
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, রাঙামাটির সাজেকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী এবং রিসোর্ট ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করবে সরকার। ব্যবসায়ীরা যেন আবার ব্যবসায় ঘুরে দাঁড়াতে পারেন, সে জন্য ব্যাংকগুলো যেন সহজ শর্তে ঋণ দেয়, সে ব্যবস্থা করা হবে।
আজ বুধবার বিকেলে সাজেক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন। আজ রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা ও চাল বিতরণ করা হয়।
সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, অগ্নিকাণ্ডের এই ক্ষতি অপূরণীয়। তবুও দায়িত্ব ও মানবিক দিক বিবেচনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার হাত বাড়ানো হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার সাজেক পরিদর্শনের সময় পার্বত্য রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার, পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা, রাঙামাটির জেলা প্রশাসক হাবিব উল্লাহ, জেলা পরিষদের সদস্য প্রতুল বিকাশ দেওয়ান, বৈশালী চাকমা, বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিরিন আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
গত সোমবার দুপুরে বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে অগ্নিকাণ্ডে বসতবাড়ি, রিসোর্ট, কটেজ, রেস্টুরেন্টসহ ৯৪টি স্থাপনা পুড়ে যায়। চার ঘণ্টা ধরে এসব স্থাপনা পুড়ে। সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি সুবর্ণ দেব বর্মণ ঘটনার দিন জানিয়েছিলেন, আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে ৯৪ স্থাপনা। পুড়ে যাওয়া স্থাপনার মধ্যে রিসোর্ট ৩২টি, বসতবাড়ি ৩৫টি, দোকান ২০টি ও রেস্টুরেন্ট ৭টি। পুড়ে যাওয়া ৩৫ বসতের মধ্যে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর ১৯টি, বাকি বসতগুলো লুসাই জনগোষ্ঠীর। তবে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের এক বার্তায় জানানো হয়, এই অগ্নিকাণ্ডে ১২০ থেকে ১৪০টির বেশি রিসোর্ট, ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চাকরি দেওয়ার কথা বলে এক গ্রামের ২২ জনকে ডাকা হয়েছিল ঢাকায়। এমন চাকরির আশায় আজ বুধবার ঢাকা এসেছিলেন তাঁরা মৌলভীবাজার থেকে। তবে বিমানবন্দরে এসে জানতে পারলেন, সবই ভুয়া।
২ ঘণ্টা আগে
হোসেনপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে ‘মিথ্যা’ মামলায় ২৪ দিন ধরে কারাবন্দী খায়রুল ইসলাম ফকির (৪০) নামের এক সাংবাদিক। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে তাঁর পরিবার। আজ বুধবার খায়রুলের মুক্তি ও মামলা থেকে অব্যাহতির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্বজনেরা।
৩ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ বন্ধ রাখতে ৫০ কোটি টাকা ঘুষের প্রস্তাব দেওয়া ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় প্রকাশের জন্য সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে নোটিশ প্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে ওই ব্যক্তিদের নাম জনসম্মুখে প্রকাশ অথবা আইনের হাতে তুলে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
‘বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন এবং আমরা ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটিকে এটি অবহিত করেছি। হার্ডড্রাইভ রিপ্লেসের বিষয়টি আমরা সিসলক এবং রেজিস্ট্রারে দেখতে পেয়েছি।’
৪ ঘণ্টা আগে