চাঁদপুর প্রতিনিধি

ঘুষের টাকা গুনে গুনে পকেটে নেওয়া পুলিশের সেই উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমানকে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ থানা থেকে পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে ওই এসআইকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মুহম্মদ আব্দুর রকিব।
এর আগে সোমবার দুপুরে তাঁকে হাজীগঞ্জ থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। সম্প্রতি হাজীগঞ্জে একটি দোকানে বসে সাদা পোশাকে এসআই মাহফুজুর রহমানের ঘুষের টাকা গুনে গুনে নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, এসআই মাহফুজুর রহমান স্থানীয় একটি দোকানের চেয়ারে খোশমেজাজে বসে আছেন। তিনি বলছেন, ‘১০ হাজার টাকা কইছি।’
সামনে বসে থাকা এক ব্যক্তি বলছেন, ‘সবুরে মেওয়া ফলে।’ পুলিশ কর্মকর্তা তাঁর দিকে মনোযোগ দিয়ে আঙুল উঁচিয়ে বলেন, ‘এক টাকাও কম হইত ন।’
সামনে বসে থাকা ব্যক্তি বলেন, ‘বস, একটু বসেন।’ এসআই তখন মুচকি হাসেন। মুখে আলতো করে হাত বুলিয়ে বলেন, ‘কাম শেষ, এখন টিয়া।’
এ সময় আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘মাহফুজ ভাই, আসলে যে মুরুব্বি, সে বেকার মানুষ তো জানেন।’
এ সময় এসআই মাহফুজ হেসে হেসে বলেন, ‘বেকার না আকার।’ তখন দ্বিতীয় ব্যক্তি বলেন, ‘যাই হোক তাঁর ছেলেমেয়ে বাদ, তিনি বেকার মানুষ। তিনি আগে ড্রেজার ব্যবসাটেবসা করতেন। অনেকের কাছে টাকা পাওনা ছিল। এর আগে যাই দিছি দেখছেননি। তারে একজন দিয়ে গেছে, তার আবার ওষুধ কিনা লাগে, এরপর এই ঝামেলা লাগি গেছে।’
এ সময় মাহফুজ বলেন, ‘দেন দেন।’ তখন প্রথম ব্যক্তি বলছেন, ‘গরিব মাইনসের লাগি একটু দিলটা নরম করেন। যেডিন ঝামেলা আছে।’
এরপর মাহফুজ আরেক ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে হাসতে হাসতে দ্বিতীয় ব্যক্তির দিকে হাত এগিয়ে দিলে ওই ব্যক্তি মানিব্যাগ থেকে টাকা বের করে মাহফুজের হাতে দেন। ওই ব্যক্তি টাকা দিতে দিতে বলেন, ‘আমি না পারতে এ পর্যন্ত আসলাম। বিশ্বাস করেন। আমি আরেক দিন এসে ডিটেইলস বলব, তখন বুঝবেন। না হলে আমি আপনার কাছে আসতাম না। যদি অফিশিয়ালি সলিউশন করতে পারতাম।’
এ সময় প্রথম ব্যক্তি বলেন, ‘টাকা গইন্নেন না, গইন্নেন না।’
তখন মাহফুজ বলেন, ‘টাকা গুনে নেওয়া সুন্নত।’ প্রথম ব্যক্তি বলেন, ‘রুম অন্ধকার, আল্লাহ কইছে মাইনসেরে দেহাই কিল্লাই।’ এ সময় মাহফুজ মুচকি হাসতে হাসতে টাকা গুনছেন কয়েকবার। দ্বিতীয় ব্যক্তি বলছেন, ‘চা খাবেন?’ মাহফুজ জবাব দেন, ‘পরে খাব’। এই বলে টাকা হাতের মুঠোয় নিয়ে বের হয়ে যান।
তবে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে এসআই মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘এটি আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।’ ঘুষের টাকা গুনে নেওয়ার ভিডিও আপনার কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে চুপ করে থাকেন তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর আগে ফরিদগঞ্জ থানায় কর্মরত অবস্থায় বিভিন্নজনকে রাজনৈতিক মামলায় ফেলে মোটা অঙ্কের ঘুষ বাণিজ্য করেন মাহফুজুর রহমান। কিন্তু ওই থানা থেকে হাজীগঞ্জে এসেও পুরোনো স্বভাব পরিবর্তন করেননি তিনি।
এ বিষয়ে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজ দেখে উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাঁকে হাজীগঞ্জ থানা থেকে প্রত্যাহার করে চাঁদপুর পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে দিয়ে ঘটনাটির তদন্ত করা হবে।’

ঘুষের টাকা গুনে গুনে পকেটে নেওয়া পুলিশের সেই উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমানকে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ থানা থেকে পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে ওই এসআইকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মুহম্মদ আব্দুর রকিব।
এর আগে সোমবার দুপুরে তাঁকে হাজীগঞ্জ থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। সম্প্রতি হাজীগঞ্জে একটি দোকানে বসে সাদা পোশাকে এসআই মাহফুজুর রহমানের ঘুষের টাকা গুনে গুনে নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, এসআই মাহফুজুর রহমান স্থানীয় একটি দোকানের চেয়ারে খোশমেজাজে বসে আছেন। তিনি বলছেন, ‘১০ হাজার টাকা কইছি।’
সামনে বসে থাকা এক ব্যক্তি বলছেন, ‘সবুরে মেওয়া ফলে।’ পুলিশ কর্মকর্তা তাঁর দিকে মনোযোগ দিয়ে আঙুল উঁচিয়ে বলেন, ‘এক টাকাও কম হইত ন।’
সামনে বসে থাকা ব্যক্তি বলেন, ‘বস, একটু বসেন।’ এসআই তখন মুচকি হাসেন। মুখে আলতো করে হাত বুলিয়ে বলেন, ‘কাম শেষ, এখন টিয়া।’
এ সময় আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘মাহফুজ ভাই, আসলে যে মুরুব্বি, সে বেকার মানুষ তো জানেন।’
এ সময় এসআই মাহফুজ হেসে হেসে বলেন, ‘বেকার না আকার।’ তখন দ্বিতীয় ব্যক্তি বলেন, ‘যাই হোক তাঁর ছেলেমেয়ে বাদ, তিনি বেকার মানুষ। তিনি আগে ড্রেজার ব্যবসাটেবসা করতেন। অনেকের কাছে টাকা পাওনা ছিল। এর আগে যাই দিছি দেখছেননি। তারে একজন দিয়ে গেছে, তার আবার ওষুধ কিনা লাগে, এরপর এই ঝামেলা লাগি গেছে।’
এ সময় মাহফুজ বলেন, ‘দেন দেন।’ তখন প্রথম ব্যক্তি বলছেন, ‘গরিব মাইনসের লাগি একটু দিলটা নরম করেন। যেডিন ঝামেলা আছে।’
এরপর মাহফুজ আরেক ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে হাসতে হাসতে দ্বিতীয় ব্যক্তির দিকে হাত এগিয়ে দিলে ওই ব্যক্তি মানিব্যাগ থেকে টাকা বের করে মাহফুজের হাতে দেন। ওই ব্যক্তি টাকা দিতে দিতে বলেন, ‘আমি না পারতে এ পর্যন্ত আসলাম। বিশ্বাস করেন। আমি আরেক দিন এসে ডিটেইলস বলব, তখন বুঝবেন। না হলে আমি আপনার কাছে আসতাম না। যদি অফিশিয়ালি সলিউশন করতে পারতাম।’
এ সময় প্রথম ব্যক্তি বলেন, ‘টাকা গইন্নেন না, গইন্নেন না।’
তখন মাহফুজ বলেন, ‘টাকা গুনে নেওয়া সুন্নত।’ প্রথম ব্যক্তি বলেন, ‘রুম অন্ধকার, আল্লাহ কইছে মাইনসেরে দেহাই কিল্লাই।’ এ সময় মাহফুজ মুচকি হাসতে হাসতে টাকা গুনছেন কয়েকবার। দ্বিতীয় ব্যক্তি বলছেন, ‘চা খাবেন?’ মাহফুজ জবাব দেন, ‘পরে খাব’। এই বলে টাকা হাতের মুঠোয় নিয়ে বের হয়ে যান।
তবে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে এসআই মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘এটি আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।’ ঘুষের টাকা গুনে নেওয়ার ভিডিও আপনার কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে চুপ করে থাকেন তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর আগে ফরিদগঞ্জ থানায় কর্মরত অবস্থায় বিভিন্নজনকে রাজনৈতিক মামলায় ফেলে মোটা অঙ্কের ঘুষ বাণিজ্য করেন মাহফুজুর রহমান। কিন্তু ওই থানা থেকে হাজীগঞ্জে এসেও পুরোনো স্বভাব পরিবর্তন করেননি তিনি।
এ বিষয়ে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজ দেখে উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাঁকে হাজীগঞ্জ থানা থেকে প্রত্যাহার করে চাঁদপুর পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে দিয়ে ঘটনাটির তদন্ত করা হবে।’

দীর্ঘ এক দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে হাসি ফিরেছে সুমন-এনি দম্পতির ঘরে। আজ মঙ্গলবার একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ নবজাতককে নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তাঁরা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ওই প্রসূতি পাঁচ সন্তান জন্ম দেন। তার মধ্যে তিনজন মেয়ে ও দুজন ছেলে।
১৫ মিনিট আগে
ট্রেড ইউনিয়নের নামে হয়রানি, খাদ্য মূল্যস্ফীতি, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের অভাব ও নিয়মবহির্ভূত স্ট্রিট ফুডের বিস্তারে দেশের রেস্তোরাঁ খাত আগে থেকেই সংকটে ছিল। নতুন করে যোগ হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চরম সংকট। বাড়তি দাম দিয়েও সময়মতো মিলছে না এলপিজি। এতে অনেক রেস্তোরাঁই বন্ধের পথে রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আলোচিত শিশু হৃদয় খান নিবিড় হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে ২১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে শরীয়তপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে
ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া খাদ্যগুদামে (এলএসডি) রেকর্ড ছাড়া অতিরিক্ত ৩ হাজার ৪৫০ কেজি চালের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। আজ মঙ্গলবার দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম এই অভিযান পরিচালনা করে। এতে নেতৃত্বে দেন ঠাকুরগাঁও সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আজমীর শরীফ।
১ ঘণ্টা আগে