ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (আশুগঞ্জ-সরাইল) আসনে উপনির্বাচনের সময় বিএনপি নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে নির্বাচনী এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ।
বিএনপি আন্তর্জাতিক-বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এই সংসদ সদস্যকে নির্বাচনী এলাকায় প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার।
আজ শুক্রবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এক দলীয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান আল মামুন সরকার।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার বলেন, ‘আশুগঞ্জ-সরাইলে যে উপনির্বাচন হচ্ছে, এতে দলীয়ভাবে আমাদের কোনো প্রার্থী নাই। এরপরও আসনটি যেহেতু বিএনপির ছিল, সেই প্রেক্ষাপটে বিএনপির নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা আশুগঞ্জে এসে একটি মিটিংয়ে তিনি নির্বাচন প্রতিহত করার জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ে সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে যারা বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তাদের দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার প্রয়োজনে প্রতিহত করা আবশ্যক। সেই প্রেক্ষাপটে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে যে উপনির্বাচন হবে, সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষার প্রয়োজনে এবং প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তার প্রয়োজনে প্রশাসনকে আমরা সহযোগিতা করব। কোনো ব্যক্তি বা বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করে, তাহলে আমরা আমাদের দলীয় নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়েছি তাদের প্রতিহত করতে।’
আওয়ামী লীগের এ নেতা আরও বলেন, ‘ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এসে তাঁর দলের নেতা-কর্মীদের উসকে দিতে চেয়েছেন। তাঁকে এই আসনে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো। পাশাপাশি উপনির্বাচনের সময় তিনি যদি সরাইল বা আশুগঞ্জের কোথাও আসেন, তাহলে তাঁকে প্রতিহত করা হবে।’
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজি মো. ছফিউল্লাহ মিয়া, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নাসের আহমেদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মঈন উদ্দিন মঈন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০১৮ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া বিজয়ী হন। দলীয় সিদ্ধান্তে অন্য ছয় সংসদ সদস্যের পাশাপাশি গত ১১ ডিসেম্বর আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়াও জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি এ আসনে উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এই উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আবারও অংশ নিতে যাচ্ছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কার হওয়া আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া। তিনি এই আসন থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন জাতীয় পার্টির আব্দুল হামিদ ভাসানী, জাকের পার্টির জহিরুল ইসলাম জুয়েল ও আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবু আসিফ আহমেদ।
এই আসনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কোনো দলীয় প্রার্থী দেওয়া হয়নি। দল থেকে যে কয়েকজন নেতা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন, শেষ মুহূর্তে তাঁরাও প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (আশুগঞ্জ-সরাইল) আসনে উপনির্বাচনের সময় বিএনপি নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে নির্বাচনী এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ।
বিএনপি আন্তর্জাতিক-বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এই সংসদ সদস্যকে নির্বাচনী এলাকায় প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার।
আজ শুক্রবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এক দলীয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান আল মামুন সরকার।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার বলেন, ‘আশুগঞ্জ-সরাইলে যে উপনির্বাচন হচ্ছে, এতে দলীয়ভাবে আমাদের কোনো প্রার্থী নাই। এরপরও আসনটি যেহেতু বিএনপির ছিল, সেই প্রেক্ষাপটে বিএনপির নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা আশুগঞ্জে এসে একটি মিটিংয়ে তিনি নির্বাচন প্রতিহত করার জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ে সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে যারা বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তাদের দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার প্রয়োজনে প্রতিহত করা আবশ্যক। সেই প্রেক্ষাপটে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে যে উপনির্বাচন হবে, সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষার প্রয়োজনে এবং প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তার প্রয়োজনে প্রশাসনকে আমরা সহযোগিতা করব। কোনো ব্যক্তি বা বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করে, তাহলে আমরা আমাদের দলীয় নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়েছি তাদের প্রতিহত করতে।’
আওয়ামী লীগের এ নেতা আরও বলেন, ‘ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এসে তাঁর দলের নেতা-কর্মীদের উসকে দিতে চেয়েছেন। তাঁকে এই আসনে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো। পাশাপাশি উপনির্বাচনের সময় তিনি যদি সরাইল বা আশুগঞ্জের কোথাও আসেন, তাহলে তাঁকে প্রতিহত করা হবে।’
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজি মো. ছফিউল্লাহ মিয়া, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নাসের আহমেদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মঈন উদ্দিন মঈন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০১৮ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া বিজয়ী হন। দলীয় সিদ্ধান্তে অন্য ছয় সংসদ সদস্যের পাশাপাশি গত ১১ ডিসেম্বর আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়াও জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি এ আসনে উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এই উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আবারও অংশ নিতে যাচ্ছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কার হওয়া আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া। তিনি এই আসন থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন জাতীয় পার্টির আব্দুল হামিদ ভাসানী, জাকের পার্টির জহিরুল ইসলাম জুয়েল ও আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবু আসিফ আহমেদ।
এই আসনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কোনো দলীয় প্রার্থী দেওয়া হয়নি। দল থেকে যে কয়েকজন নেতা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন, শেষ মুহূর্তে তাঁরাও প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।

চট্টগ্রামমুখী লেনে চলন্ত এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এ সময় দাঁড়িয়ে থাকা আব্দুর রহমান ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।
৮ মিনিট আগে
বাদীর অভিযোগ, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, তাঁর পরিবার, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চরমভাবে মানহানি করা হয়েছে। এতে সামাজিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও নালিশে উল্লেখ করা হয়।
১৩ মিনিট আগে
এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
৩৭ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে