সারা দেশে শাটডাউনের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় সড়ক অবরোধ করার সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বাকলিয়ার নতুন ব্রিজ এলাকায় ৪০০-৫০০ কোটা আন্দোলনকারী অবস্থান নেন। একপর্যায়ে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। এ সময় শিক্ষার্থীরা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছোড়েন। ৩০ মিনিট চলা এই সংঘর্ষের পর ছাত্ররা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। এই ঘটনায় কয়েকজন ছাত্র আহত হন।
ঘটনাস্থলে রয়েছেন আজকের পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার আব্দুল কাইয়ুম। তিনি বলেন, মোবাইল ইন্টারনেট কাজ করছে না। নতুন ব্রিজ এলাকায় প্রচুর বিজিবি ও পুলিশ ছিল। আন্দোলনকারীরা সড়ক অবরোধ করলে পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ডগ্রেনেড ছোড়েন। সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত অবরোধ করে রাখা হয়। ৩০ মিনিট সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় পুলিশ। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। এখন কোনো আন্দোলনকারী নেই।
শফিকুল হাসান নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘সরকার এখন আন্দোলনকারীদের ছাত্রদল-শিবির বানাতে ব্যস্ত। এগুলো পুরোনো নাটক। আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব।’
এ বিষয়ে পুলিশের বাকলিয়া জোনের ডিসি মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাড়া দেননি।

বর্ষা এলেই মৌলভীবাজারের টিলা-পাহাড়ঘেরা জনপদে নেমে আসে আতঙ্ক। তবু ঝুঁকি নিয়ে এসব স্থানে বসবাস করছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত চার বছরে টিলাধসে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোর নিরাপদ পুনর্বাসনে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
২৫ মিনিট আগে
গর্ভাবস্থার শুরু থেকে ঠাকুরগাঁও মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছিলেন রাশেদা আক্তার। চিকিৎসকদের আশ্বাস আর সাশ্রয়ী খরচের কথা ভেবে আশা করেছিলেন, সরকারি এ প্রতিষ্ঠানেই নিরাপদে জন্ম নেবে তাঁর সন্তান। কিন্তু প্রসববেদনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার তিনি হাসপাতালে পৌঁছার পর আশাহত হন।
১ ঘণ্টা আগে
মাগুরার শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় গুরুতর আহত আমিরুল মোল্যা (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের সোয়া শতডাঙ্গা গ্রামে অন্তত ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
পাবনা শহরে রয়েছে অসংখ্য পুকুর, দিঘি ও প্রাকৃতিক জলাধার। একসময় এসব জলাধার ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস, ভূগর্ভস্থ পানির ভারসাম্য রক্ষার কার্যকর মাধ্যম এবং নগরীর সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন। কিন্তু দখল, দূষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব জলাধার হারিয়ে যাওয়ার পথে।
১ ঘণ্টা আগে