নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের হালিশহরে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র মো. সাব্বির (১৮) নিহতের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (২২ মে) রাতে নগরের হালিশহর থানার সামনে এই বিক্ষোভ হয়। এ সময় সাব্বির হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয় স্থানীয়রা।
হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ছুরিকাঘাতের ঘটনায় একটি গ্রুপের ২০-২৫ জন অংশ নিয়েছিল। এদের মধ্যে শুক্রবার পর্যন্ত চারজন গ্রেপ্তার আছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার একজন আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানান ওসি।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১৬ মে নয়াবাজার বিশ্বরোড এলাকায় সাব্বিরকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ ওঠে স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে। পরে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার (২১ মে) বিকেলে মারা যায় হালিশহর আইডিয়াল টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সাব্বির। সে নয়াবাজার আমিন কন্ট্রাক্টর রোড এলাকার বাসিন্দা মো. ইসহাক কন্ট্রাক্টরের একমাত্র সন্তান ছিল।
নিহতের পরিবার বলেছে, মৃত্যুর আগে সাব্বির হামলাকারী কয়েকজনের নাম-পরিচয় জানিয়েছিল। ঘটনার পর সাব্বিরের বাবা মো. ইছহাক সাংবাদিকদের বলেছিলেন, মসজিদ থেকে জুমার নামাজ পড়ে বের হওয়ার পর আবিদ নামে এক ছেলে টিকটক করার কথা বলে তাঁর ছেলে সাব্বিরকে নয়াবাজার বিশ্বরোডে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে পিসি পার্ক কমিউনিটি সেন্টার গলিতে যাওয়ার পর তাকে মারধর শুরু করে। মৃত্যুর আগে সাব্বির বলেছিল, তাকে নিয়ে যাওয়ার পর চায়নিজ কুড়াল দিয়ে কোপ দেয় বিজয় নামে এক ছেলে। এরপর আবিদ, আতাউর ও রাফসান তাঁকে ছুরিকাঘাত করে। মারধরের সময় সাব্বির বাঁচার জন্য তাদের পায়েও ধরেছিল কিন্তু তারা ছাড় দেয়নি।

চট্টগ্রামের হালিশহরে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র মো. সাব্বির (১৮) নিহতের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (২২ মে) রাতে নগরের হালিশহর থানার সামনে এই বিক্ষোভ হয়। এ সময় সাব্বির হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয় স্থানীয়রা।
হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ছুরিকাঘাতের ঘটনায় একটি গ্রুপের ২০-২৫ জন অংশ নিয়েছিল। এদের মধ্যে শুক্রবার পর্যন্ত চারজন গ্রেপ্তার আছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার একজন আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানান ওসি।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১৬ মে নয়াবাজার বিশ্বরোড এলাকায় সাব্বিরকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ ওঠে স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে। পরে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার (২১ মে) বিকেলে মারা যায় হালিশহর আইডিয়াল টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সাব্বির। সে নয়াবাজার আমিন কন্ট্রাক্টর রোড এলাকার বাসিন্দা মো. ইসহাক কন্ট্রাক্টরের একমাত্র সন্তান ছিল।
নিহতের পরিবার বলেছে, মৃত্যুর আগে সাব্বির হামলাকারী কয়েকজনের নাম-পরিচয় জানিয়েছিল। ঘটনার পর সাব্বিরের বাবা মো. ইছহাক সাংবাদিকদের বলেছিলেন, মসজিদ থেকে জুমার নামাজ পড়ে বের হওয়ার পর আবিদ নামে এক ছেলে টিকটক করার কথা বলে তাঁর ছেলে সাব্বিরকে নয়াবাজার বিশ্বরোডে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে পিসি পার্ক কমিউনিটি সেন্টার গলিতে যাওয়ার পর তাকে মারধর শুরু করে। মৃত্যুর আগে সাব্বির বলেছিল, তাকে নিয়ে যাওয়ার পর চায়নিজ কুড়াল দিয়ে কোপ দেয় বিজয় নামে এক ছেলে। এরপর আবিদ, আতাউর ও রাফসান তাঁকে ছুরিকাঘাত করে। মারধরের সময় সাব্বির বাঁচার জন্য তাদের পায়েও ধরেছিল কিন্তু তারা ছাড় দেয়নি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে