
চট্টগ্রাম নগরীতে চীনের একটি জুতার কারখানায় অগ্নিকাণ্ড সাড়ে তিন ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আজ শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে বায়েজিদ বোস্তামি থানার টেক্সটাইল এলাকায় জুতার কারখানাটিতে আগুন লাগে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস।
বায়েজিদ বোস্তামি ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. কামরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ক্ষয়ক্ষতি তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে। ছয়তলার ওই কারখানার দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে ধারণা শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত।’
কারখানাটি চীনা বিনিয়োগকারীর মালিকানাধীন রং দা ইন্টারন্যাশনাল নামে প্রতিষ্ঠানটিতে ফুটসোল প্রস্তুত হয়। ছুটির দিন হওয়ায় কারখানার ভেতরে শ্রমিক-কর্মচারী কেউ ছিলেন না। এ জন্য হতাহতের কোনো সম্ভাবনা নেই।
ঘটনাস্থলে যাওয়া চট্টগ্রামের ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ হারুন পাশা বলেন, ‘বিকেল ৪টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে। তিনটি স্টেশন থেকে মোট ৯টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করে।’
তিনি বলেন, ‘কারখানায় ফুটসোল বানানো হয়। সেখানে প্রচুর দাহ্য পদার্থ আছে। এজন্য আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে খুব বেগ পেতে হয়।’

ঈদের আগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ৮ ঘণ্টায় এবং উত্তর সিটি করপোরেশন ১২ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছিল। তবে বাস্তবতা হলো, কোরবানির পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেও অপসারণে ব্যর্থ হয়েছে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন। এই কর্মযজ্ঞ নজরদারি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে প্রসব-পরবর্তী ওয়ার্ডের ছয় নবজাতকের মৃত্যুর সঠিক কারণ চার দিন পরও অজানা। তদন্ত কমিটির সংশ্লিষ্টদের ধারণা, বিশুদ্ধ বাতাস চলাচলের সুবিধাহীন কক্ষটিতে অক্সিজেনস্বল্পতায় এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। সেখানে স্প্লিট এসি রয়েছে, যা ইমারত নির্মাণ বিধিমালার লঙ্ঘন।
২ ঘণ্টা আগে
ঈদের ছুটির প্রভাব পড়েছে রাজশাহীর আমের বাজারে। গুটি আমের দাম কমতে কমতে ৭০০ টাকা মণে ঠেকেছে। গোপালভোগ আটকে আছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায়। তবে হিমসাগরের দাম বাড়তি। শুরুতেই এ আমের মণ ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের ছুটিতে আমের বাজার এলোমেলো হয়ে গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
‘ঈদের (ঈদুল আজহা) আগের দিন রাতে আমার স্ত্রী সাথী বেগম (২৭) এবং দেড় বছরের ছেলে সাফওয়ান ওরফে হাসেম ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা যায়। তখন দুই লাশ এবং জীবিত সন্তানকে নিয়ে আমাকে একাই রেললাইন পার হতে হয়েছে। কাঁধে ছিল স্ত্রীর এবং বুকে ছিল সন্তানের লাশ; অন্য হাতে ছিল আমার আরেক মেয়ে এবং শপিং ব্যাগ। কিন্তু আমাকে সাহা
৩ ঘণ্টা আগে