মো. মিরাজ হোসাইন, দৌলতখান (ভোলা)

দৌলতখানে লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। লকডাউনের প্রথম ও দ্বিতীয় দিনে দৌলতখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তারেক হাওলাদারের নেতৃত্বে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিধি-নিষেধ অমান্য করার অপরাধে ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে জরিমানার আওতায় আনা হয়। উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনায় অংশ নিয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহুয়া আফরোজ ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলার রহমান।
গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ লকডাউন চলবে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত।
কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে দেশজুড়ে কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন ও আজ দ্বিতীয় দিনে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থান দেখা গেছে। উপজেলার বিভিন্ন সড়কের মোড়ে মোড়ে অভিযান চালিয়ে যানবাহন ও লোক চলাচল নিয়ন্ত্রণে তাঁরা কাজ করছে। সড়কগুলোতে রিকশা চলাচল আগের মতই স্বাভাবিক ছিল। তবে ব্যাটারিচালিত বোরাক ততটা দেখা যায়নি।
এদিকে সপ্তাহব্যাপী লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী। জরুরি কারণ ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হলে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছে সরকার। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হলে গ্রেপ্তার করার কথা বলেছে পুলিশ। বিধি-নিষেধ মানতে বাধ্য করতে মাঠে টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় বের হতে দিচ্ছে না তারা। রাস্তায় কাউকে দেখা গেলেই কোথায় যাচ্ছেন, কেন যাচ্ছেন, নানা প্রশ্ন করে যৌক্তিক উত্তর দিতে পারলে গন্তব্যস্থানে যেতে দিচ্ছেন। অন্যথায় ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
রিকশা-ভ্যান, জরুরি পরিষেবা ছাড়া বন্ধ রয়েছে সব ধরনের ইঞ্জিনচালিত যানবাহন। বন্ধ আছে সব ধরনের দোকানপাট, শপিংমল। তবে কাঁচাবাজারগুলো খোলা থাকলেও ক্রেতার উপস্থিতি পূর্বের মত দেখা যায়নি। সপ্তাহব্যাপী লকডাউনে দুশ্চিন্তায় রয়েছে দৌলতখান উপজেলার চরাঞ্চলসহ স্বল্প আয়ের মানুষগুলো। তবে অত্যধিক দুশ্চিন্তায় আছেন নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষগুলো। পরিবারগুলোর দুশ্চিন্তার শেষ নেই। দুঃখ কষ্টে দিন কাটলেও কারো কাছে হাত পাতাও তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।
ক্ষুদ্র ফল ব্যবসায়ী জামাল হোসেন জানান, আমি একজন দিনমজুর। আম বিক্রি করে পরিবারের জন্য দুই মুঠো ভাতের ব্যবস্থা করি। আমার অন্য কোনো আয়ের উৎস নেই। লকডাউনের কারণে বাজারে আম বিক্রি করতে পারছি না। যার কারণে আমার পরিবারের ভরণ-পোষণ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক হাওলাদার জানান, লকডাউনে কঠোর অবস্থানে আছে প্রশাসন। সরকারের বিধি-নিষেধ কঠোরভাবে কার্যকর করা হবে। এরই মধ্যে দৌলতখানের হাট-বাজারসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় অভিযান পরিচালনা হচ্ছে। প্রশাসন সর্বাত্মক লকডাউন সফল করতে তৎপর রয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

দৌলতখানে লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। লকডাউনের প্রথম ও দ্বিতীয় দিনে দৌলতখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তারেক হাওলাদারের নেতৃত্বে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিধি-নিষেধ অমান্য করার অপরাধে ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে জরিমানার আওতায় আনা হয়। উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনায় অংশ নিয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহুয়া আফরোজ ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলার রহমান।
গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ লকডাউন চলবে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত।
কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে দেশজুড়ে কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন ও আজ দ্বিতীয় দিনে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থান দেখা গেছে। উপজেলার বিভিন্ন সড়কের মোড়ে মোড়ে অভিযান চালিয়ে যানবাহন ও লোক চলাচল নিয়ন্ত্রণে তাঁরা কাজ করছে। সড়কগুলোতে রিকশা চলাচল আগের মতই স্বাভাবিক ছিল। তবে ব্যাটারিচালিত বোরাক ততটা দেখা যায়নি।
এদিকে সপ্তাহব্যাপী লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী। জরুরি কারণ ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হলে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছে সরকার। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হলে গ্রেপ্তার করার কথা বলেছে পুলিশ। বিধি-নিষেধ মানতে বাধ্য করতে মাঠে টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় বের হতে দিচ্ছে না তারা। রাস্তায় কাউকে দেখা গেলেই কোথায় যাচ্ছেন, কেন যাচ্ছেন, নানা প্রশ্ন করে যৌক্তিক উত্তর দিতে পারলে গন্তব্যস্থানে যেতে দিচ্ছেন। অন্যথায় ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
রিকশা-ভ্যান, জরুরি পরিষেবা ছাড়া বন্ধ রয়েছে সব ধরনের ইঞ্জিনচালিত যানবাহন। বন্ধ আছে সব ধরনের দোকানপাট, শপিংমল। তবে কাঁচাবাজারগুলো খোলা থাকলেও ক্রেতার উপস্থিতি পূর্বের মত দেখা যায়নি। সপ্তাহব্যাপী লকডাউনে দুশ্চিন্তায় রয়েছে দৌলতখান উপজেলার চরাঞ্চলসহ স্বল্প আয়ের মানুষগুলো। তবে অত্যধিক দুশ্চিন্তায় আছেন নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষগুলো। পরিবারগুলোর দুশ্চিন্তার শেষ নেই। দুঃখ কষ্টে দিন কাটলেও কারো কাছে হাত পাতাও তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।
ক্ষুদ্র ফল ব্যবসায়ী জামাল হোসেন জানান, আমি একজন দিনমজুর। আম বিক্রি করে পরিবারের জন্য দুই মুঠো ভাতের ব্যবস্থা করি। আমার অন্য কোনো আয়ের উৎস নেই। লকডাউনের কারণে বাজারে আম বিক্রি করতে পারছি না। যার কারণে আমার পরিবারের ভরণ-পোষণ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক হাওলাদার জানান, লকডাউনে কঠোর অবস্থানে আছে প্রশাসন। সরকারের বিধি-নিষেধ কঠোরভাবে কার্যকর করা হবে। এরই মধ্যে দৌলতখানের হাট-বাজারসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় অভিযান পরিচালনা হচ্ছে। প্রশাসন সর্বাত্মক লকডাউন সফল করতে তৎপর রয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
২৩ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আপিল শুনানিতে পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহমুদ হোসেনের মনোনয়ন বাতিল বহাল রাখা হয়েছে। ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক তালিকায় গরমিল এবং ঋণখেলাপি থাকার অভিযোগে তাঁর আপিল নামঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তাঁর
২৯ মিনিট আগে
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নবীন সৈনিকদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন এবং কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করবেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় একটি হিফজ মাদ্রাসার টয়লেট থেকে হাবিবউল্লাহ (১২) নামের এক ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার কালিয়াকৈর বাইপাস এলাকায় আল আবরার ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। হাবিবউল্লাহ যশোরের কেশবপুর উপজেলার
২ ঘণ্টা আগে