পিরোজপুরের নেছারাবাদে এতিমখানার সাবেক সভাপতির মারধরে মো. মেহেদী হাসান (১৫) নামের এক অনাথ ছেলে আহত হয়েছে। এ ঘটনার বিচার চেয়ে এতিমখানার বর্তমান সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এতিমখানার সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন হাওলাদার বলেন, ‘শাহআলম শেখ খুবই রাগী মানুষ। তিনি এতিমখানার সভাপতি থাকার সময় একটি ছেলেকে বেদম মারধর করেছিলেন। গতকাল শনিবার জোহর নামাজের পর অনাথ ছেলেটি মসজিদে নামাজের জন্য ঢোকে। এ সময় সে পা পিছলে পড়ে যায়। দাঁড়িয়ে পা ঝাঁকি দিলে পেছন থেকে আসা আরেকটি ছেলের গায়ে লাগে। বিষয়টি শাহ আলম দেখে এগিয়ে গিয়ে মেহেদীকে হাতপাখার ডাঁট দিয়ে বেদম মারধর করেন। তা ছাড়া বেশ কয়েকটি চড় দেন। তাতে ছেলেটি বেশ আহত হয়েছে। ছেলেটি পাশের ব্যাসকাঠী পাটিকেলবাড়ী নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসায় দশম শ্রেণিতে পড়ে।’
অভিযুক্ত শাহআলম শেখ বলেন, ‘ছেলেটি মসজিদে ঢুকে একটি ছেলের গায়ে লাথি দিয়েছে। বিষয়টি দেখে আমি তাকে একটু শাসন করেছি। তাতে এমন কী হয়েছে?’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নেছারাবাদ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তপন কুমার ঘোষ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে ইউএনও মহোদয়ের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি আমাকে তদন্তভার দিয়েছেন। আমি দুই দিনের মধ্য তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেব।’

দক্ষিণ চট্টগ্রামে আকস্মিক বন্যার পর পরিস্থিতি জটিল হতে শুরু করেছে। এবারের বন্যায় জেলার অন্তত ২০ হাজার নলকূপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া বন্যার দূষিত পানিতে দীর্ঘ সময় অবস্থানের কারণে অনেকের শরীরে ছত্রাক সংক্রমণ, শিশুদের জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া ও চর্মরোগ দেখা দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
এক বছর ধরে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) আর্থিক সহযোগিতায় নগর শাসন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই সড়ক সংস্কার ও নালা নির্মাণের কাজ চলছে। দুটি প্যাকেজে ৩৬ কোটি ৮৬ লাখ ৩৩ হাজার ২৫৭ টাকার চুক্তিমূল্যে ১২ স্থানে সাড়ে ৭ কিলোমিটার রাস্তা ও ১৫ স্থানে সাড়ে ১০ কিলোমিটার নালা নির্মাণের কাজ চলছে।
২ ঘণ্টা আগে
সন্ধ্যা গড়াতেই শ্রাবণের বৃষ্টি আরও ঘন হয়ে নামে। শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনের কার্নিশ ছুঁয়ে মাধবীলতার পাতায় জমতে থাকে বৃষ্টির ফোঁটা। এমন বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় মিলনায়তনে ভেসে আসে সুরের মূর্ছনা—‘আকাশে আজ ছড়িয়ে দিলাম প্রিয়, আমার কথার ফুল গো–কুড়িয়ে তুমি নিও’।
২ ঘণ্টা আগেনাটোরের গুরুদাসপুর পৌরসভায় ছাড় (রিবেট) সুবিধা দিয়েও হোল্ডিং ট্যাক্সের (পৌর কর) প্রায় ২ কোটি টাকা আদায় হচ্ছে না। এ কারণে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ২৫ মাসের বকেয়া বেতন । অপর দিকে ব্যাহত হচ্ছে পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম। পৌরসভার কর বিভাগের দাবি, নাগরিক পর্যায়ে কর আদায় হলেও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান...
২ ঘণ্টা আগে