ইটভাটার জন্য মাটি কাটার ফলে সৃষ্ট গভীর গর্তে পড়ে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুরে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের পূর্ব ফটিকছড়ি গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো, হাবিবুর রহমানের ৯ বছর বয়সী কন্যা সাকি আক্তার এবং জাকির হোসেনের আট বছর বয়সী কন্যা সানজিদা আক্তার। তাঁরা দুজনই ভূজপুর আল মাহাদুল ইসলাম বালক-বালিকা মাদ্রাসার নূরানী বিভাগের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো ভোরে মাদ্রাসায় পড়তে গিয়েছিল তারা। ফেরার পথে খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত গভীর গর্তে পড়ে যায়। বিষয়টি দেখে পথচারীরা দ্রুত এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ইটভাটার জন্য অপরিকল্পিতভাবে মাটি কাটার ফলে সৃষ্ট গভীর গর্তগুলোতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তাঁরা দাবি করেন, ইটভাটার মালিকেরা নিয়মকানুন উপেক্ষা করে যত্রতত্র মাটি খনন করছেন, যার দায় তারা এড়াতে পারেন না।
ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো ইটভাটার মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে রংপুর শহরের মেডিকেল মোড় পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার সড়কে গড়ে উঠেছে অন্তত ১২টি অবৈধ ইজিবাইক ও সিএনজি স্ট্যান্ড। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক ক্রমেই সংকীর্ণ হয়ে পড়ছে, বাড়ছে যানজট, সেই সঙ্গে ঘটছে ছোট-বড় সড়ক দুর্ঘটনা।
৮ মিনিট আগে
রাজধানীতে মশা নিয়ন্ত্রণে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হলেও কমছে না তার উপদ্রব। প্রতিবছর বরাদ্দ বাড়লেও কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে না। ইতিমধ্যে মশা মারতে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা এবং প্রয়োগের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এ অবস্থায় মশা নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন।
১৮ মিনিট আগে
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে মালিক মিয়া (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
২০ মিনিট আগে
‘হঠাৎ করেই আমার মেয়ে ছটফট শুরু করল। নার্স এসে তড়িঘড়ি করে অক্সিজেন দিল। একটা ইনজেকশন দিল। বড় একটা স্যালাইনও লাগাল। তারপরই নাক-মুখ দিয়ে রক্ত এল। মেয়ে আমার দুনিয়া থেকে চলে গেল। আমরা আর কিছুই করতে পারলাম না।’ এসব কথা বলে মোবাইল ফোনেই কাঁদতে লাগলেন চামেলী খাতুন। আর কথা বলতে পারলেন না।
১ ঘণ্টা আগে