রাঙামাটি প্রতিনিধি

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, রাঙামাটির ঘটনা তদন্ত করতে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টিম গঠন করা হবে। পাহাড়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কোনোভাবে অবনতি হতে দেওয়া হবে না। ভবিষ্যতে কেউ পরিস্থিতি অবনতি করার চেষ্টা করলে তাদের হাত ভেঙে দেওয়া হবে। এই সহিংস ঘটনায় যারা জড়িত, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
আজ শনিবার দুপুরে রাঙামাটিতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা উপস্থিত ছিলেন। পাহাড়ের পরিস্থিতি শান্ত রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তাঁরা।
এর আগে আজ শনিবার দুপুরে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে রাঙামাটি আসেন তিন উপদেষ্টা। রাঙামাটিতে এসে রাঙামাটি সেনা রিজিয়নের সম্মেলনকক্ষে সভা করেন।
প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লে. জেনারেল আব্দুল আজিজ (অব.), পুলিশ মহাপরিদর্শক মাইনুল ইসলাম, বিজিবির মহাপরিচালক আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকি, এনএসআইর ডিজি আবু মোহাম্মদ সারোয়ার ফরিদ, চট্টগ্রাম ২৪ পদাতিক জিওসি মেজর জেনারেল মো. মাইনুর রহমান, রাঙামাটি সেনা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শওকত ওসমান, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মো. মোশারফ হোসেন খান, চাকমা সার্কেলের চিফ রাজা দেবাশীষ রায়, বিজিবি রাঙামাটি সেক্টর কমান্ডার লে. কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, জেএসএস কেন্দ্রীয় সহসভাপতি উষাতন তালুকদার, জেলা সভাপতি ডা. গঙ্গা মানিক চাকমা, সাধারণ সম্পাদক নগেন্দ্র চাকমা, বিএনপি জেলা সভাপতি দীপন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন, পাংখোয়া সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সাধারণ সম্পাদক রেম লিয়ানা পাংখোয়া, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের সভাপতি কাজী মুজিবুর রহমান, সিনিয়র আইনজীবী প্রতিম রায় পাম্পু, শিক্ষাবিদ নিরূপা দেওয়ান, জাতীয় পার্টির জেলা সভাপতি হারুন রশীদ মাতব্বর, রাঙামাটি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সুশীল প্রসাদ চাকমা, সিভিল সার্জন নুয়েন খীসা, ত্রিপুরা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি বিদ্যুৎ ত্রিপুরাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলন।
বৈঠক সূত্র জানা যায়, গতকাল শুক্রবারের সহিংস ঘটনার অবস্থা বর্ণনা করে বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতৃবৃন্দ বলেন, মূলত গুজব ছড়িয়ে রাঙামাটির পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা হয়। এ ঘটনায় বাইরে কোনো শক্তি কাজ করেছে। সভা সঞ্চালনা করেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মো. মোশারফ হোসেন খান।
বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা, পুলিশের মহাপরিদর্শক, রাঙামাটি সেনা রিজিয়ন কমান্ডার, চাকমা সার্কেল চিফ, সাংবাদিকদের পক্ষে সুশীল প্রসাদ চাকমা বক্তব্য দেন।
এদিকে গতকাল রাঙামাটি শহরের সহিংসতা ঘটনায় এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি পরিবেশ। বহাল রয়েছে ১৪৪ ধারা। বন্ধ রয়েছে দোকানপাট, গণপরিবহন ও নৌযান চলাচল। মাঠে রয়েছে পুলিশ বিজিবি ও সেনাবাহিনী। কোথাও কাউকে জড়ো হতে দিচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
গতকালের ঘটনায় শহরে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের কার্যালয়সহ, বনরুপা, দক্ষিণ কালিন্দপুর, বিজন সারণি, উত্তর কালিন্দপুর, হাসপাতাল এলাকাসহ একাধিক এলাকার অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। সাংবাদিকদের বাইকসহ শতাধিক যানবাহনে আগুন দেওয়াসহ ভাঙচুর চালানো হয়েছে। রাঙামাটি জেলা মহিলাবিষয়ক কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। ভাঙচুর করা হয় অফিসের যানবাহন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, রাঙামাটির ঘটনা তদন্ত করতে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টিম গঠন করা হবে। পাহাড়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কোনোভাবে অবনতি হতে দেওয়া হবে না। ভবিষ্যতে কেউ পরিস্থিতি অবনতি করার চেষ্টা করলে তাদের হাত ভেঙে দেওয়া হবে। এই সহিংস ঘটনায় যারা জড়িত, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
আজ শনিবার দুপুরে রাঙামাটিতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা উপস্থিত ছিলেন। পাহাড়ের পরিস্থিতি শান্ত রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তাঁরা।
এর আগে আজ শনিবার দুপুরে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে রাঙামাটি আসেন তিন উপদেষ্টা। রাঙামাটিতে এসে রাঙামাটি সেনা রিজিয়নের সম্মেলনকক্ষে সভা করেন।
প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লে. জেনারেল আব্দুল আজিজ (অব.), পুলিশ মহাপরিদর্শক মাইনুল ইসলাম, বিজিবির মহাপরিচালক আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকি, এনএসআইর ডিজি আবু মোহাম্মদ সারোয়ার ফরিদ, চট্টগ্রাম ২৪ পদাতিক জিওসি মেজর জেনারেল মো. মাইনুর রহমান, রাঙামাটি সেনা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শওকত ওসমান, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মো. মোশারফ হোসেন খান, চাকমা সার্কেলের চিফ রাজা দেবাশীষ রায়, বিজিবি রাঙামাটি সেক্টর কমান্ডার লে. কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, জেএসএস কেন্দ্রীয় সহসভাপতি উষাতন তালুকদার, জেলা সভাপতি ডা. গঙ্গা মানিক চাকমা, সাধারণ সম্পাদক নগেন্দ্র চাকমা, বিএনপি জেলা সভাপতি দীপন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন, পাংখোয়া সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সাধারণ সম্পাদক রেম লিয়ানা পাংখোয়া, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের সভাপতি কাজী মুজিবুর রহমান, সিনিয়র আইনজীবী প্রতিম রায় পাম্পু, শিক্ষাবিদ নিরূপা দেওয়ান, জাতীয় পার্টির জেলা সভাপতি হারুন রশীদ মাতব্বর, রাঙামাটি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সুশীল প্রসাদ চাকমা, সিভিল সার্জন নুয়েন খীসা, ত্রিপুরা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি বিদ্যুৎ ত্রিপুরাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলন।
বৈঠক সূত্র জানা যায়, গতকাল শুক্রবারের সহিংস ঘটনার অবস্থা বর্ণনা করে বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতৃবৃন্দ বলেন, মূলত গুজব ছড়িয়ে রাঙামাটির পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা হয়। এ ঘটনায় বাইরে কোনো শক্তি কাজ করেছে। সভা সঞ্চালনা করেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মো. মোশারফ হোসেন খান।
বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা, পুলিশের মহাপরিদর্শক, রাঙামাটি সেনা রিজিয়ন কমান্ডার, চাকমা সার্কেল চিফ, সাংবাদিকদের পক্ষে সুশীল প্রসাদ চাকমা বক্তব্য দেন।
এদিকে গতকাল রাঙামাটি শহরের সহিংসতা ঘটনায় এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি পরিবেশ। বহাল রয়েছে ১৪৪ ধারা। বন্ধ রয়েছে দোকানপাট, গণপরিবহন ও নৌযান চলাচল। মাঠে রয়েছে পুলিশ বিজিবি ও সেনাবাহিনী। কোথাও কাউকে জড়ো হতে দিচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
গতকালের ঘটনায় শহরে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের কার্যালয়সহ, বনরুপা, দক্ষিণ কালিন্দপুর, বিজন সারণি, উত্তর কালিন্দপুর, হাসপাতাল এলাকাসহ একাধিক এলাকার অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। সাংবাদিকদের বাইকসহ শতাধিক যানবাহনে আগুন দেওয়াসহ ভাঙচুর চালানো হয়েছে। রাঙামাটি জেলা মহিলাবিষয়ক কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। ভাঙচুর করা হয় অফিসের যানবাহন।

ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
২১ মিনিট আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব জটিলতায় এর আগে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শেরপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল করেন। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে ওই রায় এখনো অপেক্ষমাণ রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর গুলশান কালাচাঁদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে সাদিয়া রহমান মীম (২৭) নামের এক তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাদিয়া একটি পারলারে ও বারে কাজ করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
১ ঘণ্টা আগে