কক্সবাজার প্রতিনিধি

নিজ অফিসে দুর্বৃত্তের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন কক্সবাজার জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম শিকদার (৫৩) এবং সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কুদরত উল্লাহ শিকদার (৪৫)। তাঁরা দুজন সহোদর। এ সময় দুর্বৃত্তের ছোড়া গুলিতে জহির শিকদার (৬৫) নামের আরও একজন গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় তাঁদের জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে দশটার দিকে শহরের লিংক রোড এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন তাঁরা। গুলিবিদ্ধ কুদরত উল্লাহ শিকদারকে রাত সাড়ে ১২টার দিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কুদরত উল্লাহ শিকদার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগেরও সাধারণ সম্পাদক এবং ইউপি সদস্য।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কুদরত উল্লাহ ও জহিরুল শিকদার তাঁদের সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনী বিষয়ে আলোচনা করছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল এসে তাঁদের উদ্দেশ্য করে গুলি ছুড়তে থাকেন। পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয়রা। তাঁদের মধ্যে কুদরত উল্লাহ শিকদারের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁকে সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন সদর হাসপাতালের চিকিৎসক।
জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শফি উল্লাহ আনসারি বলেন, আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কুদরত উল্লাহ। নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দে গুলিবিদ্ধের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে মাঠে কাজ করছে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ অক্টোবর কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা পয়েন্টে জেলা ছাত্র লীগের সাবেক সহসভাপতি মোনাফ শিকদার গুলিবিদ্ধ হন। ওই ঘটনায় এক সপ্তাহ ধরেই জেলায় অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। আবার দুই নেতা গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর কক্সবাজার শহরে ছড়িয়ে পড়লে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা প্রতিবাদী মিছিল করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

নিজ অফিসে দুর্বৃত্তের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন কক্সবাজার জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম শিকদার (৫৩) এবং সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কুদরত উল্লাহ শিকদার (৪৫)। তাঁরা দুজন সহোদর। এ সময় দুর্বৃত্তের ছোড়া গুলিতে জহির শিকদার (৬৫) নামের আরও একজন গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় তাঁদের জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে দশটার দিকে শহরের লিংক রোড এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন তাঁরা। গুলিবিদ্ধ কুদরত উল্লাহ শিকদারকে রাত সাড়ে ১২টার দিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কুদরত উল্লাহ শিকদার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগেরও সাধারণ সম্পাদক এবং ইউপি সদস্য।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কুদরত উল্লাহ ও জহিরুল শিকদার তাঁদের সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনী বিষয়ে আলোচনা করছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল এসে তাঁদের উদ্দেশ্য করে গুলি ছুড়তে থাকেন। পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয়রা। তাঁদের মধ্যে কুদরত উল্লাহ শিকদারের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁকে সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন সদর হাসপাতালের চিকিৎসক।
জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শফি উল্লাহ আনসারি বলেন, আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কুদরত উল্লাহ। নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দে গুলিবিদ্ধের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে মাঠে কাজ করছে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ অক্টোবর কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা পয়েন্টে জেলা ছাত্র লীগের সাবেক সহসভাপতি মোনাফ শিকদার গুলিবিদ্ধ হন। ওই ঘটনায় এক সপ্তাহ ধরেই জেলায় অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। আবার দুই নেতা গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর কক্সবাজার শহরে ছড়িয়ে পড়লে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা প্রতিবাদী মিছিল করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁদের মানিকগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে তাঁরা আদালতের বিচারক সজীব চৌধুরী তাঁদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এদিকে নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা
১ মিনিট আগে
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনাবাহিনীর অভিযান চলাকালে মারা যাওয়া বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫২) ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। কেননা তাঁর পরিবার ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, অভিযান চালানো সেনাসদস্যদের নির্যাতনে মারা গেছেন ডাবলু।
৫ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জে কারাবন্দী আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ুন কবির মারা গেছেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকা জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানান কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ ফোরকান।
৩৬ মিনিট আগে
জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, সম্প্রতি হিন্দুধর্মাবলম্বীদের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত। তারা দেশে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে এই অগ্নিসংযোগ করে।
১ ঘণ্টা আগে