নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম নগরে আধিপত্য বিস্তারের জেরে খুনের ঘটনায় বিএনপির তিন অঙ্গসংগঠনের তিন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত নেতারা হলেন নগরের পাঁচলাইশ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সবুজ, তাঁর ভাই নগর ছাত্রদলের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এবং কৃষক দল নগর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলম। আজ রোববার তাঁদের বহিষ্কার করা হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দপ্তরের দায়িত্বে থাকা ইদ্রিস আলী এই তিন নেতাকে নিজ নিজ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি বহিষ্কার করে বলে নিশ্চিত করেছেন।
ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাইফুল ইসলাম ওরফে বার্মাইয়া সাইফুলকে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে দলের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের তাঁর সঙ্গে কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কৃষক দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলমকে বহিষ্কার করা হয়।
মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহদপ্তর সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে পাঁচলাইশ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সবুজকে বহিষ্কার করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একাধিক নেতা আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিএনপির দুটি গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে ওই যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষেতি কেন্দ্রীয় কমিটি দল থেকে তাঁদের বহিষ্কার করে।
বায়েজিদ বোস্তামি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, বায়েজিদে শান্তিনগর ও মোহাম্মদনগর কলোনি এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মূলত বার্মা কলোনির সবুজ ও ইলিয়াছ গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ইলিয়াছ শান্তিনগর ও মোহাম্মদপুর কলোনি এলাকার বৈধ-অবৈধ বিভিন্ন ব্যবসা দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন। তাঁর কাছ থেকে এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে বার্মাইয়া কলোনির সবুজ গ্রুপ এই সংঘর্ষে জড়ায়।
গত শুক্রবার রাতে ওই সংঘর্ষের সময় ইমন নামের এক যুবককে ইলিয়াছ গ্রুপের লোকজন আটকে রেখে মারধর করে। পুলিশ খবর পেয়ে সেখান থেকে ইমনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
বিএনপি ও স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, সংঘর্ষে জড়ানো বার্মা কলোনির সবুজ হলেন সাবেক ছাত্রদল নেতা ও বায়েজিদে ত্রাস হিসেবে পরিচিত বার্মাইয়া সাইফুলের ভাই। ঘটনার দিন সবুজ প্রতিপক্ষ গ্রুপের ইলিয়াছের লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছিল।
ইলিয়াস তাৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় স্থানীয় কাউন্সিলর ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোবারক আলীর মদদে বায়েজিদে মোহাম্মদপুর ও শান্তিনগর কলোনি নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বর্তমানে ইলিয়াছকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করছেন কৃষক দলের মহানগর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলম। তাঁর কাছ থেকে এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছেন বার্মা কলোনির সবুজ।
বার্মাইয়া সাইফুলের নেতৃত্বে তাঁর ভাই সবুজ এলাকায় চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত। সাইফুলের বিরুদ্ধেও একাধিক চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি সাইফুলের বিরুদ্ধে দলবল নিয়ে বায়েজিদে শাহজাহান নামের এক ব্যবসায়ীর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে তাঁকে পিটিয়ে আহত করার পাশাপাশি ২০ লাখ টাকা লুট নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ওই ব্যবসায়ী আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বায়েজিদ থানা-পুলিশের একজন সোর্স হিসেবে কাজ করতেন।
২০২১ সালের ১৭ জুন পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও ১৮ মামলার আসামি সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে কথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় সাইফুল ইসলামের পায়ে গুলি লাগে। একটি পা হারিয়ে তখন থেকে তিনি ভালোভাবে চলাফেরা করতে পারেন না।
এদিকে এই ঘটনায় মো. দেলোয়ার নামের (২৫) একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে নগরের হিল ভিউ এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে নগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। তিনি বায়েজিদ থানার বার্মা কলোনির বাসিন্দা।
এর আগে গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর বায়েজিদ এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় মোহাম্মদ ইমন (২৮) নামের এক যুবক আহত হন। পরে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় গতকাল বায়েজিদ থানা-পুলিশ বাদী হয়ে ৬০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৩০-৪০ জনকে আসামি করে মামলা করে। গ্রেপ্তার দেলোয়ার মামলার ২১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।

চট্টগ্রাম নগরে আধিপত্য বিস্তারের জেরে খুনের ঘটনায় বিএনপির তিন অঙ্গসংগঠনের তিন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত নেতারা হলেন নগরের পাঁচলাইশ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সবুজ, তাঁর ভাই নগর ছাত্রদলের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এবং কৃষক দল নগর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলম। আজ রোববার তাঁদের বহিষ্কার করা হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দপ্তরের দায়িত্বে থাকা ইদ্রিস আলী এই তিন নেতাকে নিজ নিজ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি বহিষ্কার করে বলে নিশ্চিত করেছেন।
ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাইফুল ইসলাম ওরফে বার্মাইয়া সাইফুলকে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে দলের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের তাঁর সঙ্গে কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কৃষক দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলমকে বহিষ্কার করা হয়।
মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহদপ্তর সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে পাঁচলাইশ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সবুজকে বহিষ্কার করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একাধিক নেতা আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিএনপির দুটি গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে ওই যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষেতি কেন্দ্রীয় কমিটি দল থেকে তাঁদের বহিষ্কার করে।
বায়েজিদ বোস্তামি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, বায়েজিদে শান্তিনগর ও মোহাম্মদনগর কলোনি এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মূলত বার্মা কলোনির সবুজ ও ইলিয়াছ গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ইলিয়াছ শান্তিনগর ও মোহাম্মদপুর কলোনি এলাকার বৈধ-অবৈধ বিভিন্ন ব্যবসা দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন। তাঁর কাছ থেকে এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে বার্মাইয়া কলোনির সবুজ গ্রুপ এই সংঘর্ষে জড়ায়।
গত শুক্রবার রাতে ওই সংঘর্ষের সময় ইমন নামের এক যুবককে ইলিয়াছ গ্রুপের লোকজন আটকে রেখে মারধর করে। পুলিশ খবর পেয়ে সেখান থেকে ইমনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
বিএনপি ও স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, সংঘর্ষে জড়ানো বার্মা কলোনির সবুজ হলেন সাবেক ছাত্রদল নেতা ও বায়েজিদে ত্রাস হিসেবে পরিচিত বার্মাইয়া সাইফুলের ভাই। ঘটনার দিন সবুজ প্রতিপক্ষ গ্রুপের ইলিয়াছের লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছিল।
ইলিয়াস তাৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় স্থানীয় কাউন্সিলর ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোবারক আলীর মদদে বায়েজিদে মোহাম্মদপুর ও শান্তিনগর কলোনি নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বর্তমানে ইলিয়াছকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করছেন কৃষক দলের মহানগর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলম। তাঁর কাছ থেকে এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছেন বার্মা কলোনির সবুজ।
বার্মাইয়া সাইফুলের নেতৃত্বে তাঁর ভাই সবুজ এলাকায় চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত। সাইফুলের বিরুদ্ধেও একাধিক চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি সাইফুলের বিরুদ্ধে দলবল নিয়ে বায়েজিদে শাহজাহান নামের এক ব্যবসায়ীর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে তাঁকে পিটিয়ে আহত করার পাশাপাশি ২০ লাখ টাকা লুট নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ওই ব্যবসায়ী আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বায়েজিদ থানা-পুলিশের একজন সোর্স হিসেবে কাজ করতেন।
২০২১ সালের ১৭ জুন পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও ১৮ মামলার আসামি সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে কথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় সাইফুল ইসলামের পায়ে গুলি লাগে। একটি পা হারিয়ে তখন থেকে তিনি ভালোভাবে চলাফেরা করতে পারেন না।
এদিকে এই ঘটনায় মো. দেলোয়ার নামের (২৫) একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে নগরের হিল ভিউ এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে নগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। তিনি বায়েজিদ থানার বার্মা কলোনির বাসিন্দা।
এর আগে গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর বায়েজিদ এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় মোহাম্মদ ইমন (২৮) নামের এক যুবক আহত হন। পরে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় গতকাল বায়েজিদ থানা-পুলিশ বাদী হয়ে ৬০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৩০-৪০ জনকে আসামি করে মামলা করে। গ্রেপ্তার দেলোয়ার মামলার ২১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে