পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে একটি প্রভাবশালী চক্রের বাইরে কেউ অ্যাম্বুলেন্স চালাতে পারে না। এমনকি রোগীর স্বজনেরা অন্য জায়গা থেকে অ্যাম্বুলেন্স আনতে গেলেও বাধা দেওয়া হয়; কিংবা নির্দিষ্ট চাঁদা দিতে হয়। ফলে জিম্মি হয়ে পড়ছেন অসহায় রোগীরা, তাঁদের দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এই চক্রের নেতৃত্ব দেন পটুয়াখালী অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির সভাপতি শাহেদ মৃধা ও সাধারণ সম্পাদক শাকিল মৃধা।
ভুক্তভোগী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে সাংবাদিক আব্দুস সালাম আরিফের বাবা আব্দুল কাদের মিয়া হার্ট অ্যাটাক করে হাসপাতালে ভর্তি হন। শুক্রবার দুপুরে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় স্থানান্তর করলে আরিফ ঢাকাগামী একটি অ্যাম্বুলেন্স ঠিক করে নিয়ে আসেন। তবে অ্যাম্বুলেন্সটি হাসপাতাল চত্বরে ঢুকতে দিচ্ছিলেন না সাজিদ নামের এক অ্যাম্বুলেন্সচালক। সাজিদ দাবি করেন, মালিক সমিতির অ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিতে হবে, অন্যথায় ৩ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হবে; না হলে রোগী নিতে দেওয়া হবে না। এদিকে এ ঘটনার পর হাসপাতাল চত্বরের মধ্যে আরিফের কান্নার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যা নিয়ে জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী সাংবাদিক আব্দুস সালাম আরিফ বলেন, ‘আমার বাবা মুমূর্ষু অবস্থায়, আমি ৩০ মিনিট ধরে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে হাসপাতালে ঢুকতে পারতেছি না। আমি যেখানে ৭ হাজার টাকায় এসি অ্যাম্বুলেন্স পাচ্ছি, সেখানে ওদের ফিটনেস নেই; সমিতির অ্যাম্বুলেন্স নাকি নেওয়া লাগবে ১২ হাজার টাকায়। আমি পরিচয় দিলাম, শাহেদ নামের সভাপতি বলেন আপনি যে-ই হন আমাদেরটাই নেওয়া লাগবে। তিনি নাকি বিএনপির নেতা। এভাবে সিন্ডিকেট করে রোগীদের হয়রানি করছে। কোন বাংলাদেশে আছি? কার কাছে বিচার দেব?’
এর আগে পল্লী বিদ্যুৎ সড়কের বাসিন্দা ভুক্তভোগী আরাফাত তালুকদার বলেন, ‘আমার ভাইয়ের পা ভাঙছে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাব ৬ হাজার টাকায় গাড়ি ঠিক করেছি; কিন্তু ওরা সেই গাড়িতে নিতে দেয়নি। শেষে ১১ হাজার টাকায় ওদের গাড়িতে নিতে হয়েছে। এক কথায় জুলুম।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক অ্যাম্বুলেন্সচালক বলেন, সমিতির নিয়ম অনুযায়ী চলতে হয়। সিরিয়ালে থেকে ট্রিপ দেওয়া লাগে এবং প্রতি ট্রিপে সমিতিকে ১ হাজার টাকা দিতে হয়, না হলে হাসপাতালে ট্রিপ দিতে দেয় না।’
অভিযোগ অস্বীকার করে অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাকিল মৃধা বলেন, ‘আমরা মানুষকে সেবা দেই; কিন্তু আমরা এমনটি কখনো করি না। আরিফের সঙ্গে কালকে যেটা ঘটেছে, আমরা দেখে মর্মাহত হয়েছি। সভাপতিকে নিয়ে বসেছিলাম, তিনি নাকি এমনটি বলেননি। যে ছেলেটা চাঁদা চেয়েছে, ও ড্রাইভার। ৩ মাস আগেই ওকে বের করে দিয়েছি আমরা।’
এ ব্যাপারে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা বলেন, ‘হাসপাতাল কম্পাউন্ডের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতি বিনা অনুমতিতে পার্কিং দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রোগীদের অভিযোগ বিস্তর। ইতিমধ্যে হাসপাতালের মধ্যে কোনো ধরনের বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স না রাখার জন্য চিঠি দিয়েছি। না মানলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফিন বলেন, ‘এ ধরনের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। ইতিমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে একটি প্রভাবশালী চক্রের বাইরে কেউ অ্যাম্বুলেন্স চালাতে পারে না। এমনকি রোগীর স্বজনেরা অন্য জায়গা থেকে অ্যাম্বুলেন্স আনতে গেলেও বাধা দেওয়া হয়; কিংবা নির্দিষ্ট চাঁদা দিতে হয়। ফলে জিম্মি হয়ে পড়ছেন অসহায় রোগীরা, তাঁদের দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এই চক্রের নেতৃত্ব দেন পটুয়াখালী অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির সভাপতি শাহেদ মৃধা ও সাধারণ সম্পাদক শাকিল মৃধা।
ভুক্তভোগী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে সাংবাদিক আব্দুস সালাম আরিফের বাবা আব্দুল কাদের মিয়া হার্ট অ্যাটাক করে হাসপাতালে ভর্তি হন। শুক্রবার দুপুরে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় স্থানান্তর করলে আরিফ ঢাকাগামী একটি অ্যাম্বুলেন্স ঠিক করে নিয়ে আসেন। তবে অ্যাম্বুলেন্সটি হাসপাতাল চত্বরে ঢুকতে দিচ্ছিলেন না সাজিদ নামের এক অ্যাম্বুলেন্সচালক। সাজিদ দাবি করেন, মালিক সমিতির অ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিতে হবে, অন্যথায় ৩ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হবে; না হলে রোগী নিতে দেওয়া হবে না। এদিকে এ ঘটনার পর হাসপাতাল চত্বরের মধ্যে আরিফের কান্নার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যা নিয়ে জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী সাংবাদিক আব্দুস সালাম আরিফ বলেন, ‘আমার বাবা মুমূর্ষু অবস্থায়, আমি ৩০ মিনিট ধরে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে হাসপাতালে ঢুকতে পারতেছি না। আমি যেখানে ৭ হাজার টাকায় এসি অ্যাম্বুলেন্স পাচ্ছি, সেখানে ওদের ফিটনেস নেই; সমিতির অ্যাম্বুলেন্স নাকি নেওয়া লাগবে ১২ হাজার টাকায়। আমি পরিচয় দিলাম, শাহেদ নামের সভাপতি বলেন আপনি যে-ই হন আমাদেরটাই নেওয়া লাগবে। তিনি নাকি বিএনপির নেতা। এভাবে সিন্ডিকেট করে রোগীদের হয়রানি করছে। কোন বাংলাদেশে আছি? কার কাছে বিচার দেব?’
এর আগে পল্লী বিদ্যুৎ সড়কের বাসিন্দা ভুক্তভোগী আরাফাত তালুকদার বলেন, ‘আমার ভাইয়ের পা ভাঙছে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাব ৬ হাজার টাকায় গাড়ি ঠিক করেছি; কিন্তু ওরা সেই গাড়িতে নিতে দেয়নি। শেষে ১১ হাজার টাকায় ওদের গাড়িতে নিতে হয়েছে। এক কথায় জুলুম।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক অ্যাম্বুলেন্সচালক বলেন, সমিতির নিয়ম অনুযায়ী চলতে হয়। সিরিয়ালে থেকে ট্রিপ দেওয়া লাগে এবং প্রতি ট্রিপে সমিতিকে ১ হাজার টাকা দিতে হয়, না হলে হাসপাতালে ট্রিপ দিতে দেয় না।’
অভিযোগ অস্বীকার করে অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাকিল মৃধা বলেন, ‘আমরা মানুষকে সেবা দেই; কিন্তু আমরা এমনটি কখনো করি না। আরিফের সঙ্গে কালকে যেটা ঘটেছে, আমরা দেখে মর্মাহত হয়েছি। সভাপতিকে নিয়ে বসেছিলাম, তিনি নাকি এমনটি বলেননি। যে ছেলেটা চাঁদা চেয়েছে, ও ড্রাইভার। ৩ মাস আগেই ওকে বের করে দিয়েছি আমরা।’
এ ব্যাপারে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা বলেন, ‘হাসপাতাল কম্পাউন্ডের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতি বিনা অনুমতিতে পার্কিং দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রোগীদের অভিযোগ বিস্তর। ইতিমধ্যে হাসপাতালের মধ্যে কোনো ধরনের বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স না রাখার জন্য চিঠি দিয়েছি। না মানলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফিন বলেন, ‘এ ধরনের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। ইতিমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭) হত্যায় সন্দেহভাজন হোটেলকর্মী মিলনকে আটক করেছে র্যাব। আজ সোমবার সকালে র্যাব সদর দপ্তরের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
২ ঘণ্টা আগে
পাবনার বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী, জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী শিল্পী গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক প্রলয় চাকির মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
৩ ঘণ্টা আগে