
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সীমা অক্সিজেন প্ল্যান্টে বিস্ফোরণের তিন দিন পর বিদ্যুতের সংযোগ ফিরে পেলেন কদমরসুল (কেশবপুর) এলাকার দুই শতাধিক গ্রাহক। দীর্ঘ ভোগান্তির পর মঙ্গলবার রাতে বিদ্যুৎ পেয়ে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে তাঁদের মধ্যে। বিদ্যুতের সংযোগ পুনঃস্থাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফৌজদারহাট বিপিডিবির বিপণন ও বিতরণ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ কাউসার মাসুম।
এদিকে মঙ্গলবার বিকেলে সীমা অক্সিজেন প্ল্যান্টে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত সঞ্চালন লাইন মেরামত করার সময় ওপর থেকে পড়ে আহত হন ফৌজদারহাট বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের দুই বিদ্যুৎকর্মী মোহাম্মদ রিয়াদ (২২) ও মোহাম্মদ রাকিব (২১)। খুঁটিতে উঠে কাজ করার সময় চার্জিং ভোল্টেজের কারণে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন কাঁপতে শুরু করে। এতে তাঁরা ভয় পেয়ে হাত ছেড়ে দেন এবং খুঁটি থেকে নিচে পড়ে আহত হন।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ফৌজদারহাটের তথ্যমতে, সীতাকুণ্ডের কদমরসুল–কেশবপুরের ওই অংশে পাঁচটি ট্রান্সফরমার আছে। কিন্তু গত শনিবার বিকেলে বিস্ফোরণ-পরবর্তী সময়ে ওই এলাকার বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে। ফলে বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকাটিতে পানির সংকট দেখা দেয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন গ্রাহকেরা।
কেশবপুর এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ ইমরান ও মোহাম্মদ আতাউল হাকিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিস্ফোরণের পর একে তো ছিল বিদ্যুৎ না থাকার ভোগান্তি, সেই সঙ্গে ছিল পানির কষ্ট। বিদ্যুতের অভাবে মোটর পাম্প দিয়ে পানি তোলা সম্ভব হয়নি। দূরের টিউবওয়েল থেকে পানি এনে কোনোমতে রান্নার কাজ সামাল দিলেও কাপড়–চোপড় ধোয়া ও গোসল করা বন্ধ রাখতে হয়েছে।
ফৌজদারহাট বিপিডিবির বিপণন ও বিতরণ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ কাউসার মাসুম আজকের পত্রিকাকে জানান, শবে বরাতের কথা মাথায় রেখে তাঁরা টানা কাজ চালিয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে কাজ করার সময় তাঁদের দুই বিদ্যুৎকর্মী পড়ে আহত হন। তার পরও তাঁরা রাতের মধ্যেই সঞ্চালন লাইন চালু করতে সফল হয়েছেন।
শেখ কাউসার মাসুম বলেন, ‘ওই এলাকার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন পুরো নষ্ট হয়ে গেছে। ট্রান্সফরমার, কেব্লসহ সব যন্ত্রপাতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৭০ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছ। বিদ্যুতের আপৎকালীন খাত থেকে এই টাকা বরাদ্দ দিয়ে লাইন ঠিক করা হয়েছে। তবে বিস্ফোরণে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর জানা যাবে কোন প্রতিষ্ঠান এর খরচ বহন করবে। আপাতত আবাসিক গ্রাহকদের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে ধাপে ধাপে মেরামত করে বাণিজ্যিক গ্রাহকদের বিদ্যুতের লাইন চালু করা হবে।’

বর্ষা এলেই মৌলভীবাজারের টিলা-পাহাড়ঘেরা জনপদে নেমে আসে আতঙ্ক। তবু ঝুঁকি নিয়ে এসব স্থানে বসবাস করছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত চার বছরে টিলাধসে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোর নিরাপদ পুনর্বাসনে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
গর্ভাবস্থার শুরু থেকে ঠাকুরগাঁও মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছিলেন রাশেদা আক্তার। চিকিৎসকদের আশ্বাস আর সাশ্রয়ী খরচের কথা ভেবে আশা করেছিলেন, সরকারি এ প্রতিষ্ঠানেই নিরাপদে জন্ম নেবে তাঁর সন্তান। কিন্তু প্রসববেদনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার তিনি হাসপাতালে পৌঁছার পর আশাহত হন।
৩ ঘণ্টা আগে
মাগুরার শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় গুরুতর আহত আমিরুল মোল্যা (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের সোয়া শতডাঙ্গা গ্রামে অন্তত ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা শহরে রয়েছে অসংখ্য পুকুর, দিঘি ও প্রাকৃতিক জলাধার। একসময় এসব জলাধার ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস, ভূগর্ভস্থ পানির ভারসাম্য রক্ষার কার্যকর মাধ্যম এবং নগরীর সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন। কিন্তু দখল, দূষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব জলাধার হারিয়ে যাওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে