চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে প্রত্যাহার করেছেন ২০ জন। তাঁদের মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে ১১ ও হল সংসদে ৯ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। এ ছাড়া তথ্যগত ভুলসহ বিভিন্ন কারণে ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।
বুধবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. এ কে এম আরিফুল হক সিদ্দিকী।
মনোনয়ন প্রত্যাহারকারীদের মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) ; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ; খেলাধুলা ও ক্রীড়া সম্পাদক; আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক; গবেষণা ও উদ্ভাবনবিষয়ক সম্পাদক; সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক; সহসাহিত্য সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে একজন করে মোট সাতজন এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক পদে দুজন, যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক পদে দুজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
এ ছাড়া হল সংসদে আলাওল হল থেকে ভিপি; শিল্পী রশিদ চৌধুরী হোস্টেল থেকে এজিএস; অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান হলের নির্বাহী সদস্য; বিজয়-২৪ হলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক; দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হলের সমাজ, পরিবেশ ও মানবাধিকার সম্পাদক; শহীদ ফরহাদ হোসেন হলের ভিপি প্রার্থী এবং সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক; শাহজালাল হলে এজিএস এবং বিজ্ঞান, গবেষণা ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক পদগুলোয় একজন করে মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
অন্যদিকে তথ্যগত ভুলসহ অন্যান্য কিছু ভুলের কারণে ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদে লড়াই করতে ৪২৯ জন ও হল সংসদ থেকে ৫০২ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। সেই হিসাবে এখন কেন্দ্রীয় সংসদ থেকে নির্বাচন করতে প্রার্থী হচ্ছেন ৪১৪ ও হল সংসদে ৪৯৩ জন।
এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. এ কে এম আরিফুল হক সিদ্দিকী বলেন, ‘ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে আমাদের কাছে ২০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এ ছাড়া তথ্যগত ভুল থাকায় চার প্রার্থীর চূড়ান্ত মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।’
এ কে এম আরিফুল হক সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘নির্বাচনে অংশ নিতে প্রার্থীরা যে ডোপ টেস্টের নমুনা দিয়েছেন, তার ফল এখনো আমাদের কাছে আসেনি। দ্রুতই আমরা সেগুলো হাতে পাব। যদি কারও পজিটিভ আসে, তাহলে চূড়ান্ত তালিকা থেকে তাঁদের প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।’
উল্লেখ্য, চাকসু নির্বাচনে ভোটার মোট ২৭ হাজার ৬৩৪ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ১৬ হাজার ৮৪ জন ও নারী ১১ হাজার ৩২৯ জন। আগে ১২ অক্টোবর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও প্রচারের সময় কম পাওয়ায় প্রার্থীদের অনুরোধে ৩ দিন পিছিয়ে ১৫ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে প্রত্যাহার করেছেন ২০ জন। তাঁদের মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে ১১ ও হল সংসদে ৯ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। এ ছাড়া তথ্যগত ভুলসহ বিভিন্ন কারণে ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।
বুধবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. এ কে এম আরিফুল হক সিদ্দিকী।
মনোনয়ন প্রত্যাহারকারীদের মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) ; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ; খেলাধুলা ও ক্রীড়া সম্পাদক; আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক; গবেষণা ও উদ্ভাবনবিষয়ক সম্পাদক; সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক; সহসাহিত্য সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে একজন করে মোট সাতজন এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক পদে দুজন, যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক পদে দুজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
এ ছাড়া হল সংসদে আলাওল হল থেকে ভিপি; শিল্পী রশিদ চৌধুরী হোস্টেল থেকে এজিএস; অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান হলের নির্বাহী সদস্য; বিজয়-২৪ হলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক; দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হলের সমাজ, পরিবেশ ও মানবাধিকার সম্পাদক; শহীদ ফরহাদ হোসেন হলের ভিপি প্রার্থী এবং সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক; শাহজালাল হলে এজিএস এবং বিজ্ঞান, গবেষণা ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক পদগুলোয় একজন করে মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
অন্যদিকে তথ্যগত ভুলসহ অন্যান্য কিছু ভুলের কারণে ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদে লড়াই করতে ৪২৯ জন ও হল সংসদ থেকে ৫০২ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। সেই হিসাবে এখন কেন্দ্রীয় সংসদ থেকে নির্বাচন করতে প্রার্থী হচ্ছেন ৪১৪ ও হল সংসদে ৪৯৩ জন।
এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. এ কে এম আরিফুল হক সিদ্দিকী বলেন, ‘ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে আমাদের কাছে ২০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এ ছাড়া তথ্যগত ভুল থাকায় চার প্রার্থীর চূড়ান্ত মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।’
এ কে এম আরিফুল হক সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘নির্বাচনে অংশ নিতে প্রার্থীরা যে ডোপ টেস্টের নমুনা দিয়েছেন, তার ফল এখনো আমাদের কাছে আসেনি। দ্রুতই আমরা সেগুলো হাতে পাব। যদি কারও পজিটিভ আসে, তাহলে চূড়ান্ত তালিকা থেকে তাঁদের প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।’
উল্লেখ্য, চাকসু নির্বাচনে ভোটার মোট ২৭ হাজার ৬৩৪ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ১৬ হাজার ৮৪ জন ও নারী ১১ হাজার ৩২৯ জন। আগে ১২ অক্টোবর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও প্রচারের সময় কম পাওয়ায় প্রার্থীদের অনুরোধে ৩ দিন পিছিয়ে ১৫ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রতীক বরাদ্দের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোটের প্রচার করায় রাজশাহী-২ (সদর) আসনের এবি পার্টির প্রার্থী মু. সাঈদ নোমানকে আদালতে তলব করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। রোববার (১৮ জানুয়ারি) তাঁকে সশরীর আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
৪২ মিনিট আগে
‘আমি যদি ভোট পাওয়ার মতো কাজ করে থাকি, তাহলে আওয়ামী লীগের সমর্থকেরাও আমাকে ভোট দেবেন। এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত, আওয়ামী লীগের সমর্থকদের শতভাগ ভোট পাব।’ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা বিএনপির আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় স্মরণসভা ও দোয়ার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডাকসুর...
১ ঘণ্টা আগে
রিয়াজ মোল্লা জানান, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন একটি প্রয়োজনীয় কাগজ সময়মতো জমা না দেওয়ায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি। এই কারণে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্টের আদেশের ভিত্তিতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শাহ শহীদ সারোয়ার। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর ঘটনায় বিস্ফোরক মামলায় বর্তমানে কারাগারে আছেন তিনি। কারাগারে বসে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বৈধ হওয়ায়...
২ ঘণ্টা আগে