সবুজ শর্মা শাকিল, সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

গত শনিবার রাতে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগার পর দোকান বন্ধ করতে মালামাল গুছিয়ে নিচ্ছিলেন ডিপোসংলগ্ন চা-দোকানি মোহাম্মদ হানিফ (৫০)। এ সময় ডিপোর উঁচু প্রাচীরের ভেতরে আটকা পড়া দগ্ধ শ্রমিকেরা বের হওয়ার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে আর্তনাদ শুরু করেন। এমন পরিস্থিতিতে একটি কাঠের মই সংগ্রহ করে দেয়ালের সঙ্গে লাগিয়ে একে একে ২৫ জন শ্রমিকের প্রাণ রক্ষা করেন হানিফ।
মোহাম্মদ হানিফের বাড়ি সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কেশবপুর এলাকায়। ডিপোর দক্ষিণ পাশের সীমানাপ্রাচীরের সঙ্গে লাগোয়া চা-দোকানটি তাঁর।
আজ মঙ্গলবার মোহাম্মদ হানিফের সঙ্গে কথা হয় প্রতিবেদকের। এ সময় হানিফ তাঁকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর ডিপোর পকেট গেট বন্ধ করে দিলে শ্রমিকেরা আটকা পড়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর বিস্ফোরণ ঘটলে আটকা পড়া শ্রমিকেরা আতঙ্কে সীমানাপ্রাচীর ডিঙিয়ে বাঁচার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু কাঁটাতার ও উঁচু সীমানাপ্রাচীর ডিঙিয়ে বের হতে ব্যর্থ হন তাঁরা। এতে প্রাণভয়ে আর্তচিৎকারে শুরু করেন তাঁরা। বিপাকে পড়া শ্রমিকদের বের করে আনতে দোকানের পার্শ্ববর্তী বাড়ি থেকে কাঠের মই নিয়ে আসেন তিনি। দেয়ালের সঙ্গে মই লাগিয়ে সীমানাপ্রাচীর ডিঙিয়ে আটকা পড়া ২৫ জন শ্রমিককে বের করে নিয়ে আসেন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় উদ্ধার করা ২৫ জনের মধ্যে আহত বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে পাঠান।
মোহাম্মদ হানিফ আরও জানান, সন্দ্বীপের মুছাপুর এলাকা থেকে প্রায় দুই বছর আগে সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বিএম কনটেইনার ডিপোর দক্ষিণ পাশের সীমানাপ্রাচীরসংলগ্ন কেশবপুর এলাকায় চায়ের দোকান দেন। স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েকে নিয়ে ডিপোর পার্শ্ববর্তী লালবাগ এলাকার ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনার সময় তিনি দোকানে ছিলেন।
দোকানি হানিফ জানান, উদ্ধার করা আহত শ্রমিকদের অধিকাংশের হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেছে। তাঁদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা ছিল সংকটাপন্ন। বিস্ফোরণ-পরবর্তী সময়ে আটকা পড়ে আহত হওয়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে গিয়ে তিনি নিজেও আঘাত পেয়েছেন।
হানিফের ছেলে রিসাদ জানান, তাঁর বাবা দোকান ফেলে আহত ব্যক্তিদের বাঁচাতে মই নিয়ে ছুটে আসেন। জীবনবাজি রেখে আহত শ্রমিকদের উদ্ধার করেন। আটকা পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে গিয়ে হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কেটে গিয়ে তাঁর বাবাও আহত হয়েছেন।
এ ঘটনা সম্পর্কে কেশবপুর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মামুনুর রশিদ ও মোহাম্মদ ইউসুফ জানান, চা-দোকানি হানিফ খুবই সহজসরল। তিনি অনেক দিন ধরে বিএম কনটেইনার ডিপোর পাশে চায়ের দোকান করছেন। স্থানীয় কারও সঙ্গে তাঁর কখনো মনোমালিন্য কিংবা ঝগড়া হয়নি। বিস্ফোরণ-পরবর্তী সময়ে ডিপোতে আটকা পড়া আহত শ্রমিকদের বাঁচাতে তিনি জীবনবাজি রেখে কাজ করেছেন। তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তাঁর সাহসিকতায় সেদিন মৃত্যুর হাত থেকে প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন ডিপোর ২৫ জন শ্রমিক।

গত শনিবার রাতে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগার পর দোকান বন্ধ করতে মালামাল গুছিয়ে নিচ্ছিলেন ডিপোসংলগ্ন চা-দোকানি মোহাম্মদ হানিফ (৫০)। এ সময় ডিপোর উঁচু প্রাচীরের ভেতরে আটকা পড়া দগ্ধ শ্রমিকেরা বের হওয়ার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে আর্তনাদ শুরু করেন। এমন পরিস্থিতিতে একটি কাঠের মই সংগ্রহ করে দেয়ালের সঙ্গে লাগিয়ে একে একে ২৫ জন শ্রমিকের প্রাণ রক্ষা করেন হানিফ।
মোহাম্মদ হানিফের বাড়ি সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কেশবপুর এলাকায়। ডিপোর দক্ষিণ পাশের সীমানাপ্রাচীরের সঙ্গে লাগোয়া চা-দোকানটি তাঁর।
আজ মঙ্গলবার মোহাম্মদ হানিফের সঙ্গে কথা হয় প্রতিবেদকের। এ সময় হানিফ তাঁকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর ডিপোর পকেট গেট বন্ধ করে দিলে শ্রমিকেরা আটকা পড়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর বিস্ফোরণ ঘটলে আটকা পড়া শ্রমিকেরা আতঙ্কে সীমানাপ্রাচীর ডিঙিয়ে বাঁচার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু কাঁটাতার ও উঁচু সীমানাপ্রাচীর ডিঙিয়ে বের হতে ব্যর্থ হন তাঁরা। এতে প্রাণভয়ে আর্তচিৎকারে শুরু করেন তাঁরা। বিপাকে পড়া শ্রমিকদের বের করে আনতে দোকানের পার্শ্ববর্তী বাড়ি থেকে কাঠের মই নিয়ে আসেন তিনি। দেয়ালের সঙ্গে মই লাগিয়ে সীমানাপ্রাচীর ডিঙিয়ে আটকা পড়া ২৫ জন শ্রমিককে বের করে নিয়ে আসেন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় উদ্ধার করা ২৫ জনের মধ্যে আহত বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে পাঠান।
মোহাম্মদ হানিফ আরও জানান, সন্দ্বীপের মুছাপুর এলাকা থেকে প্রায় দুই বছর আগে সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বিএম কনটেইনার ডিপোর দক্ষিণ পাশের সীমানাপ্রাচীরসংলগ্ন কেশবপুর এলাকায় চায়ের দোকান দেন। স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েকে নিয়ে ডিপোর পার্শ্ববর্তী লালবাগ এলাকার ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনার সময় তিনি দোকানে ছিলেন।
দোকানি হানিফ জানান, উদ্ধার করা আহত শ্রমিকদের অধিকাংশের হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেছে। তাঁদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা ছিল সংকটাপন্ন। বিস্ফোরণ-পরবর্তী সময়ে আটকা পড়ে আহত হওয়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে গিয়ে তিনি নিজেও আঘাত পেয়েছেন।
হানিফের ছেলে রিসাদ জানান, তাঁর বাবা দোকান ফেলে আহত ব্যক্তিদের বাঁচাতে মই নিয়ে ছুটে আসেন। জীবনবাজি রেখে আহত শ্রমিকদের উদ্ধার করেন। আটকা পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে গিয়ে হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কেটে গিয়ে তাঁর বাবাও আহত হয়েছেন।
এ ঘটনা সম্পর্কে কেশবপুর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মামুনুর রশিদ ও মোহাম্মদ ইউসুফ জানান, চা-দোকানি হানিফ খুবই সহজসরল। তিনি অনেক দিন ধরে বিএম কনটেইনার ডিপোর পাশে চায়ের দোকান করছেন। স্থানীয় কারও সঙ্গে তাঁর কখনো মনোমালিন্য কিংবা ঝগড়া হয়নি। বিস্ফোরণ-পরবর্তী সময়ে ডিপোতে আটকা পড়া আহত শ্রমিকদের বাঁচাতে তিনি জীবনবাজি রেখে কাজ করেছেন। তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তাঁর সাহসিকতায় সেদিন মৃত্যুর হাত থেকে প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন ডিপোর ২৫ জন শ্রমিক।

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাকশ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশদাতা ইয়াছিন আরাফাতকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাকার ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
১৮ মিনিট আগে
শীতে মৌলভীবাজারে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শ্রীমঙ্গলে আজ তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার এই জেলায় বেশি শীত পড়েছে। দিন কিংবা রাতে ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকে এই অঞ্চল। কিছুদিন ধরে বেশির ভাগ সময় কুয়াশার আড়ালে সূর্যের দেখা মেলে না।
৪৩ মিনিট আগে
ফেনীর পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলাঘেঁষা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোয় দীর্ঘদিন ধরে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে ভারতীয় বিভিন্ন মোবাইল ফোন কোম্পানির সিম কার্ড। শুধু সীমান্তে নয়, এমন সিমের ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে খোদ ফেনী শহরেও; যা ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে...
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি নির্বাচনের খরচের জন্য আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে ভোটার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের থেকে তিন দিনে ৩৯ লাখ ৬৬ হাজার ৫৫৬ টাকা পেয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে