
বরিশালে কম দামে কাঁচা মরিচ বিক্রিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মারামারির সময় ছুরিকাঘাতে কামাল হোসেন (৩০) নামের একজন নিহত হয়েছেন। আহত আরও চারজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৯টায় বরিশাল নগরীর কাশীপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কামাল হোসেন কাশীপুর এলাকার এস্কান্দার সরদারের ছেলে। তিনি কাশীপুর বাজারের স্থায়ী সবজি বিক্রেতা ছিলেন। হামলাকারী সোহেল রানা কাশীপুর বাজারে ভ্যানগাড়িতে সবজি বিক্রি করতেন। গণপিটুনিতে আহত রানাকে আহতাবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
বরিশাল বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লোকমান হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, রানাকে আটক করা হয়েছে। তাঁকেও হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাশীপুর বাজারের স্থায়ী সবজি বিক্রেতারা সিন্ডিকেট করে স্বাভাবিক বাজারদরের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি দামে সবজি বিক্রি করেন। রানা সড়কে ভ্যানগাড়িতে হ্যান্ডমাইকে অনেক কম দামে সবজি বিক্রি করে আসছিলের। এতে বাজারের স্থায়ী সবজি বিক্রেতারা তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন। শনিবার সকালে স্থায়ী সবজি বিক্রেতারা কাঁচা মরিচ বিক্রি করছিলেন ৩০০ টাকা কেজি দরে। রানা সড়কে ভ্যানগাড়িতে ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছিলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্থায়ী চার-পাঁচজন সবজি বিক্রেতা এসে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে রানাকে মারধর শুরু করেন। রানা তখন ভ্যানগাড়িতে থাকা চাকু বের করে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মাছ বিক্রেতা শহীদ হাওলাদার বলেন, কামাল হোসেনের বুকে ছুরির কোপ লাগে। তাঁকেসহ অন্যদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক রানাকে মৃত ঘোষণা করেন। হামলাকারী রানাকে গণধোলাই দেওয়া হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা দেশ ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী বাস মোটরসাইকেল আরোহী তানভীরকে চাপা দেয়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
১৮ মিনিট আগে
রাজধানীর রামপুরার বনশ্রী এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের একজন আরোহী নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম সুমন কাজী (৩৫)। তিনি হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে বনশ্রী ডি ব্লকের আইডিয়াল স্কুলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি দ্রুতগামী ট্রাক মোটরসাইকেলটিকে...
২১ মিনিট আগে
ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন সোহাগ তাঁর কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে সাঁড়াগোপালপুর রেললাইনের পাশে একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় মুখোশধারী কয়েকজন সন্ত্রাসী সেখানে এসে তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই সোহাগের মৃত্যু হয়। পরে তারা পার্শ্ববর্তী রেললাইনের পাশ দিয়ে পালিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
গত ২৯ মার্চ বিকেলে শুভ সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকেশ্বরী এলাকায় তাঁর শ্বশুরবাড়িতে যান। পরে সন্ধ্যায় শাকিল তাঁকে ফোন করে পূর্ব ইসদাইর রেললাইন এলাকায় ডেকে নেন। সেখানে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন আসামি তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে গুরুতর আহত অবস্থায় শুভ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাঁকে...
১ ঘণ্টা আগে