫ লাখ ৩২ হাজার ১৫৪ টাকা। তাঁর স্ত্রী মিনা পারভীন কাদের চৌধুরীর কাছে রয়েছে নগদ ৩ কোটি ৯ লাখ ২৮ হাজার ৬৩৬ টাকা। আর একই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম আকবর খোন্দকারের নগদ টাকার পরিমাণ ১ কোটি ২২ লাখ ৩৩ হাজার ৫ টাকা এবং স্ত্রী রিজিয়া আকবর খোন্দকারের কাছে রয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৫১০ টাকা।
তথ্যমতে, চব্বিশের অভ্যুত্থানের আগে রাউজান উপজেলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর একক নিয়ন্ত্রণে ছিল। সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে পরিচিত উপজেলাটিতে অভ্যুত্থানের পর পুরোনো ধারা আবার ফিরে আসে। শুরু হয় খুনোখুনি। উপজেলাটিতে বিএনপির উল্লিখিত কেন্দ্রীয় দুই নেতা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও গোলাম আকবর খন্দকারের মধ্যে বিরোধ তৃণমূল পর্যায়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাতে রূপ নেয়। এই সংঘাতের বলি হয়ে ইতিমধ্যে ১৯ জনের প্রাণ গেছে। এর মধ্যে ৯ জনই বিএনপি-যুবদলের নেতা-কর্মী। এই সংঘাতের জন্য দুই নেতা একে অপরকে দোষারোপ করেন।

চব্বিশের পটপরিবর্তনের পর এই পর্যন্ত একে একে ১৯ লাশ পড়া নিয়ে আলোচনায় রাউজান। এর মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে বিএনপির দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর দলীয় মনোনয়ন নিয়েও আলোচনার শেষ নেই। বিএনপির দুই প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও গোলাম আকবর খোন্দকার দুজনই নগদ টাকায় কোটিপতি। আর এই আসনে ভোটের মাঠে থাকা জামায়াত প্রার্থী মো. শাহজাহান মঞ্জু ও তাঁর স্ত্রী লুৎফর জাহানের হাতে কোনো নগদ টাকা নেই। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো একটি বিশাল খরচের উপলক্ষ কীভাবে সামাল দেবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে মো. শাহজাহান মঞ্জু বলেন, ‘আমার শুভাকাঙ্ক্ষী ও সংগঠনের দিকে তাকিয়ে আছি। আমি নিঃস্ব।’
নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করা হলফনামা থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. শাহজাহান মঞ্জু ও তাঁর স্ত্রী লুৎফর জাহানের কাছে কোনো নগদ টাকা নেই। মো. শাহজাহান মঞ্জু নিজেকে ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর স্ত্রী গৃহিণী বলে উল্লেখ রয়েছে হলফনামায়। ভাড়ায় চালিত একটি ড্রাম ট্রাক থেকে ওই প্রার্থীর আয় বছরে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। আয়কর রিটার্নে তিনি মোট সম্পদ দেখিয়েছেন ৬৯ লাখ ৭৩ হাজার ২০০ টাকার। সেই হিসাবে তিনি আয়কর দিয়েছেন ৯ হাজার ৫০০ টাকা।
এদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর হাতে নগদ ১ কোটি ৭৫ লাখ ৩২ হাজার ১৫৪ টাকা। তাঁর স্ত্রী মিনা পারভীন কাদের চৌধুরীর কাছে রয়েছে নগদ ৩ কোটি ৯ লাখ ২৮ হাজার ৬৩৬ টাকা। আর একই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম আকবর খোন্দকারের নগদ টাকার পরিমাণ ১ কোটি ২২ লাখ ৩৩ হাজার ৫ টাকা এবং স্ত্রী রিজিয়া আকবর খোন্দকারের কাছে রয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৫১০ টাকা।
তথ্যমতে, চব্বিশের অভ্যুত্থানের আগে রাউজান উপজেলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর একক নিয়ন্ত্রণে ছিল। সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে পরিচিত উপজেলাটিতে অভ্যুত্থানের পর পুরোনো ধারা আবার ফিরে আসে। শুরু হয় খুনোখুনি। উপজেলাটিতে বিএনপির উল্লিখিত কেন্দ্রীয় দুই নেতা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও গোলাম আকবর খন্দকারের মধ্যে বিরোধ তৃণমূল পর্যায়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাতে রূপ নেয়। এই সংঘাতের বলি হয়ে ইতিমধ্যে ১৯ জনের প্রাণ গেছে। এর মধ্যে ৯ জনই বিএনপি-যুবদলের নেতা-কর্মী। এই সংঘাতের জন্য দুই নেতা একে অপরকে দোষারোপ করেন।

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
১ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
৭ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের দুটি শরিকদের ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। ফলে ওই দুই আসনে সুযোগ নিতে চায় জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১২ দলীয় সমমনা জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর): এবার আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী এম এ হান্নান, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর অধ্যাপক...
১৩ মিনিট আগে
মেলায় বড় মাছ দরদাম করছিলেন স্থানীয় এক জামাই সৈকত হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমি এবারই প্রথম শ্বশুরবাড়িতে মাছ নিয়ে যাব। তাই সেরা মাছটা কেনার চেষ্টা করছি। ১৮ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ পছন্দ হয়েছে। বিক্রেতা দাম চেয়েছেন ২২ হাজার টাকা। জামাই হিসেবে বড় মাছটি নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে ঢুকতে পারা একটা আলাদা গর্বের বিষয়।’
৩০ মিনিট আগে