
সপ্তাহজুড়ে টানা বৃষ্টিপাতে রাঙামাটির কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা বেড়ে ১০৭ ফুট মিন সি লেভেলের কাছাকাছি পৌঁছেছে। পরিস্থিতি এভাবে অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় খোলা হতে পারে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের জলকপাট।
আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের (কপাবিকে) ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, এদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা ছিল ১০৬.৮৪ ফুট মিন সি লেভেল। আগের দিন শনিবার (২ আগস্ট) রাত ৮টায় এর উচ্চতা ছিল ১০৬.৪২ ফুট।
তিনি আরও জানান, ‘টানা বৃষ্টির কারণে দ্রুতই লেকে পানি বাড়ছে। কাপ্তাই লেকের ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট মিন সি লেভেল পর্যন্ত। যদি পানি ১০৮ ফুট অতিক্রম করে, তাহলে কেন্দ্রের ১৬টি জলকপাট পর্যায়ক্রমে খুলে দিয়ে কর্ণফুলী নদীতে পানি ছেড়ে দেওয়া হবে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সভার মাধ্যমে নিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে সাধারণ মানুষকে জানানো হবে।
এদিকে কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু রয়েছে বলে জানান প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান। তিনি বলেন, রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত পাঁচটি ইউনিট থেকে মোট ২১৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। তার মধ্যে ১ ও ২ নম্বর ইউনিটে প্রতিটিতে ৪৬ মেগাওয়াট করে মোট ৯২ মেগাওয়াট, ৩ নম্বর ইউনিটে ৪৭ মেগাওয়াট, ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিটে প্রতিটিতে ৪০ মেগাওয়াট করে মোট ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে।

একসময় ভাড়ায় গাড়ি চালাতেন রিয়াজুল ইসলাম। মাস শেষে যা আয় হতো, তা দিয়েই চলত সংসার। কিন্তু মাত্র আট মাসে বদলে গেছে তাঁর জীবনের হিসাব-নিকাশ। এখন তিনি দুটি গাড়ির মালিক, ব্যাংকে রয়েছে মোটা অঙ্কের আমানত, কোটি টাকার ব্যবসায়িক মূলধন। সব মিলিয়ে প্রায় দুই কোটির সম্পদের ঘোষণা দিয়েছেন আয়কর নথিতে।
২৯ মিনিট আগে
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার কাশাদহ সেচ প্রকল্প চালুর সময় ২০টি পাম্প ছিল। ধীরে ধীরে কমে তিনটিতে নেমেছে। বর্তমানে সেই সংকটের সঙ্গে যোগ হয়েছে প্রকল্প এলাকায় যমুনা নদীতে বিশাল চর জেগে ওঠা। এতে পানি না পাওয়ায় সেচ প্রকল্প বন্ধের উপক্রম হয়েছে। বোরো আবাদ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন সেচ প্রকল্পের...
১ ঘণ্টা আগে
আসছে ঈদ। কিন্তু হাতে নেই টাকাপয়সা। অনেকে আবার ঋণের ভারে জর্জরিত। এই অবস্থায় জীবিকার তাগিদে এখন নিজ জেলা ছেড়ে আশপাশের এলাকায় ছুটছেন গাইবান্ধার শ্রমিকেরা। স্থানীয়রা বলছেন, কৃষিনির্ভর এই জেলায় নেই তেমন কলকারখানা। তাই এ জেলার মানুষের কর্মসংস্থানের অভাব।
১ ঘণ্টা আগে
একটা সময় ছিল, যখন ‘লিটল ম্যাগাজিন’ নামে পরিচিত ছোট কাগজের হাত ধরে বেড়ে উঠত কবি, সাহিত্যিকদের একটা বড় অংশ; বিশেষ করে প্রথা ও প্রতিষ্ঠানবিরোধী তরুণদের আগ্রহের জায়গা ছিল লিটল ম্যাগাজিন। একুশের বইমেলায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণের ‘বহেড়াতলা’ আর ছোট কাগজ হয়ে উঠেছিল প্রায় সমার্থক।
১ ঘণ্টা আগে