জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনাবাহিনীর অভিযান চলাকালে মারা যাওয়া বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫২) ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। কেননা তাঁর পরিবার ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, অভিযান চালানো সেনাসদস্যদের নির্যাতনে মারা গেছেন ডাবলু।
এ বিষয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বলেছে, ইতিমধ্যে ওই ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার ও অভিযানে অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের সেনানিবাসে প্রত্যাহার এবং সঠিক কারণ উদ্ঘাটনের উদ্দেশ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার সকালে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল আমীনের উপস্থিতিতে জীবননগর থানার পুলিশ শামসুজ্জামান ডাবলুর মরদেহের সুরতহাল করে।
বেলা ১১টার দিকে আবার ঘটনাস্থলে আসেন জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও সাধারণ সম্পাদক, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ। পরে তাঁরা নেতা-কর্মীদের শান্ত করলে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ও চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বিচারের আশ্বাসে বেলা দেড়টার দিকে তাঁরা শামসুজ্জামান ডাবলুর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন।
শামসুজ্জামান ডাবলুর স্ত্রী জেসমিন আক্তার বলেন, ‘আমি আমার স্বামীর হত্যার বিচার চাই। তাকে পরিকল্পতিভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমার তিনটা মাসুম বাচ্চাকে এতিম করা হয়েছে। সঠিক বিচার চাই আমি, তারা কেন এভাবে হত্যা করল বিনা অপরাধে। যদি অপরাধী হয়, তারে ধরে নিয়ে যাবে...কেন মেরে ফেলা হলো তাকে? সাথে সাথে কেন মেরে ফেলা হলো? আমাদের কেন খবর দেওয়া হলো না—আপনার হাসবেন্ড অপরাধী, তাকে ধরেছি...আসেন। তারা পরিকল্পতিভাবে গুম করে তাকে হত্যা করেছে।’
শামসুজ্জামান ডাবলুর মেয়ে বাবার হত্যার বিচারের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘কেন আমার আব্বুকে মারা হলো? কী অপরাধ ছিল আমার আব্বুর?’
চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএর সভাপতি এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘ইতিমধ্যে অ্যাক্টিং জিওসি ব্রিগেডিয়ার ওসমানীর সঙ্গে কথা হয়েছে। উনি বলেছেন, আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ বিচার করা হবে। আমরা আইন অনুযাযী সব ব্যবস্থা নেব।’
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি এবং আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি এ রকম একটি ঘটনাতে একজন মানুষের, একজন নেতার মৃত্যু হয়েছে। আপনারা একটু ধৈর্য ধারণ করুন, আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সবকিছু হবে। আমাদের বাহিনীর পক্ষ থেকে এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ যে ব্যবস্থা নেওয়ার, সেটা আমরা নেব।’
চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘ওনার মৃত্যুটা যদি হত্যাকাণ্ড হয়, তাহলে তদন্ত করে কঠোর বিচার হবে। তদন্তে যদি প্রমাণ হয় এটা হত্যা, কেউ রেহাই পাবে না। গতকাল রাত থেকে আজ সকাল পর্যন্ত প্রশাসনের সর্বোচ্চ মহলের সঙ্গে কথা হয়েছে... এবং তারা বলেছে, তদন্ত করে যদি জানা যায় এটা হত্যাকাণ্ড, আইনগত সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘এখন আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করতে চাই, বিচারের যে প্রক্রিয়া, বিচার করতে হলে প্রথমে সুরতহাল এবং ময়নাতদন্ত করতে হবে। এ বিষয়ে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।’

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনাবাহিনীর অভিযান চলাকালে মারা যাওয়া বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫২) ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। কেননা তাঁর পরিবার ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, অভিযান চালানো সেনাসদস্যদের নির্যাতনে মারা গেছেন ডাবলু।
এ বিষয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বলেছে, ইতিমধ্যে ওই ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার ও অভিযানে অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের সেনানিবাসে প্রত্যাহার এবং সঠিক কারণ উদ্ঘাটনের উদ্দেশ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার সকালে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল আমীনের উপস্থিতিতে জীবননগর থানার পুলিশ শামসুজ্জামান ডাবলুর মরদেহের সুরতহাল করে।
বেলা ১১টার দিকে আবার ঘটনাস্থলে আসেন জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও সাধারণ সম্পাদক, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ। পরে তাঁরা নেতা-কর্মীদের শান্ত করলে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ও চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বিচারের আশ্বাসে বেলা দেড়টার দিকে তাঁরা শামসুজ্জামান ডাবলুর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন।
শামসুজ্জামান ডাবলুর স্ত্রী জেসমিন আক্তার বলেন, ‘আমি আমার স্বামীর হত্যার বিচার চাই। তাকে পরিকল্পতিভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমার তিনটা মাসুম বাচ্চাকে এতিম করা হয়েছে। সঠিক বিচার চাই আমি, তারা কেন এভাবে হত্যা করল বিনা অপরাধে। যদি অপরাধী হয়, তারে ধরে নিয়ে যাবে...কেন মেরে ফেলা হলো তাকে? সাথে সাথে কেন মেরে ফেলা হলো? আমাদের কেন খবর দেওয়া হলো না—আপনার হাসবেন্ড অপরাধী, তাকে ধরেছি...আসেন। তারা পরিকল্পতিভাবে গুম করে তাকে হত্যা করেছে।’
শামসুজ্জামান ডাবলুর মেয়ে বাবার হত্যার বিচারের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘কেন আমার আব্বুকে মারা হলো? কী অপরাধ ছিল আমার আব্বুর?’
চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএর সভাপতি এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘ইতিমধ্যে অ্যাক্টিং জিওসি ব্রিগেডিয়ার ওসমানীর সঙ্গে কথা হয়েছে। উনি বলেছেন, আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ বিচার করা হবে। আমরা আইন অনুযাযী সব ব্যবস্থা নেব।’
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি এবং আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি এ রকম একটি ঘটনাতে একজন মানুষের, একজন নেতার মৃত্যু হয়েছে। আপনারা একটু ধৈর্য ধারণ করুন, আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সবকিছু হবে। আমাদের বাহিনীর পক্ষ থেকে এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ যে ব্যবস্থা নেওয়ার, সেটা আমরা নেব।’
চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘ওনার মৃত্যুটা যদি হত্যাকাণ্ড হয়, তাহলে তদন্ত করে কঠোর বিচার হবে। তদন্তে যদি প্রমাণ হয় এটা হত্যা, কেউ রেহাই পাবে না। গতকাল রাত থেকে আজ সকাল পর্যন্ত প্রশাসনের সর্বোচ্চ মহলের সঙ্গে কথা হয়েছে... এবং তারা বলেছে, তদন্ত করে যদি জানা যায় এটা হত্যাকাণ্ড, আইনগত সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘এখন আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করতে চাই, বিচারের যে প্রক্রিয়া, বিচার করতে হলে প্রথমে সুরতহাল এবং ময়নাতদন্ত করতে হবে। এ বিষয়ে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।’

দীর্ঘ এক দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে হাসি ফিরেছে সুমন-এনি দম্পতির ঘরে। আজ মঙ্গলবার একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ নবজাতককে নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তাঁরা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ওই প্রসূতি পাঁচ সন্তান জন্ম দেন। তার মধ্যে তিনজন মেয়ে ও দুজন ছেলে।
২২ মিনিট আগে
ট্রেড ইউনিয়নের নামে হয়রানি, খাদ্য মূল্যস্ফীতি, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের অভাব ও নিয়মবহির্ভূত স্ট্রিট ফুডের বিস্তারে দেশের রেস্তোরাঁ খাত আগে থেকেই সংকটে ছিল। নতুন করে যোগ হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চরম সংকট। বাড়তি দাম দিয়েও সময়মতো মিলছে না এলপিজি। এতে অনেক রেস্তোরাঁই বন্ধের পথে রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আলোচিত শিশু হৃদয় খান নিবিড় হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে ২১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে শরীয়তপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে
ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া খাদ্যগুদামে (এলএসডি) রেকর্ড ছাড়া অতিরিক্ত ৩ হাজার ৪৫০ কেজি চালের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। আজ মঙ্গলবার দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম এই অভিযান পরিচালনা করে। এতে নেতৃত্বে দেন ঠাকুরগাঁও সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আজমীর শরীফ।
১ ঘণ্টা আগে