কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রবল ঝড় ও ঢেউয়ের তোড়ে বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যাওয়া মাছ ধরার ট্রলারের ২৮ জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ বুধবার ভোরে ও গতকাল মঙ্গলবার রাতে মাছ ধরার ট্রলার দুটি তলিয়ে যায়।
গতকাল রাতে ট্রলারে থাকা ১৪ জেলে পাঁচ ঘণ্টা পানিতে ভাসমান থাকার পর উদ্ধার করে পাশের একটি ট্রলারের মাঝিরা। এরপর আজ ভোরে কুতুবদিয়ার তিন কিলোমিটার পশ্চিমে সাগরে আরও একটি ট্রলার ডুবে যায়। এ ঘটনায়ও ১৪ জেলেকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী জাহাজের মাঝিরা।
ট্রলার মালিক মোহাম্মদ নিজাম জানান, গত রোববার ভোরে আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ফকিরহাট ঘাট থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বঙ্গোপসাগরে রওনা দেয় মালেক শাহ্-১ নামের ট্রলারটি। গতকাল ভোরে ঝড়ের কবলে পড়ে। দীর্ঘসময় ঝড়ের সঙ্গে টিকে থেকে বিকেলে দিকে প্রবল পানির বেগে ডুবে যায় ট্রলারটি। এ সময় ট্রলারে থাকা ১৪ জেলেকে পাশের একটি জাহাজ উদ্ধার করে উপকূলে নিয়ে যান।
ট্রলার মালিক মোহাম্মদ নিজাম বলেন, ‘প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে আমাদের। ছাড়াও আল্লাহর দান ও মো. ফয়েজ নামের আরও দুটি ট্রলার ডুবে গেছে মাছ শিকার করতে গিয়ে।’
ডুবে যাওয়া ট্রলারের চালক ইয়াসিন মাঝি বলেন, সাগরে পানির স্রোতের সঙ্গে বেড়ে যায় বাতাস। সাগরে হয়ে উঠে উত্তাল। প্রাণপণ চেষ্টা করেও টিকে থাকা গেল না সাগরে। শেষমেশ পানির ধাক্কায় ট্রলারের গাছ ফেটে ভেতরে পানি ঢুকতে ঢুকতে একপর্যায়ে তা পানির নিচে তলিয়ে যায়। পরে ৫ ঘণ্টা ভেসে থাকার পর বরিশালের একটি ট্রলার এসে আমাদের উদ্ধার করে।
এদিকে আজ দুপুরে ডুবে যাওয়া অপর বোট মালিক আলী নুর সওদাগর বলেন, মাছ শিকারে গিয়ে তাদের ট্রলারটি ঝরের কবলে পড়ে। এ সময় ১৪ জন মাঝিকে পাশের জাহাজের মাঝিদের সহযোগিতায় উদ্ধার করা হয়। এতে ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
কোস্টগার্ড সিজি স্টেশন সাঙ্গুর সিপিজি কর্মকর্তা মো. মোস্তাক আহমেদ জানিয়েছেন, পানির স্রোত বেড়ে যাওয়ায় ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটছে। কর্নেলের নেতৃত্বে উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে।

প্রবল ঝড় ও ঢেউয়ের তোড়ে বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যাওয়া মাছ ধরার ট্রলারের ২৮ জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ বুধবার ভোরে ও গতকাল মঙ্গলবার রাতে মাছ ধরার ট্রলার দুটি তলিয়ে যায়।
গতকাল রাতে ট্রলারে থাকা ১৪ জেলে পাঁচ ঘণ্টা পানিতে ভাসমান থাকার পর উদ্ধার করে পাশের একটি ট্রলারের মাঝিরা। এরপর আজ ভোরে কুতুবদিয়ার তিন কিলোমিটার পশ্চিমে সাগরে আরও একটি ট্রলার ডুবে যায়। এ ঘটনায়ও ১৪ জেলেকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী জাহাজের মাঝিরা।
ট্রলার মালিক মোহাম্মদ নিজাম জানান, গত রোববার ভোরে আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ফকিরহাট ঘাট থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বঙ্গোপসাগরে রওনা দেয় মালেক শাহ্-১ নামের ট্রলারটি। গতকাল ভোরে ঝড়ের কবলে পড়ে। দীর্ঘসময় ঝড়ের সঙ্গে টিকে থেকে বিকেলে দিকে প্রবল পানির বেগে ডুবে যায় ট্রলারটি। এ সময় ট্রলারে থাকা ১৪ জেলেকে পাশের একটি জাহাজ উদ্ধার করে উপকূলে নিয়ে যান।
ট্রলার মালিক মোহাম্মদ নিজাম বলেন, ‘প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে আমাদের। ছাড়াও আল্লাহর দান ও মো. ফয়েজ নামের আরও দুটি ট্রলার ডুবে গেছে মাছ শিকার করতে গিয়ে।’
ডুবে যাওয়া ট্রলারের চালক ইয়াসিন মাঝি বলেন, সাগরে পানির স্রোতের সঙ্গে বেড়ে যায় বাতাস। সাগরে হয়ে উঠে উত্তাল। প্রাণপণ চেষ্টা করেও টিকে থাকা গেল না সাগরে। শেষমেশ পানির ধাক্কায় ট্রলারের গাছ ফেটে ভেতরে পানি ঢুকতে ঢুকতে একপর্যায়ে তা পানির নিচে তলিয়ে যায়। পরে ৫ ঘণ্টা ভেসে থাকার পর বরিশালের একটি ট্রলার এসে আমাদের উদ্ধার করে।
এদিকে আজ দুপুরে ডুবে যাওয়া অপর বোট মালিক আলী নুর সওদাগর বলেন, মাছ শিকারে গিয়ে তাদের ট্রলারটি ঝরের কবলে পড়ে। এ সময় ১৪ জন মাঝিকে পাশের জাহাজের মাঝিদের সহযোগিতায় উদ্ধার করা হয়। এতে ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
কোস্টগার্ড সিজি স্টেশন সাঙ্গুর সিপিজি কর্মকর্তা মো. মোস্তাক আহমেদ জানিয়েছেন, পানির স্রোত বেড়ে যাওয়ায় ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটছে। কর্নেলের নেতৃত্বে উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে