কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার চান্দিনায় বিয়ে না করায় স্বামীকে নিয়ে পরকীয়া প্রেমিককে হত্যা করেন গৃহবধূ ফাতেমা আকতার (২৮)। এ ঘটনায় ফাতেমা ও তাঁর স্বামী শুক্কুর আলীকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নাজমুল হাসান।
নিহত আরিফ হোসেন (৪০) সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সাতগাঁও এলাকার আলাই মিয়ার ছেলে। তিনি কুমিল্লার চান্দিনায় বাসা ভাড়া করে থাকতেন। সেখানেই তাঁকে হত্যা করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, দুই বছর ধরে শুক্কুর আলীর সঙ্গে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন আরিফ হোসেন। সেই সুবাদে শুক্কুর আলীর বাড়িতে আরিফের যাতায়াত ছিল। একপর্যায়ে শুক্কুর আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগমের সঙ্গে আরিফের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মাসখানেক আগে আরিফের বাসায় গিয়ে ওঠেন ফাতেমা। কিন্তু আরিফ তাঁকে বিয়ে করবেন না বলে বুঝতে পারেন ফাতেমা।
নাজমুল হাসান বলেন, এ ব্যাপারে ক্ষুব্ধ হয়ে ফাতেমা মনে মনে আরিফকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। গত ৭ আগস্ট স্বামী শুক্কুর আলীকে গোপনে পরকীয়া প্রেমিক আরিফের বাড়িতে ডেকে নেন ফাতেমা। শুক্কুর আলী রাতে ঘরের খাটের নিচে লুকিয়ে ছিলেন। আরিফ ঘুমিয়ে পড়লে গভীর রাতে শুক্কুর আলী ও ফাতেমা মিলে তাঁকে হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দী করে পুকুরে ফেলে দেন।
গ্রেপ্তার শুক্কুর আলী সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ছত্রিশ কালীপুর গ্রামের বাসিন্দা। আসামি ফাতেমা বেগমের বাড়ি একই উপজেলার গাবুরগাঁও এলাকায়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই তারিছ আলী গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় হত্যা মামলা করেছেন। গত বুধবার কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার ছাড়াগাঁও এলাকার পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার স্বামী-স্ত্রীকে আজ বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনায়েত কবির সোহায়েব, চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ শাহাবুদ্দিন খান প্রমুখ।

কুমিল্লার চান্দিনায় বিয়ে না করায় স্বামীকে নিয়ে পরকীয়া প্রেমিককে হত্যা করেন গৃহবধূ ফাতেমা আকতার (২৮)। এ ঘটনায় ফাতেমা ও তাঁর স্বামী শুক্কুর আলীকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নাজমুল হাসান।
নিহত আরিফ হোসেন (৪০) সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সাতগাঁও এলাকার আলাই মিয়ার ছেলে। তিনি কুমিল্লার চান্দিনায় বাসা ভাড়া করে থাকতেন। সেখানেই তাঁকে হত্যা করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, দুই বছর ধরে শুক্কুর আলীর সঙ্গে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন আরিফ হোসেন। সেই সুবাদে শুক্কুর আলীর বাড়িতে আরিফের যাতায়াত ছিল। একপর্যায়ে শুক্কুর আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগমের সঙ্গে আরিফের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মাসখানেক আগে আরিফের বাসায় গিয়ে ওঠেন ফাতেমা। কিন্তু আরিফ তাঁকে বিয়ে করবেন না বলে বুঝতে পারেন ফাতেমা।
নাজমুল হাসান বলেন, এ ব্যাপারে ক্ষুব্ধ হয়ে ফাতেমা মনে মনে আরিফকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। গত ৭ আগস্ট স্বামী শুক্কুর আলীকে গোপনে পরকীয়া প্রেমিক আরিফের বাড়িতে ডেকে নেন ফাতেমা। শুক্কুর আলী রাতে ঘরের খাটের নিচে লুকিয়ে ছিলেন। আরিফ ঘুমিয়ে পড়লে গভীর রাতে শুক্কুর আলী ও ফাতেমা মিলে তাঁকে হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দী করে পুকুরে ফেলে দেন।
গ্রেপ্তার শুক্কুর আলী সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ছত্রিশ কালীপুর গ্রামের বাসিন্দা। আসামি ফাতেমা বেগমের বাড়ি একই উপজেলার গাবুরগাঁও এলাকায়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই তারিছ আলী গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় হত্যা মামলা করেছেন। গত বুধবার কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার ছাড়াগাঁও এলাকার পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার স্বামী-স্ত্রীকে আজ বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনায়েত কবির সোহায়েব, চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ শাহাবুদ্দিন খান প্রমুখ।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪৩ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে