কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

জাটকা সংরক্ষণের ভর্তুকি হিসেবে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার সাহেবেরহাট ইউনিয়নে ১ হাজার ৮০০ কার্ডধারী জেলের মধ্যে ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ইউপি সদস্যরা জেলেপ্রতি আড়াই থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
জেলেরা বলছেন, চাল দিতে ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য মো. হেলাল এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম ওই টাকা তুলেছেন।
এদিকে আজ শুক্রবার সকালে চাল দিতে গেলে বঞ্চিত জেলেরা বিক্ষোভ শুরু করেন। ওই সময় ওই ইউনিয়নের প্রশাসক উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম পালিয়ে যান। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাহাতুজ জামান, উপজেলা সেনাবাহিনীর কর্মরত টিম এবং থানা-পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার সাহেবেরহাট ইউনিয়নে ২ হাজার ৩১৮ জন কার্ডধারী জেলে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১ হাজার ৮০০ জেলের জন্য জনপ্রতি ৮০ কেজি হিসাবে ১৪৪ টন চাল বরাদ্দ দেয় সরকার। ইউপি সদস্যরা জেলেদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। কিন্তু টাকা নিয়ে প্রকৃত জেলে নয়, এমন লোকদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করায় ক্ষোভ শুরু হয়।
চাল নিতে আসা বেশ কিছু কার্ডধারী স্বীকার করেন, বর্তমানে তাঁরা এ পেশায় নেই; কিন্তু টাকার বিনিময়ে চাল পাচ্ছেন।
ওই ইউনিয়নের ছিদ্দিক উল্লাহ, মাকছুদ, রহিম মাঝি, দেলওয়ার হোসেন ও মোকতার জানান, টাকার বিনিময়ে কৃষক, রিকশাচালক জেলে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। যাঁরা টাকা দেননি, তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এসব অপকর্মের মূল হোতা কাশেম মেম্বার ও হেলাল মেম্বার।
উপকূলীয় মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি রুহুল আমিন মাঝি বলেন, এ সমিতির ৮০ জন জেলে নিয়মিত নদীতে মাছ ধরেন। সরকারের নিষেধাজ্ঞা মেনে তাঁরা এখন নদীতে নামছেন না। কিন্তু তাঁরা কেউ চাল পাননি। যাঁরা মোটা অঙ্কের টাকা দিয়েছেন, তাঁরা চাল পেয়েছেন।
জেলেদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও উপজেলা যুবদলের সদস্য মো. হেলাল মেম্বার কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
সাহেবেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘চাল বিতরণ শুরু করলে হঠাৎ জেলেরা বিক্ষোভ শুরু করে পরিষদের দিকে আসছিলেন। পরে নিরাপত্তার স্বার্থে আমি সরে গিয়েছি।’
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তূর্য সাহা বলেন, জেলেদের তালিকা তৈরিতে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তিনি জানেন না।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রহাতুজ জামান বলেন, ‘২ হাজার ৩১৮ জেলের বিপরীতে আমরা ওই ইউনিয়নে ১ হাজার ৮০০ জেলের মধ্যে চাল বিতরণ করছি। কিন্তু যাঁরা পাননি, তাঁদের মধ্যে একটু তো ক্ষোভ থাকবেই। জেলেদের তালিকা তৈরিতে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে খোঁজ নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে জাটকা সংরক্ষণে মার্চ-এপ্রিল চাঁদপুরের ষাটনল থেকে রামগতির আলেকজান্ডার এলাকা পর্যন্ত মেঘনা নদীর ১০০ কিলোমিটার এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। নদীতে জেলেরা যাতে না নামে, সে জন্য এ দুই মাস তাঁদের সহায়তার জন্য ৮০ কেজি করে ভিজিএফ চালের বরাদ্দ দেওয়া হয়।

জাটকা সংরক্ষণের ভর্তুকি হিসেবে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার সাহেবেরহাট ইউনিয়নে ১ হাজার ৮০০ কার্ডধারী জেলের মধ্যে ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ইউপি সদস্যরা জেলেপ্রতি আড়াই থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
জেলেরা বলছেন, চাল দিতে ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য মো. হেলাল এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম ওই টাকা তুলেছেন।
এদিকে আজ শুক্রবার সকালে চাল দিতে গেলে বঞ্চিত জেলেরা বিক্ষোভ শুরু করেন। ওই সময় ওই ইউনিয়নের প্রশাসক উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম পালিয়ে যান। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাহাতুজ জামান, উপজেলা সেনাবাহিনীর কর্মরত টিম এবং থানা-পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার সাহেবেরহাট ইউনিয়নে ২ হাজার ৩১৮ জন কার্ডধারী জেলে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১ হাজার ৮০০ জেলের জন্য জনপ্রতি ৮০ কেজি হিসাবে ১৪৪ টন চাল বরাদ্দ দেয় সরকার। ইউপি সদস্যরা জেলেদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। কিন্তু টাকা নিয়ে প্রকৃত জেলে নয়, এমন লোকদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করায় ক্ষোভ শুরু হয়।
চাল নিতে আসা বেশ কিছু কার্ডধারী স্বীকার করেন, বর্তমানে তাঁরা এ পেশায় নেই; কিন্তু টাকার বিনিময়ে চাল পাচ্ছেন।
ওই ইউনিয়নের ছিদ্দিক উল্লাহ, মাকছুদ, রহিম মাঝি, দেলওয়ার হোসেন ও মোকতার জানান, টাকার বিনিময়ে কৃষক, রিকশাচালক জেলে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। যাঁরা টাকা দেননি, তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এসব অপকর্মের মূল হোতা কাশেম মেম্বার ও হেলাল মেম্বার।
উপকূলীয় মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি রুহুল আমিন মাঝি বলেন, এ সমিতির ৮০ জন জেলে নিয়মিত নদীতে মাছ ধরেন। সরকারের নিষেধাজ্ঞা মেনে তাঁরা এখন নদীতে নামছেন না। কিন্তু তাঁরা কেউ চাল পাননি। যাঁরা মোটা অঙ্কের টাকা দিয়েছেন, তাঁরা চাল পেয়েছেন।
জেলেদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও উপজেলা যুবদলের সদস্য মো. হেলাল মেম্বার কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
সাহেবেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘চাল বিতরণ শুরু করলে হঠাৎ জেলেরা বিক্ষোভ শুরু করে পরিষদের দিকে আসছিলেন। পরে নিরাপত্তার স্বার্থে আমি সরে গিয়েছি।’
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তূর্য সাহা বলেন, জেলেদের তালিকা তৈরিতে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তিনি জানেন না।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রহাতুজ জামান বলেন, ‘২ হাজার ৩১৮ জেলের বিপরীতে আমরা ওই ইউনিয়নে ১ হাজার ৮০০ জেলের মধ্যে চাল বিতরণ করছি। কিন্তু যাঁরা পাননি, তাঁদের মধ্যে একটু তো ক্ষোভ থাকবেই। জেলেদের তালিকা তৈরিতে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে খোঁজ নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে জাটকা সংরক্ষণে মার্চ-এপ্রিল চাঁদপুরের ষাটনল থেকে রামগতির আলেকজান্ডার এলাকা পর্যন্ত মেঘনা নদীর ১০০ কিলোমিটার এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। নদীতে জেলেরা যাতে না নামে, সে জন্য এ দুই মাস তাঁদের সহায়তার জন্য ৮০ কেজি করে ভিজিএফ চালের বরাদ্দ দেওয়া হয়।

তিন দিন ধরে রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে কুমির বিচরণ করতে দেখা গেছে। এতে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তীরবর্তী এলাকায় নদীতে কখনো সকালে, কখনো দুপুরে কুমির ভেসে উঠছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। হঠাৎ পদ্মায় কুমির বিচরণের খবর শুনে তা দেখতে নদীতীরে ভিড় করছে উৎসুক জনতা।
২ মিনিট আগে
দীর্ঘ এক দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে হাসি ফিরেছে সুমন-এনি দম্পতির ঘরে। আজ মঙ্গলবার একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ নবজাতককে নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তাঁরা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ওই প্রসূতি পাঁচ সন্তান জন্ম দেন। তার মধ্যে তিনজন মেয়ে ও দুজন ছেলে।
২৮ মিনিট আগে
ট্রেড ইউনিয়নের নামে হয়রানি, খাদ্য মূল্যস্ফীতি, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের অভাব ও নিয়মবহির্ভূত স্ট্রিট ফুডের বিস্তারে দেশের রেস্তোরাঁ খাত আগে থেকেই সংকটে ছিল। নতুন করে যোগ হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চরম সংকট। বাড়তি দাম দিয়েও সময়মতো মিলছে না এলপিজি। এতে অনেক রেস্তোরাঁই বন্ধের পথে রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আলোচিত শিশু হৃদয় খান নিবিড় হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে ২১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে শরীয়তপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে