চট্টগ্রামের রাউজানে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (৫৫) নামের এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আব্বাস (৩৯) নামের আরেক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আজ শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১টার দিকে আছদ আলী মাতুব্বরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম নোয়াপাড়ার নিরামিষপাড়ার মরহুম আবু সৈয়দের বড় ছেলে।
নিহতের ছোট ভাই দিদার ও স্থানীয়রা জানান, বেলা সোয়া ১টার দিকে মাকসুদ কমিউনিটি সেন্টারের মালিক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম নামাজ আদায়ের উদ্দেশে ম্যানেজার আব্বাসকে নিয়ে মোটরবাইকে বাড়ি যাচ্ছিলেন। তাঁরা আছদ আলী মাতব্বরপাড়ায় পৌঁছালে অজ্ঞাত অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা তাঁকে গুলি করেন।
এতে জাহাঙ্গীর মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। বাইকে থাকা আব্বাসও মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।
বেলা সাড়ে ৩টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নগরীর এভারকেয়ার হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিহতের লাশ ছিল। এ সময় লাশ নিতে হাসপাতালের সামনে স্বজনদের অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
এ ব্যাপারে জানতে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সরকারি নম্বরে ফোন করে তাঁকে পাওয়া যায়নি।
বিস্তারিত আসছে....

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে