
আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের বরিশাল নগরীর পৈতৃক বাড়ির প্রবেশপথের গেট খুলে ফেলল বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)। নিয়মবহির্ভূতভাবে গেট স্থাপনের অভিযোগে আজ মঙ্গলবার বিকেলে সেটি খুলে নেয় বিসিসি। নানকের পরিবারের দাবি, নিজস্ব জমির সড়কে তারা গেটটি স্থাপন করেছিল।
জানা গেছে, নগরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ড বটতলা এলাকায় আদম আলী হাজি সড়কে নানকের পৈতৃক নিবাস। সেখানে তাঁদের পরিবারের যৌথ মালিকানায় বহুতল ভবন রয়েছে। ভবনে যেতে ৮ ফুট প্রশস্ত একটি সড়ক রয়েছে। নানকদের ভবনের পর অন্যদের মালিকানাধীন আরও কয়েকটি ভবন ও প্লট রয়েছে।
নানকের প্রতিবেশী আব্দুল মালেক মুন্সী নামে জানান, সড়কটি সব মালিকের দেওয়া জমিতে করা হয়েছিল। নানকের ভাই নাসির উদ্দিন লিটু আওয়ামী লীগের আমলে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সড়কের মুখে গেট লাগান। নানকের পরিবারের ইচ্ছেমতো গেট খোলা ও বন্ধ করা হতো। এতে অন্য পরিবারগুলো ভোগান্তিতে পড়ে। সম্প্রতি তারা বিসিসিতে অভিযোগ দেয়। অবশ্য নানকের বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক হারুন অর রশিদ জানান, ৮ ফুট প্রশস্ত সড়কটি নানকের পারিবারিক জমিতে করা হয়েছে। এরপরের প্লটমালিকদের বিকল্প সড়ক রয়েছে। ৫ আগস্টে ক্ষমতার পরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে ওসব মালিকেরা সিটি করপোরেশনকে ব্যবহার করে গেট ভেঙে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে বরিশাল সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ শাখার কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বলেন, এলাকাবাসীর অভিযোগ পাওয়ার পর তাঁরা মাপজোখ করে দেখেছেন যে বিসিসির জমিতে গেটটি স্থাপন করা হয়েছে। এ জন্য গেটটি অপসারণ করা হয়েছে।

দেশের অন্যান্য শিল্পাঞ্চলের মতো গ্যাস-সংকটে ভুগছে নরসিংদীর শিল্পাঞ্চল। কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রয়োজনের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ ৬০-৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম। ফলে গত দুই সপ্তাহে নরসিংদীর কোনো কোনো কারখানায় উৎপাদন ৭০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আমন মৌসুম শুরু হয়েছে। কৃষকেরা জমি প্রস্তুত করছেন। বীজতলা থেকে চারা তোলা হচ্ছে। কোথাও কোথাও চারা রোপণও শুরু হয়েছে। তবে কৃষকেরা সারের দোকানে গিয়ে সার পাচ্ছেন না। ডিলাররা বলছেন, চাহিদার তুলনায় বিসিআইসি ও বিএডিসি তাঁদেরকে সার সরবরাহ করছে না।
৫ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীতে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। নগরীর পাঁচটি এলাকায় এডিস মশার প্রজনন নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপে ব্রেটো সূচক ৬১ দশমিক ৩৩ পাওয়া গেছে, যেখানে ২০-এর বেশি সূচককে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
নান্দাইল-হোসেনপুর-পাকুন্দিয়া পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার সড়কটি খানাখন্দে ভরে গেছে। ভাঙাচোরা আর অপ্রশস্ত সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা। আধা ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে দেড়-দুই ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে তাঁদের।
৬ ঘণ্টা আগে