নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে বিদ্যালয় ভবনের উদ্বোধনের সময় আগে-পেছনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১২ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়ে পুলিশ।
আজ রোববার বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জহির উদ্দিন স্বপন রয়েছেন। আহতদের অন্যান্যদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে জনতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুতলা নতুন ভবন উদ্বোধন করার জন্য বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আসেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম। ভবনের নেমপ্লেটের ফিতা কেটে উদ্বোধনের সময় সামনে দাঁড়ান এমপি এইচ এম ইব্রাহিম। এ সময় এমপির পাশে সামনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্রে করে উপস্থিত আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়।
উদ্বোধনের পর পুনরায় উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া এবং দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয় পক্ষ একে অপরকে মারধর ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে পুলিশ সদস্য ও তাঁদের গাড়িতেও হামলা চালান সংঘর্ষকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শটগানের গুলি ছুড়লে তাঁরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
চাটখিল উপজেলা আওয়ামী লীগ সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এমপি সাহেবের নির্দেশে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গসংগঠনের সকল নেতা-কর্মী অনুষ্ঠানস্থলে আসে। উদ্বোধনের সময় সামনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্রে করে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বাহালুল নেতা-কর্মীদের ধাক্কাতে শুরু করেন। বিষয়টি নজরে আসলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তাকে এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে লোকজন নিয়ে সভাপতির ওপর হামলা চালান চেয়ারম্যান। পরবর্তীতে আমরা সভাপতিসহ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে গিয়ে অবস্থান করলে পুনরায় ওখানে গিয়েও হামলা চালান বাহালুল চেয়ারম্যান। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলে তারা ওসিসহ পুলিশের ওপরও হামলা চালান। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
এ বিষয়ে জানতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বাহালুলের ব্যবহৃত ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ১২ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়েছে। সংঘর্ষে আমাদের তিন পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া ও হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে।’

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে বিদ্যালয় ভবনের উদ্বোধনের সময় আগে-পেছনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১২ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়ে পুলিশ।
আজ রোববার বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জহির উদ্দিন স্বপন রয়েছেন। আহতদের অন্যান্যদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে জনতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুতলা নতুন ভবন উদ্বোধন করার জন্য বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আসেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম। ভবনের নেমপ্লেটের ফিতা কেটে উদ্বোধনের সময় সামনে দাঁড়ান এমপি এইচ এম ইব্রাহিম। এ সময় এমপির পাশে সামনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্রে করে উপস্থিত আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়।
উদ্বোধনের পর পুনরায় উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া এবং দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয় পক্ষ একে অপরকে মারধর ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে পুলিশ সদস্য ও তাঁদের গাড়িতেও হামলা চালান সংঘর্ষকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শটগানের গুলি ছুড়লে তাঁরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
চাটখিল উপজেলা আওয়ামী লীগ সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এমপি সাহেবের নির্দেশে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গসংগঠনের সকল নেতা-কর্মী অনুষ্ঠানস্থলে আসে। উদ্বোধনের সময় সামনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্রে করে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বাহালুল নেতা-কর্মীদের ধাক্কাতে শুরু করেন। বিষয়টি নজরে আসলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তাকে এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে লোকজন নিয়ে সভাপতির ওপর হামলা চালান চেয়ারম্যান। পরবর্তীতে আমরা সভাপতিসহ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে গিয়ে অবস্থান করলে পুনরায় ওখানে গিয়েও হামলা চালান বাহালুল চেয়ারম্যান। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলে তারা ওসিসহ পুলিশের ওপরও হামলা চালান। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
এ বিষয়ে জানতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বাহালুলের ব্যবহৃত ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ১২ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়েছে। সংঘর্ষে আমাদের তিন পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া ও হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে