আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সাহেবের হাটের বাঁশবাড়ি এলাকায় র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সাদা পোশাকে অভিযান চালাতে গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা র্যাব সদস্যদের ওপর আকস্মিকভাবে হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ করে। এ ঘটনায় পাল্টা অভিযানে একজন নিহত ও অন্তত চারজন আহত হন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, র্যাব সদস্যরা হামলার মুখে আত্মরক্ষার্থে লাঠিপেটা করে। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে সিয়াম মোল্লা (২২) ও রাকিব মোল্লা নামে দুজন গুলিবিদ্ধ হন। র্যাবের লাঠির আঘাতে আরও দুজন আহত হন। আহতদের আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সিয়াম ও রাকিবকে গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিয়ামকে মৃত ঘোষণা করেন। রাকিবকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নিহত সিয়াম মোল্লা উজিরপুর উপজেলার বাহেরঘাট এলাকার বাসিন্দা রিপন মোল্লার ছেলে। আহত রাকিব একই এলাকার খালেক মোল্লার ছেলে। তাঁরা দুজনই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মোহনকাঠী গ্রামের এক মোটরসাইকেল চালক জানান, সিয়ামকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি একটি ইজিবাইক থেকে নামিয়ে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. জাকিয়া রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই সিয়ামের মৃত্যু হয়েছে। তার বুকে গুলির চিহ্ন ছিল।’
গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. ইউনুস মিয়া বলেন, ‘খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।’
আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় র্যাব, পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তদন্ত করছেন।’
র্যাব-৮ এর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সাহেবের হাটের বাঁশবাড়ি এলাকায় র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সাদা পোশাকে অভিযান চালাতে গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা র্যাব সদস্যদের ওপর আকস্মিকভাবে হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ করে। এ ঘটনায় পাল্টা অভিযানে একজন নিহত ও অন্তত চারজন আহত হন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, র্যাব সদস্যরা হামলার মুখে আত্মরক্ষার্থে লাঠিপেটা করে। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে সিয়াম মোল্লা (২২) ও রাকিব মোল্লা নামে দুজন গুলিবিদ্ধ হন। র্যাবের লাঠির আঘাতে আরও দুজন আহত হন। আহতদের আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সিয়াম ও রাকিবকে গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিয়ামকে মৃত ঘোষণা করেন। রাকিবকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নিহত সিয়াম মোল্লা উজিরপুর উপজেলার বাহেরঘাট এলাকার বাসিন্দা রিপন মোল্লার ছেলে। আহত রাকিব একই এলাকার খালেক মোল্লার ছেলে। তাঁরা দুজনই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মোহনকাঠী গ্রামের এক মোটরসাইকেল চালক জানান, সিয়ামকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি একটি ইজিবাইক থেকে নামিয়ে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. জাকিয়া রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই সিয়ামের মৃত্যু হয়েছে। তার বুকে গুলির চিহ্ন ছিল।’
গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. ইউনুস মিয়া বলেন, ‘খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।’
আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় র্যাব, পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তদন্ত করছেন।’
র্যাব-৮ এর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে