পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

মধ্যযুগের অমর পুঁথি গবেষক মুন্সি আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, জে এম সেন হলের প্রতিষ্ঠাতা যাত্রা মোহন সেন, মুক্তমনা লেখক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিক্ষক অধ্যাপক ড. আহমদ শরীফ, বাংলার মুসলমানদের মধ্যে গণিতে প্রথম ডক্টরেট আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গণিতবিদ ড. আতাউল হাকিম, আওয়ামী লীগের প্রয়াত প্রেসিডিয়াম সদস্য আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুসহ অসংখ্য গুণী ব্যক্তিত্বের স্মৃতি বিজড়িত, পটিয়া মহকুমা তথা দক্ষিণ চট্টগ্রামে বাংলা শিক্ষার আলোকবর্তিকা হিসেবে খ্যাত, ১৭৮ বছরের পুরোনো পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারীকরণের দাবি তুলেছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, অভিভাবক, প্রাক্তন ছাত্রসহ সচেতন নাগরিক সমাজ।
গতকাল সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ বি এম আবু নোমান।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি ১৮৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। দক্ষিণ চট্টগ্রামে বাংলা তথা ইংরেজি শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। পটিয়ায় প্রথম ডিগ্রি কলেজ (বর্তমানে পটিয়া সরকারি কলেজ) প্রতিষ্ঠার পেছনেও পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে এবং কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য আড়াই একর জায়গাটি পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে দানকৃত বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে কলেজটি সরকারিকরণ হয়।
সংবাদ সম্মেলনের তথ্যমতে, পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠেই (পটিয়া স্কুলের মাঠ খ্যাত) ১৮৪৩ সালে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু জনসভায় বক্তব্য রেখেছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও ১৯৭০ এবং ৭৩ সালে ২ বার পটিয়া স্কুলের মাঠে লক্ষাধিক লোকের জনসভায় বক্তব্য রেখেছিলেন। একইভাবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ১৯৯৬ সালে এবং ২০১৮ সালের ২০ মার্চ ওই মাঠেই ভাষণ দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে এ ধরনের শত শত ঐতিহাসিক কার্যক্রমে পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভূমিকা তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়, ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলেও পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় বিভিন্ন সরকারের আমলে অবহেলা, অবজ্ঞা ও বিমাতাসুলভ আচরণের শিকার হয়েছে। বিশেষত স্বাধীনতা উত্তর বিগত ৫১ বছরে প্রশাসনের তরফ থেকে কয়েকবার পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও অজ্ঞাত কারণে তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। অথচ ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত আবদুর রহমান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়কে ১৯৮১ সালে সরকারিকরণ করা হয়। বর্তমানে পাশের ১৯১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এ এস রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের একটি গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। অপেক্ষাকৃত যোগ্য হলেও পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় বাদ দিয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানকে সরকারিকরণের উদ্যোগ ষড়যন্ত্রের অংশ বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন এর আয়োজকেরা। পটিয়াবাসী দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে একটি বালক উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের। রাজনৈতিক জটিলতা এবং বিরোধিতার কারণে সম্ভব হয়নি। পটিয়াতে হাইস্কুল জাতীয়করণের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ই এর যোগ্য দাবিদার। শিক্ষার মান ও পরীক্ষার ফলাফলের দিক থেকেও আশপাশের অন্য হাইস্কুলগুলো গত ১০ বছরে পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ধারেকাছেও নেই বলে দাবি করেন তারা।
এ সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন—স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ডা. সৈয়দ সাইফুল ইসলাম, বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য আবুল কাসেম, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর আলম, স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুনীল কান্তি বড়ুয়া, সাবেক প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান, উপজেলার সিপিবির সভাপতি অলক দাশ প্রমুখ।

মধ্যযুগের অমর পুঁথি গবেষক মুন্সি আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, জে এম সেন হলের প্রতিষ্ঠাতা যাত্রা মোহন সেন, মুক্তমনা লেখক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিক্ষক অধ্যাপক ড. আহমদ শরীফ, বাংলার মুসলমানদের মধ্যে গণিতে প্রথম ডক্টরেট আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গণিতবিদ ড. আতাউল হাকিম, আওয়ামী লীগের প্রয়াত প্রেসিডিয়াম সদস্য আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুসহ অসংখ্য গুণী ব্যক্তিত্বের স্মৃতি বিজড়িত, পটিয়া মহকুমা তথা দক্ষিণ চট্টগ্রামে বাংলা শিক্ষার আলোকবর্তিকা হিসেবে খ্যাত, ১৭৮ বছরের পুরোনো পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারীকরণের দাবি তুলেছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, অভিভাবক, প্রাক্তন ছাত্রসহ সচেতন নাগরিক সমাজ।
গতকাল সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ বি এম আবু নোমান।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি ১৮৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। দক্ষিণ চট্টগ্রামে বাংলা তথা ইংরেজি শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। পটিয়ায় প্রথম ডিগ্রি কলেজ (বর্তমানে পটিয়া সরকারি কলেজ) প্রতিষ্ঠার পেছনেও পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে এবং কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য আড়াই একর জায়গাটি পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে দানকৃত বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে কলেজটি সরকারিকরণ হয়।
সংবাদ সম্মেলনের তথ্যমতে, পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠেই (পটিয়া স্কুলের মাঠ খ্যাত) ১৮৪৩ সালে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু জনসভায় বক্তব্য রেখেছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও ১৯৭০ এবং ৭৩ সালে ২ বার পটিয়া স্কুলের মাঠে লক্ষাধিক লোকের জনসভায় বক্তব্য রেখেছিলেন। একইভাবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ১৯৯৬ সালে এবং ২০১৮ সালের ২০ মার্চ ওই মাঠেই ভাষণ দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে এ ধরনের শত শত ঐতিহাসিক কার্যক্রমে পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভূমিকা তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়, ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলেও পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় বিভিন্ন সরকারের আমলে অবহেলা, অবজ্ঞা ও বিমাতাসুলভ আচরণের শিকার হয়েছে। বিশেষত স্বাধীনতা উত্তর বিগত ৫১ বছরে প্রশাসনের তরফ থেকে কয়েকবার পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও অজ্ঞাত কারণে তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। অথচ ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত আবদুর রহমান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়কে ১৯৮১ সালে সরকারিকরণ করা হয়। বর্তমানে পাশের ১৯১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এ এস রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের একটি গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। অপেক্ষাকৃত যোগ্য হলেও পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় বাদ দিয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানকে সরকারিকরণের উদ্যোগ ষড়যন্ত্রের অংশ বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন এর আয়োজকেরা। পটিয়াবাসী দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে একটি বালক উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের। রাজনৈতিক জটিলতা এবং বিরোধিতার কারণে সম্ভব হয়নি। পটিয়াতে হাইস্কুল জাতীয়করণের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ই এর যোগ্য দাবিদার। শিক্ষার মান ও পরীক্ষার ফলাফলের দিক থেকেও আশপাশের অন্য হাইস্কুলগুলো গত ১০ বছরে পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ধারেকাছেও নেই বলে দাবি করেন তারা।
এ সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন—স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ডা. সৈয়দ সাইফুল ইসলাম, বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য আবুল কাসেম, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর আলম, স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুনীল কান্তি বড়ুয়া, সাবেক প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান, উপজেলার সিপিবির সভাপতি অলক দাশ প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগে