
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে দুই মাদ্রাসার পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছে। আজ সোমবার (১১ মে) দুপুরের দিকে পরীক্ষা শেষে আখাউড়া নাছরীন নবী পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয় দাখিল পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আখাউড়া থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, টন্কী সাদেকুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার পরীক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিল। পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্রের দোতলা ভবনে ওঠার সময় এক পরীক্ষার্থীর সঙ্গে আখাউড়া টেকনিক্যাল ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার এক পরীক্ষার্থীর ধাক্কা লাগে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাগ্বিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।
পরীক্ষা শেষে কেন্দ্রের গেট দিয়ে বের হওয়ার সময় মোয়াজ হোসেনের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন পরীক্ষার্থী অপর পক্ষের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে উবায়দুল মিয়া, ত্বোয়াহা ইত্তেসাম রনি, বায়েজিদ মিয়া ও শাকিল মিয়া আহত হয়।
অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা কিল-ঘুষি ও লাথির পাশাপাশি কলম ও স্টিলের স্কেল দিয়ে আঘাত করে। এতে ত্বোয়াহা ইত্তেসাম রনির ডান চোখের ওপর গুরুতর জখম হয় এবং সেখানে তিনটি সেলাই দিতে হয়েছে। সে বর্তমানে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার পর টন্কী সাদেকুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মো. আমীর হুসাইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে তিনি আখাউড়া থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
এ বিষয়ে আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানান, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, ‘ঘটনার বিষয়টি আমাকে ফোনে জানানো হয়েছিল। পরে আমি তাদের থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিই।’

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে মুরাদপুর কনভেনশন সেন্টারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার একই প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ। তাদের তিন সন্তান রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
গত ৩০ মে রাজাসন পালোয়ান মার্কেটের সামনে সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। এ সময় ছাত্রদল নেতা সামিরের এক সহযোগীর সঙ্গে তার ধাক্কা লাগে। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হন এবং বিষয়টি সামিরকে জানান...
৭ ঘণ্টা আগে
রংপুরের পীরগাছায় পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন নুসরাত জাহান নূপুর। ছেলের পরিবার গরিব হওয়ায় এ বিয়ে মেনে নেয়নি নূপুরের পরিবার। পরে কৌশলে বাড়িতে ডেকে এনে নির্যাতন করা হয় নূপুর ও তার স্বামীকে। মার খেয়ে স্বামী চলে গেলে এলাকায় প্রচার করা হয় নূপুর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিন সদস্যকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সঠিক বিচার দাবি করেছেন বেঁচে যাওয়া জুনায়েদ ইসলাম শিফাত।
৯ ঘণ্টা আগে