
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোর ভয়াবহ বিস্ফোরণের তিন বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। এই তিন বছরে ডিপো এলাকায় আগের চিত্র ফিরলেও এখন পর্যন্ত থামেনি স্বজন হারানোর কান্না। ভয়াবহ এ বিস্ফোরণে যেনতেন বিচারে যেমন নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের মনে স্বস্তি ফেরেনি, তেমনি উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার...

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের ১০ মাস পার হলেও হাসপাতালের মর্গে পড়ে থাকা আট মরদেহ নিতে কেউ আবেদন করেননি। একই সঙ্গে পরিচয় শনাক্তের যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরও তাঁদের পরিচয় মেলেনি। ফলে গত ২০ এপ্রিল আদালতের অনুমতি নিয়ে নগরীর বাইশ মহল্লা কবরস্থানে মরদেহগুলো দাফন করেছে নগর গোয়েন্

বিস্ফোরণের ছয় মাস না পেরোতেই আবারও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সেই বিএম কন্টেইনার ডিপোতে। আজ মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ৩টায় ডিপোর শেষ প্রান্তে একটি খোলা শেডে থাকা জুটের শেডে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপো ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারান উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সলিমপুর এলাকার বাসিন্দা ও ডিপোর ক্রেনচালক আবদুল মনির হোসেন (৩০)। মনির যখন নিহত হন, তখন তাঁর স্ত্রী রহিমা আক্তার (২২) ছিলেন সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা।